.htaccess পাঠ ২ :: htaccess ক্যরেক্টার বিস্তারিত

.htaccess এর বেশ কিছু ক্যরেক্টার রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে কোড গুলো লেখা হয়। এক এক টি ক্যরেক্টারের বিশেষ বিশেষ কাজ রয়েছে। এই ক্যরেক্টার গুলো জানা থাকলে কোন লাইনে কি বলা হয়েছে সেটা আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। যা আপনার কাজের ক্ষেত্রে খুবই সহজ হবে।

আপনাদের কাজের সুবিধাথে ক্যরেক্টার সমূহ গুলো PDF আকারে দেওয়া হল – PDF DOWNLOAD

htaccess এর ক্যরেক্টার সমূহ

Character/Flag Definition
#  Instructs the server to ignore the line. Used for including comments
[F] Forbidden: instructs the server to return a 403 Forbidden to the client.
[L] Last rule: instructs the server to stop rewriting after the preceding directive is processed.
[N] Next: instructs Apache to rerun the rewrite rule until all rewriting is complete.
[G] Gone: instructs the server to deliver Gone (no longer exists) status message.
[P] Proxy: instructs server to handle requests by mod_proxy.
[C] Chain: instructs server to chain the current rule with the previous rule.
[R] Redirect: instructs Apache to redirect to the specified URL. Note that the default status-code for the [R] flag is 302 (permanent redirect); for temporary redirects use [R=301].
 [NC] No Case: defines any associated argument as case-insensitive.
 [PT] Pass Through: instructs mod_rewrite to pass the rewritten URL for further processing.
 [OR] Or: specifies a logical “or” that ties two expressions together such that either one proving true will cause the associated rule to be applied.
 [NE] No Escape: instructs the server to parse output without escaping characters.
 [NS] No Subrequest: instructs the server to skip the directive if internal sub-request.
 [QSA] Append Query String: directs server to add the query string to the end of the expression.
 [S=x] Skip: instructs the server to skip the next “x” number of rules if a match is detected.
 [E=var:value] Environmental Variable: instructs the server to set the variable “var” to “value”.
 [T=MIME-type] Mime Type: declares the mime type of the target resource.
 [xyz] Character class: any character within square brackets will be a match. For example, “[xyz]” will match any of the characters x, y, or z.
 [xyz]+ Character class in which any combination of items within the brackets will be a match. For example, “[xyz]+” will match any number of x’s, y’s, z’s, or any combination thereof.
[^xyz] Not within a character class. For example, [^xyz] will match any character that isn’t x, y, or z.
 [a-z] A dash “-” between two characters within a character class denotes the range of characters between them. For example, [a-zA-Z] matches all lowercase and uppercase letters.
 a{n} Exact number, n, of the preceding character, a. For example, x{3} matches exactly three x’s.
 a{n,} Specifies n or more of the preceding character. For example, x{3,} matches three or more x’s.
 a{n,m} Specifies a range of numbers, between n and m, of the preceding character, a. For example, x{3,7} matches three, four, five, six, or seven x’s.
 () Used to group characters together, thereby considering them as a single unit. For example, (htaccess)?book will match “book”, with or without the “htaccess” prefix.
 ^ Denotes the beginning of a regular expression. For example, “^Hello” will match any string that begins with “Hello”. Without the caret “^”, “Hello” would match anywhere in the string.
 $ Denotes the end of a regular expression. For example, “world$” will match any string that ends with “world”. Without the dollar sign “$”, “world” would match anywhere in the string.
 ? Declares as optional the preceding character. For example, “monzas?” will match “monza” or “monzas”. In other words, “x?” matches zero or one of “x”.
 ! Declares negation. For example, “!string” matches everything except “string”.
 . A literal dot (or period) indicates any single arbitrary character.
 –  Instructs Apache to NOT rewrite the URL. Example syntax: “example.com – [F]”
 + Matches one or more of the preceding character. For example, “G+” matches one or more G’s, while “+” will match one or more characters of any kind.
 * Matches zero or more of the preceding character. For example, use “.*” as a wildcard.
 | Declares a logical “or” operator. For example, “(x|y)” matches “x” or “y”.
 \ Escape special characters such as: ^ $ ! . * | ( ) [ ] { }
 \. Indicates a literal dot (escaped).
 /* Zero or more slashes.
 .* Zero or more arbitrary characters.
 ^$ Defines an empty string.
 ^.*$ The standard pattern for matching everything.
 [^/.] Defines one character that is neither a slash nor a dot.
 [^/.]+ Defines any number of characters that contains neither slash nor dot.
 http:// This is a literal statement — in this case, the literal character string, “http://”.
 ^example.* Matches a string that begins with the term “example”, followed by any character(s).
 ^example\.com$ Defines the exact string, “example.com”.
 -d Tests if string is an existing directory.
 -f Tests if string is an existing file.
 -s Tests if file in test string has a non-zero value.

