গাইড লাইনঃ ভিজিটর ফ্রেন্ডলি ব্লগ সাইট তৈরি (নতুনদের জন্য)

ইদানিং সবাই একটা করে ব্লগ সাইট বানাচ্ছে। নিজের কথা বা মনের ভাব শেয়ার করার জন্য ব্লজ্ঞিং খুব ভাল একটা মাধ্যম হয়ে গেছে। প্রথম কথা হল ব্লগিং আর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্ম এর উপর আর কিছুই নাই। তো সবাই একটা ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল দিয়েই কোন ভাবে একটা থিম ইন্সটল দিয়েই শুরু করে দেয় ব্লগিং। এত কষ্ট করে লিখতেছেন কার জন্য ??? অবশ্যই ভিজিটরের জন্য তাইনা। তাহলে সাইটটি কে এমন ভাবে বানানো উচিত যাতে ভিজিটর ভিজিট করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তো জেনে নিন ব্লগকে ভিজিটর ফ্রেন্ডলি করার জন্য কিছু টিপস।

১. সর্বপ্রথম একটি ভাল মানের সুন্দর ওয়ার্ডপ্রেস থিম ইন্সটল দিন সাইটে।

থিম নির্বাচনের টিপসঃ

১.১ ব্লগিং এর জন্য ২ কলাম থিম বেশি ভাল লাগে। তাই দুই কলামের থিম খোঁজ করুন।

১.২ সাইড বার ডান পাশে দেখে থিম নির্বাচন করুন কারন বেশির ভাগ সাইটের সাইড বার ডানে দেখতে দেখতে বাম পাশে সাইডবার ভিজিটরের কাছে অন্য রকম লাগতে পারে।

১.৩ বিশাল বড় স্লাইড ওয়লা থিম ব্লগিং এর জন্য নির্বাচন না করা ভাল।

১.৪ স্ট্যান্ডার্ড সাইজের থিম পছন্দ করুন।

১.৫ অতিরিক্ত জটিল টাইপের থিম ব্লগের জন্য ব্যবহার করবেন না। এতে থিমকে আপনার মন মত কাস্টমাইজ করতে সমস্যায় পরবেন।

বিঃদ্রঃ অতিরিক্ত জটিল টাইপের থিম বলতে কিছু প্রিমিয়াম থিম দেখবেন একটু ভিন্ন ধর্মী ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে একই অংশের কোড ২/৩ জায়গায় থাকে। এতে আপনার এডিট করতে একটু সমস্যায় পড়তে হবে। 

২. ভাল একটি থিম ব্যাকগ্রাউন্ড দিন। থিম ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিচের টিপস গুলো অবলম্বন করুন।

থিম ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচনের টিপসঃ

২.১ বেশি উজ্জ্বল রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিহার করুন কারন ভিজিটর সাইটের দিকে তাকিয়ে থাকতে বিরক্ত হবে। যত ভাল কন্টেন্ট থাকুক বেশি সময় সে সাইটে থাকবে না।

২.২ এমন ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করতে হবে যাতে ব্যাকগ্রাউন্ড হলে জোরা তালি দেওয়া মনে না হয়।

২.৩ খুব সুন্দর দেখে একটা ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করবেন কারন ব্যাকগ্রাউন্ড এর উপর সাইটের সৌন্দর্য অনেকাংশে নির্ভর করে।

৩. সাইটের ইনার ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই সাদা ব্যবহার করবেন এবং ফন্ট কালার কালো ব্যবহার করবেন।

৪. সাইটের প্যারাগ্রাফ কালার ও হেডিং কালার আলাদা রাখবেন। যেমনঃ প্যারাগ্রাফ কালার কালো এবং হেডিং কালার সবুজ বা বেগুনি রঙ দিবেন।

৫. সাইটের লিংক কালার ভিন্ন রাখবেন মানে প্যারাগ্রাফ কালার কালো এবং যে যে শব্দটা লিংক সেগুলো নীল রঙ দিন আর মাউস রাখলে মানে হলওভার কালার একটু ভিন্ন দিবেন। এতে ভিজিটর সহজে বুঝতে পারবে কোনটা লিংক।

৬. ব্লগের পোস্টটি সঠিক ক্যাটাগরিতে রাখুন। ক্যাটাগরির সাথে মিল নেই এমন পোস্ট ক্যাটাগরিতে রাখবেন না।

৭. সাইড বারে অপ্রয়োজনীয় জিনিস রাখবেন না। যেমনঃ রেডিও, ফ্ল্যাশ ঘড়ি, ক্যালেন্ডার, বিভিন্ন অ্যানিমেশন ইত্যাদি।

৮. সাইটে যেসব লিংক করবেন তা সব Open in a new tab এ করবেন তা না হলে ভিজিটর হারাতে পারেন।

৯. সাইটের ছবিতে ক্লিক করলে যাতে ওই পোস্টটি বন্ধ না হয়ে যাতে ছবিটি ওপেন হয় সেই রকম বাবস্থা করবেন যেমনঃ ছবির উপর ক্লিক করলে একটু নতুন ট্যাবে ছবিটি ওপেন হবে বা পপআপ হয়ে ছবিটি আসবে। এমন বাবস্থা করবেন।

১০. ব্লগে যেসব ছবি ব্যবহার করবেন সেগুলর সাইজ যাতে ছোট হয় সেদিকে নজর দিবেন। কারন ছবির সাইজ বড় হলে লোড দিতে অনেক সময় লাগবে। আবার মাঝে মাঝে ছবিটি ব্রেক হয়ে জেতে পারে।

১১. ব্লগের সার্চ বক্সকে শক্তিশালী করুন। অনেক ব্লগ আছে সার্চ দিলে সাইটে সঠিক তথ্য থাকা সত্ত্বেও তথ্য টি খুঁজে বের করতে পারে না।

১২. ব্লগের প্যারাগ্রাফ ফন্ট একটু বড় রাখুন যাতে ভিজিটরের পড়তে সুবিধা হয়। ব্লগ ১৪/১৬ রাখুন ফন্ট সাইজ

১৩. স্টাইলিশ ফন্ট ব্যবহার না করে নরলাম ফন্ট ব্যবহার করুন।

আজকে মোটামুটি এই পর্যন্তই। আবারও নতুন কোন গাইড লাইন নিয়ে খুব শিগ্রই পোস্ট করব… 

একটি ওয়েব সাইট তৈরির গাইড লাইন (নতুনদের জন্য)

অনেকেরই প্রায় সময় বলতে শুনি “আমার একটা ওয়েব সাইট বানানোর খুব ইচ্ছা।” তো তারা কি করে বিভিন্ন সাইট থেকে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল ও আর কিছু লাগিন এর কাজ জেনে একটা ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল দিয়ে সুন্দর দেখে একটা ফ্রিতে পাওয়া প্রিমিয়াম থিম একটিভ করে বানিয়ে ফেলে একটা ওয়েব সাইট।

এত সোজা একটা ওয়েব সাইট বানানো ?? !! না এত সোজা কাজ না। ওয়েব সাইট তৈরির সাথে অনেক কিছু জরিত আছে। সেটাই নিচে গাইড লাইন আকারে আলোচনা করা হল।

ডোমেইন নেইম নির্বাচনঃ

ওয়েব সাইট বানালে অবশ্যই একটা ডোমেইন নাম লাগবে। মানে যেই নাম অ্যাড্রেস বারে দিয়ে ক্লিক করলেই ওই নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটটি চলে আসবে। ডোমেইন নাম যে কোন একটা হলেই হয় এটা ভুল আবার সত্য। মানে যদি আপনি প্রফেশনাল ভাবে সাইট তৈরি করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে ইউনিক নাম নির্বাচন করতে হবে। শুধু ওই নামটা খালি থাকলেই হবে না তার সাথে আরও কিছু জিনিস যুক্ত করতে হবে। যেমনঃ

১.যেই নামে ডোমেইন নিবেন গুগলে ওই নামটি সার্চ দিয়ে দেখবেন ওই নামে কোন ফেসবুক পেজ, গুগল প্লাস পেজ, টুইটার একাউন্ট, ইউটিউব একাউন্ট ইত্যাদি আছে কিনা। যদি থাকে তবে সেই নাম না নেওয়া ভাল।

২.ডোমেইন নামের মদ্ধে “-/_” হাইফেন বা হ্যস চিহ্ন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

৩.ডোমেইন নামটা ৭/৮ অক্ষরের মদ্ধে যদি নিতে পারেন তবে ভাল। বেশি বড় নিবেন না।

৪.ইংরেজিতে জটিল বানান এমন ডোমেইন নাম নিবেন না। এতে ভিজিটর সহজে নাম মনে রাখতে পারবেনা। আপনার সাইটের নাম লিখতে গিয়ে ভুল লিখে অন্য সাইটে চলে যাবে।

৫.একটি নামে ডোমেইন আছে তার আশে পাশের বানানের ডোমেইন নাম নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। যেমনঃ www.facebook.com আছে আপনি নিয়ে নিলেন www.facebooks.com বা www.face-book.com

৬.ডোমেইন নামটা উচ্চারনে সুন্দর ও সহজ শব্দ বা যে সব শব্দ আমরা সব সময় ব্যবহার করি এমন শব্দ দিয়ে ডোমেইন নাম নেবার চেষ্টা করুন।

৭.আপনি যে ধরনের সাইট বানাতে চান সেটার সাথে মিল রেখে ডোমেইন নাম কিনুন।

হোস্টিং কেনাঃ

ডোমেইনের পরেই যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেটা হল হোস্টিং। হোস্টিং হল আপনি যে সাইটটা তৈরি করবেন সেটা যাবতীয় স্ক্রিপ্ট, ফাইল ও এত দরকারি জিনিসপত্র রাখার জন্য জায়গা এর আপনি বা আপনার ভিজিটর যে ওয়েব সাইটটা ভিজিট করতেছে সেটা জন্য কিছু কে.বি খরচ হয়। সেটাকে বলা হয় ব্যান্ডউইথ। এগুলো সহ আরও অনেক কিছু সম্বলিত থাকে হোস্টিং এর মদ্ধে। হোস্টিং কি এটা আর কিছু বললাম না কারন বেশির ভাগ মানুষই জানেন এটা কি। আর কেউ যদি না জানেন মন্তব্যতে জানাবেন। বিস্তারিত বুঝানোর চেষ্টা করবো।

হোস্টিং কোনটা নিবেন, কতটুকু নিবেন !!!

আমরা সাধারন ভাবে যে সাইট বানাব তার জন্য শেয়ার হোস্টিং নিলেই হবে। আর দাম খুব কম। কেউ যদি একটু ভাল স্পীড বা ভাল সার্ভিস পেতে চান তারা ভি.পি.এস নিতে পারেন। সাধারন ভাবে আমাদের ১ জিবি জায়গা(Space) হলেই যথেষ্ট এটাই সহজে খরচ হবেনা। তবে ব্যান্ডউইথ টা একটু বেশি নেওয়া ভাল কারন। জত ভিজিটর বাড়বে তত ব্যান্ডউইথ খরচ হবে। আর কিছু জিনিস দেখবেন। যেমনঃ কয়টা সাবডোমেইন বানানোর সুযোগ দিবে, কয়টা ডাটাবেস তৈরি করতে দিবে। ইত্যাদি।

তথ্য সংগ্রহঃ

আপনি কি কাজের জন্য সাইট বানাতে চান। ব্লগ সাইট, পার্সোনাল ইনফরমেশন সাইট, বিজনেস সাইট, পোর্টফলিও সাইট ইত্যাদি। কোনটা বানাতে চান। যেটা বানাবেন সেইটার আনুশাঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করুন। যেমনঃ বিজনেস সাইট হলে বিজনেস সম্পর্কিত তথ্য, স্কুল ওয়েব সাইট হলে স্কুল সম্পর্কিত তথ্য ইত্যাদি।

প্লাটফর্ম নির্বাচনঃ

আপনি যেই ওয়েব সাইটটা বানাবেন সেটা কিসে বানাবেন HTML এ নাকি PHP তে নাকি কোন CMS(WordPress, Joomla, Drupal) ব্যবহার করবেন। যদি ব্লগ সাইট হয় তবে CMS হিসাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন। যদি বিজনেস সাইট হয় তবে HTML আর মাদ্ধমে করতে পারেন বা চাইলে PHP তেও করতে পারেন। অবশ্য আরও অনেক প্লাটফর্ম এ করা যায় যেমনঃ ASP.NET, Python, Ruby, ColdFusion ইত্যাদি।

সাইট ডেভলপঃ

এবার শুরু ওয়েব সাইট ডেভলপের কাজ। সাইট ডেভলপের ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রাখবেন। যেমনঃ

১.ওয়েবসাইটের সুন্দর একটি লোগো বানাবেন। সেটা সাইতে ব্যবহার করবেন।

২. সাইটের ব্যাকগ্রউন্ডে আকর্ষণী একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করবেন যাতে সাইটটি সুন্দর ভাবে ফুতে উঠে। তবে ব্যাকগ্রউন্ড এ এমন কোন কালার ব্যবহার করবেন না যেটা চোখে বেশি লাগে মানে বেশি উজ্জ্বল কালার।

৩.সাইটের ফন্ট বেশি ছোট রাখবেন না। ভিজিটরের যাতে পরতে কোন সমশা না হয় এমন সাইজ ব্যবহার করবেন। ফন্ট কালার কালোই ভাল দেখা যায়।

৪.সাইটের আউটলুক সুন্দর করার চেষ্টা করবেন। যাতে ভিজিটর ভিজিত করে শান্তি পায়।

৫.ভিজিটরকে যাতে ধরে রাখা যায় বেশি ক্ষণ বা যাতে এবার ফিরে আসে সেই বাবস্থা করুন। যেমনঃ RSS ফিড যোগ করুন। সাইড বারে ও পেজের/ পোষ্টের শেষে একই রকম পোস্ট বা বেশি পঠিত পোস্ট লিঙ্ক রাখুন। এছাড়াও প্রয়োজনীয় লিঙ্ক সাইড বারে দিন।

৬. সাইটে যদি বিজ্ঞাপন থাকে মানে এডসেন্স বা অন্য কিছু। তবে অতিরিক্ত আঁকারে বিজ্ঞাপন দিবেন না। বিজ্ঞাপন গুলো সাজিয়ে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করবেন।

ওয়েব সিকিউরিটি দিনঃ

বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলতেছে তাতে ওয়েব সাইটের সিকিউরিটি দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। না হলে যেকোনো সময় হ্যাক হয়ে জেতে পারে।

Web Security

একটি ছোট্ট মজার ঘটনা বলি – “বেশ কিছু দিন আগে আমি এক ক্লাইন্ট এর একটি বিজনেস সাইট ডেভলপ করে দেই। তো একদিন সন্ধ্যার দিকে ক্লাইন্টকে ফোন করে বলি তার সাইটের কাজ শেষ সে এখন সাইট অন্যকে দেখাতে পারবে। (তখন আলসেমি করে পরে করব বলে সাইটে কোন সিকিউরিটির দেই নি) যাইহোক সেতো সাইট দেখে বেশ খুশি। পরদিন সকালে ৯.৩০ এর দিকে আমাকে সেই ক্লাইন্ট ফোন করে বলে রাহাত আমাদের সাইটটা না কেমন যেন কালো কালো লাগতেছে আর কেমন যেন একটা ছবি। আমি বললাম আপনার সাইটের রঙ তো সবুজ আর নীল তাহলে কালো হবে কেন !!! আপনি মনে হয় ভুল অ্যাড্রেস দিছেন। পরে আমি খুলে দেখি আসলেই কালো কালো দেখায় মানে সাইটটাতে একটি হ্যাকারের ডিফেজ পেজ ঝুলছে”

ঘটনাটা বলার কারন সাইট বানানোর সাথে সাথেই সিকিউরিটি দেওয়াটা যে কতটা জরুরি সেটা বুঝালাম।

এস.ই.ও করুনঃ

এসইও(SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলতে বুঝায় বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে তুলে ধরা সাইটে কি আছে তা সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝানো। আমরা যেকোনো কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলে দেখা যাবে অনেক পরিমানে ফলাফল পাওয়া যায় এর মধ্যে প্রথম ২/৩ পেজে যে সাইট গুলো আমরা পাই সেগুলোই আমরা দেখে থাকি। এটাই হল এসইও মানে সাইটে এসইও করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটকে আগে নিয়ে আসবে আগে থেকলে ভিজিটররা বেশি দেখবে। এটাই মূলত এসইও র কাজ।

SEO

এছাড়াও আরও কিছু কাজ করুন। যেমনঃ সাইটের যেই নাম ঠিক সেই নামেই ফেসবুকে একটি পেজ, গুগল প্লাসে একটি পেজ, টুইটার একাউন্ট এছাড়াও আরও সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুলোতে একই নামে একাউণ্ট খুলুন ইত্যাদি।

এতক্ষণ ধরে গাইড লাইনটি পরার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি এটা নতুনদের উপকারে আসবে।

যারা ঘরে বসে নিজে নিজে ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে চান তারা আমার লেখা এই পোস্টটি পরতে পারেন – গাইড লাইনঃ ঘরে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখুন।

 

গাইড লাইনঃ ঘরে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখুন।

বাতাসের সাথে সাথে মনে হচ্ছে হাজার হাজার ডাটা (তথ্য) চারপাশে ভাসছে। Google কে চিনিনা এমন মানুষ কম আছে। যে একে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে যে জানে এটা কি জিনিস। তো যারা Google কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন নাই তাদের জন্য সহজ করে গাইড লাইন দিলাম। যা থেকে যেকেউ খুব সহজে ঘরে বসে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে পারবে।

তবে গাইড লাইনের আগে বলে নেই। অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য সহকারে সব টিউটোরিয়াল পড়তে হবে। শুধু পরলে হবে না পড়ার সাথে সাথে যেগুলো প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রথমেই NotePad++ সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে নিন। এটা আপনার প্র্যাকটিস করাতে সুবিধা হবে। যেকোন ধরনের কোড এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে লিখতে পারবেন সাথে আরও অনেক সুবিধা পাবেন। এটার বিস্তারিত তে নাইবা গেলাম কারন এটা সম্পর্কে মোটামুটি সবাই জানে। তো ডাউনলোড করুন – NotePad++

এবার যারা আমার লেখা ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর গাইড লাইনটি পড়েন নি তারা একবার পরে আসুন কি কি শিখা প্রয়োজন ওয়েব ডেভলপারের জন্য। কি দেখেছে ??? এবার শিখা শুরুঃ

HTML

নিচের সাইটগুলোতে বেশ ভাল মানের টিউটোরিয়াল আছে। এগুলো থেকে ধারাবাহিক ভাবে শিখা শুরু করতে পারেন। শিখবেন কিভাবে শুধু রিডিং পড়ে পড়ে ? অবশ্যই না। যেই কোডটি পরবেন সেটা সাথে সাথে নোটপ্যাড++ এর মাধ্যমে প্র্যাকটিস করবেন।

HTML Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/html/default.asp

http://www.tizag.com/htmlT/

http://www.quackit.com/html/

http://www.learn-html-tutorial.com

CSS

CSS দুই ধরনের হয়ে থাকে ১.Internal CSS ২.External CSS এই দুই ধরনের মধ্যে অবশ্যই প্র্যাকটিস করবেন এবং শিখবেন External CSS টা আর Internal টা সম্পর্কে একটু ধারনা নিলেই হবে।

CSS Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/css/default.asp

http://www.tizag.com/cssT/

http://www.quackit.com/css/

http://www.learn-css-tutorial.com/

JavaScript

জাভাস্ক্রিপ্ট !!! কি খুব কঠিন একটা জিনিস কেমন কেমন জানি লাগে তাই না ? নিচের সাইট গুলো থেকে শুধু বুঝে নিন কোনটার কাজ কি। এতে আপনি আপনার মত করে এডিট করতে পারবেন কোডগুলো। আর পর জাভাস্ক্রিপ্ট এর ফ্রেমওয়ার্ক jquery.com থেকে jQuery এর টিউটোরিয়াল গুলো দেখেন কিভাবে কোন কোড ব্যবহার করতে হয়।  

JavaScript Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/js/default.asp

http://www.tizag.com/javascriptT/

http://www.learn-javascript-tutorial.com/

http://www.quackit.com/javascript/

PHP

PHP এর পিছনে অনেক সময় দিন। ভাল ভাবে রপ্ত করুন PHP কে। অনেক কাজে দিবে। নিচের সাইট গুলো থেকে PHP শিখুন।

PHP Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/php/default.asp

http://www.tizag.com/phpT/

http://www.learnphp-tutorial.com/

http://www.quackit.com/php/tutorial/

SQL

ডাটাবেজ কে কন্ট্রোল করার জন্য ও ডায়নামিক সাইট বানানোর জন্য SQL কে ভাল ভাবে শিখুন। এগুলো কিন্তু জাভাস্ক্রিপ্ট এর মত শুধু বুঝলে হবে না। এগুলোকে ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।

SQL Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/sql/default.asp

http://www.tizag.com/mysqlTutorial/

http://www.quackit.com/sql/tutorial/

http://www.learn-sql-tutorial.com/

WordPress

ওয়ার্ডপ্রেস কি তা নতুন করে কিছুই বলা লাগবে না। খুবই মজার একটি জিনিস। কম সময়ে কম কষ্টে সাইট বানানো যায় এটা দিয়ে। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে টেকটিউনস এ অনেক টিউটোরিয়াল আছে এগুলো থেকে শিখতে পারেন। আমার করা ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারেন – ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়াল

Web Server/ Hosting

Hosting সম্পর্কে ধারনা নেওয়া কোন ব্যাপারই না। যেটা জানতে চান YouTube এ গিয়ে শুধু সার্চ দেন। যেমন আপনি যদি কিভাবে সাব ডোমেইন বানাতে হয় জানতে চান। YouTube এ গিয়ে সার্চ দিন “How to create sub domain” অথবা Cpanel Tutorial লিখে সার্চ দিলেও সিপ্যানেল বা হোস্টিং সম্পর্কিত টিউটরিয়াল পাবেন।

এই তো মোটামুটি শেষ হয়ে গেল গাইড লাইন। তো দেরি কিসে ? এখনই শিখা শুরু করে দিন।

আর কেউ যদি কম সময়ে, সহজে ব্যাক্তিগত ভাবে শিখতে চান বা যে কোন পরামর্শ চান যোগাযোগ করতে পারেন। – ফেসবুক

গাইড লাইনঃ ওয়েব ডেভলপার হতে চাই

অনেকেই প্রায় সময় ফেসবুকে ইনবক্স করে জানতে চায় কি ভাবে ভাল ওয়েব ডেভলপার হতে পারবে বা কি ভাবে ওয়েব ডেভলপমেন্টের কাজ শিখবে। ভাল গাইড লাইন চায়। তাই সবাইকে বার বার উত্তর দেবার চেয়ে পোস্ট আকারে লিখার চিন্তা করলাম।

ওয়েব ডেভলপমেন্টের আসলে অনেক বড় একটা ব্যাপার। কথাটা যত সোজা কাজটা আসলে এত সোজা না। ইদানিং অনেকে ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা ইন্সটল ও কিছু প্লাগিন ও থিম সম্পর্কে ধারনা নিয়েই নিজেকে ওয়েব ডেভলপার হিসাবে দাবি করে। ব্যাপারটা মজাই লাগে। এই হিসাব করলে আমাদের দেশে কাক পাখির মত ওয়েব ডেভলপার এর সংখ্যা অগণিত হয়ে যাবে।

কাজের কথায় আসি। আমি এক্সপার্ট না তবুও ওয়েব ডেভলপমেন্টের প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে এক্সপার্ট লেভেল পর্যন্ত একটি গাইড লাইন দেবার চেষ্টা করছি। এক্সপার্টরা যদি কোন ভুল পান তবে জানাবেন।

HTML শিখুন


html

প্রথমেই আপনাকে HTML সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে HTML বলতে সাধারন ভাবে ট্যাগ সমূহ বা কিভাবে টেক্সট লিঙ্কআপ করতে হয় বা কিভাবে লেয়ার বানাতে হয় শুধু মাত্র এই সাধারন জিনিস গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না HTML এর হাই লেভেল পর্যন্ত জানতে হবে।

CSS শিখুন


csslogoএর পর CSS টা বেশ ভাল ভাবে জানতে হবে। এটা জানা ছাড়া ভাল ভাবে সাইটের ডিসপ্লে বা ডিজাইনকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না। সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারবেন না। তাই HTML এর পরেই CSS কে ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।

Server-Side Technologies কে রপ্ত করুন


php Python rubyবেশ অনেক server side Technologies রয়েছে এর মধ্যে PHP, ColdFusion, Python, Ruby, ASP.NET, Java EE ইত্যাদি রয়েছে। আমার কাছে কেউ সাজেশন চাইলে আমি বলব এগুলোর মধ্যে PHP টা শিখতে। কারন PHP টা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় ও এর মাধ্যমে অনেক সুন্দর সুন্দর ডায়নামিক ওয়েব সাইট বানানো যায়। তবে যারা নতুন তাদের ASP.NET, Java EE এই দুটো কাছেই যেতে না করব কারন এই দুটো অনেক কঠিন ও জটিল জিনিস। যেমন আপনি যদি ASP.NET শিখতে চান তবে আপনাকে সি ল্যাঙ্গুয়েজ ও ভিজুয়াল ব্যাসিক সম্পর্কে বেশ ভাল ধারনা থাকতে হবে।

JavaScript জানুন


JavaScriptLogoওয়েব সাইটকে ডায়নামিক করে গড়ে তুলতে JavaScript এর বেশ প্রয়োজন পরবে। এটি একটি স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ। বেশ কঠিন একটি জিনিস। এটা ভাল ভাবে শিখতে পারলে বেশ অনেক কাজে দিবে। কঠিন ও সময় সাপেক্ষ বলে যারা শিখতে ইচ্ছুক না তাদের জন্য বলব শিখার কোন দরকার নেই। শুধু স্ক্রিপ্টগুলো বা কোডগুলো কি ভাবে ব্যবহার করতে হয় এটা শিখুন তাহলেই হবে। কাজের সুবিধা মত গুগলে সার্চ দিলে অনেক অনেক রেডি স্ক্রিপ্ট পাবেন। জাভাস্ক্রিপ্ট এর কিছু ফ্রেমওয়ার্ক আছে এগুলো সমন্ধে জানুন। আমার কাছে MooTools, jQuery ফ্রেমওয়ার্ক ভাল লাগে। এছাড়া সম্ভবত আরও অনেক ফ্রেমওয়ার্ক আছে।

SQL শিখুন


SQL iconডায়নামিক ওয়েব সাইট বানাতে হলে অবশ্যই ডাটাবেজ সম্পর্কে জানতে হবে। অনেক ধরনের ডাটাবেজ ইঞ্জিন রয়েছে কিন্তু SQL টা বেশীর ভাগ মানুষ ব্যবহার করে ও বুঝে। তাই এটাই শিখাটা ভাল।

ওয়েব সার্ভার সম্পর্কে ধারনা নিন


website_hosting_server

ওয়েব সার্ভার সম্পর্কে তেমন বেশি জানা লাগবে না। হালকা পাতলা জানলেই হবে। যেমন ফাইল আপলোড করা, সাব ডোমেইন তৈরি করা, ইমেইল কনফিগার করা ইত্যাদি… ইত্যাদি…

ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা শিখুন


frameworkআপনি সব কিছু শিখলেন HTML, CSS, JavaScript, PHP ইত্যাদি। কিন্তু এগুলোকে Raw Materials হিসাবে নিয়ে কাজ করতে অনেক অনেক সময় লাগবে। অনেক ঝেমেলা পোহাতে হবে। তাই সময় বাঁচানোর জন্য ও কাজের সুবিধার্থে ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে হবে। যেমন আপনি যদি PHP ভাল পারেন তবে আপনি CakePHP, CodeIgniter, Zend ইত্যাদি ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন বা আপনি যদি Python ভাল জানেন তবে Django, webpy ও Ruby এর জন্য RoR ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন।

বিভিন্ন CMS ব্যবহার করা শিখুন


WordPress-Joomla-and-Drupal

অনেক ধরনের শক্তিশালী CMS রয়েছে যেগুলো ফ্রি তে পাওয়া যায়। যেমন WordPress, Joomla, Drupal ইত্যাদি। এগুলোর যেকোনো একটিতে এক্সপার্ট হন। এগুলো আপনাকে খুব দ্রুত ও সহজে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব সাইট করতে সাহায্য করবে। আমার কাছে সাজেশন চাইলে আমি বল WordPress টা শিখুন। এটা বেশ শক্তিশালী একটি CMS। খুব সহজে ওয়েব সাইট ডেভলপ করা যায় এটা দিয়ে।

ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জানুন


Internet-Security-logo

বর্তমানে যে হারে হ্যাকিং বারতেছে। একটি ওয়েব সাইট ডেভলপ করার সাথে সাথে সিকিউরিটির ব্যবস্থা করতে হয়। প্লাটফর্ম যেটাই হোক সিকিউরিটি সবার আগে দিতে হবে। না হলে ডাটাবেজ চুরি থেকে শুরু করে অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই একজন এক্সপার্ট ওয়েব ডেভলপারকে অবশ্যই ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জানতে হবে।

উপরুক্ত জিনিস গুলো ছারাও একজন এক্সপার্ট ওয়েব ডেভলপারকে আরও কিছু অতিরিক্ত জিনিস জানতে হয়। তার মধ্যে রয়েছেঃ বিভিন্ন ডেভলপমেন্ট সহায়ক টুলস, বাগ ট্র্যাকিং সিস্টেম, লিনেক্স কমান্ড, সাবভার্সন, অ্যাজাক্স ইত্যাদি।

কিভাবে বা কোথায় থেকে শিখব ???


যাক মোটামুটি অনেক কথা জানা হল ওয়েব ডেভলপমেন্ট সম্পর্কে। এখন কথা হল কোথায় থেকে শিখব ??? কেমনে শিখব ??? সবাইকে গাইড লাইন দেবার পর এই একই প্রশ্ন করে। তো আসুন এই ব্যাপারে কিছু জানি। এটা সম্পূর্ণ আমার বাক্তিগত মতামত তাই কারো মতের সাথে দ্বিমত হলে আমার করার কিছু নেই।

প্রথমেই বলি ট্রেনিং সেন্টার নামক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকুন। গলা কেটে নিবে ঠিকই কিন্তু কাজের জিনিস সব শিখাবে না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আছে ভাল তবে খুজে পাওয়া মুশকিল। সর্ব প্রধান কাজ হল নিজের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করা। এরপর এই লাইনে এক্সপার্ট একজন মানুষের পরামর্শ মত প্রতি ধাপে ধাপে আগানো। কোন  ট্রেনিং সেন্টার শিখলে সেটার পাশাপাশি নিজে নিজে প্রচুর প্র্যাকটিস করেন আর গুগলকে কাজে লাগান। যেই বিষয় যখনই কোন সমস্যা মনে হবে তখনই ট্রেনিং সেন্টারের আশার ফেলে না রেখে গুগলে সার্চ দিয়ে বিষয়টা জেনে নিবেন। ওই ট্রেনিং সেন্টার আপনাকে যা শিখাবে তার চেয়ে ভাল শিখতে পারবেন যদি আপনি গুগলকে কাজে লাগাতে পারেন।

তবে নিজে নিজে শিখাটা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই কোন ট্রেনিং সেন্টার বা এক্সপার্ট কারো সান্নিধ্যে যেতে হয়। সেই ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকবেন। অর্থাৎ…

  • এক্সপার্ট হলেই যে ভাল শিখাতে পারবে এমন কোন কথা নেই। অনেকে আছে যারা নিজেরা নিজে অনেক ভাল পারে কিন্তু অন্যকে শিখাতে পারেনা।
  • অনেকে আছে ভাল শিখায় কিন্তু ব্যবহারগত ভাবে সেটা কাজে লাগানো শিখাতে পারে না।
  • কিছু ট্রেনিং সেন্টার কাজের জিনিসের চেয়ে অকাজের জিনিসের দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
  • কিছু ট্রেনিং সেন্টার আছে যারা শিখায় ১০ টাকার জিনিস কিন্তু বিনিময়ে নেয় ২০ টাকা।

এমন কিছু জিনিস আছে যা দেখে বুঝে ট্রেনিং সেন্টার বা এক্সপার্টদের সান্নিধ্যে যাবেন।

কিছু এক্সট্রা উপদেশ বাক্যঃ


  • শিখার ক্ষেত্রে অবশ্যই ধৈর্য সহকারে শিখতে হবে। আস্তে আস্তে সামনে আগাতে হবে।
  • মাঝ পথে বা অর্ধেক শিখে বাকি টুকু বাদ রাখবেন না। একটার পর একটা ধীরে ধীরে আয়ত্বে আনার চেষ্টা করবেন।
  • কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে গুগল সার্চ আর সাহায্য নিবেন। আর প্রথম দিকে শিখার সময় প্রচুর সময় দিবেন।
  • এক সাথে সব শিখার চেষ্টা করবেন না। একটি একটি করে ধীরে ধীরে শিখবেন।
  • শিখার পাশাপাশি নিয়মিত প্র্যাকটিস করবেন। প্র্যাকটিসের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন বোধে অন্যকে ফ্রিতে সাইট ডেভলপ করে দিবেন। এতে প্র্যাকটিসের পাশাপাশি সুনামও বাড়বে।
  • শিখা শেষ হয়ে গেলেও নিয়মিত প্রাসঙ্গিক বিষয় গুলোর আপডেট খবর রাখবেন।

শেষ কথা


নিজে যতই পারেন না কেন সেটা নিয়ে অহংকার করবেন না। “অহংকার পতনের মূল” যথা সম্ভব চেষ্টা করবেন অন্যকে সাহায্য করতে। অন্যকে টুকটাক সাহায্য নিয়মিত করার চেষ্টা করবেন এতে অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজেও অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

উপরুক্ত গাইড লাইনের কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে মন্তব্যতে জানান বা ফেসবুকে .ইনবক্স করুন।