 

.htaccess এর চেইন পোস্ট সমূহঃ

.htaccess পাঠ ১ :: বেসিক

.htaccess পাঠ ২ :: htaccess ক্যরেক্টার বিস্তারিত

.htaccess পাঠ ৩ :: htaccess এর প্রয়োজনীয় টেকনিক/কোড (Coming Soon)

 

.htaccess পাঠ ১ :: বেসিক

ওয়েব ডেভলপারদের জন্য .htaccess টি খুবই প্রয়োজনীয় একটি টপিকস।  ওয়েব সাইট SEO ফ্রেন্ডলি করার জন্য,  সিকিউরিটির জন্য এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা .htaccess ব্যবহার করা হয়। আমরা অনেকেই না বুঝে গুগল এ সার্চ করে htaccess করে নিয়ে না বুঝেই ব্যবহার করি আবার অনেকে তাও করি না। htaccess নিয়ে চেইন পোস্ট করা হবে। ইনশাল্লাহ্ এর পর থেকে না বুঝে htaccess ব্যবহার করা লাগবে না। এছারাও যারা ফ্রিল্যন্সিং করেন তাদের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে  কারন মার্কেট প্লেস htaccess রিলেটেড অনেক কাজ পাওয়া যায়। 🙂

.htaccess সম্পর্কে কিছু কথাঃ

.htaccess হচ্ছে Apache ওয়েব সারভারে ব্যবহৃত কনফিগারেশন ফাইল। .htaccess মূলত একটি নামবিহীন ফাইল, .htaccess টাই হচ্ছে একটি এক্সটেনশন। এটি ডিফল্ট অবস্থায় হিডেন থাকে। এই ফাইলটি সাধারনত সারভারের রুট ডাইরেক্টরি তে থাকে তবে রুট ছাড়াও অন্য সাব ডাইরেক্টরিতে থাকে বা রাখা যায়।

সিপ্যনেল এ যদি ডিফল্ট অবস্থায় .htaccess না দেখতে পান তাহলে ফাইল ম্যনেজার ওপেন করার সময় Show Hidden Files (dotfiles). বক্সটি টিক দিয়ে দিন। তারপরেও যদি না দেখতে পান তাহলে .htaccess নামে একটি ফাইল তৈরি করে নিন।

hidden tik

.htaccess ফাইল কিভাবে তৈরি করবেনঃ

খুবই সিম্পল একটা ব্যপার, আপনি সরাসরি সিপ্যনেলেই .htaccess ফাইল তৈরি করতে পারবেন অথবা আপনার পিসিতে তৈরি করে তারপর আপলোড দিতে পারেন।

সরাসরি সিপ্যনেল তৈরিঃ

সিপ্যনেল New File এ ক্লিক করুন এবং নাম টি লিখুন (.) ডট htaccess এর পর Create New File বাটনে ক্লিক করুন। হয়ে গেল .htaccess ফাইল।

পিসিতে তৈরিঃ

যেকোনো ধরনের কোড এডিটর সফটওয়্যার যেমনঃ Notepad++  Sublime Text  Brackets এ (.) ডট htaccess নাম দিয়ে সেভ করলেই হবে এছারাও আমরা ইউন্ডোজ এর সাধারণ নোটপ্যাড দিয়েও করতে পারি। নোটপ্যাড ওপেন করে সেভ করার সময় ফাইল নেইম (.) ডট htaccess দিয়ে Save as type: থেকে All File দিয়ে সেভ দিতে হবে। ব্যস হয়ে গেল .htaccess ফাইল।

আপনাদের সুবিধার জন্য একটি .htaccess ফাইল জিপ করে দেওয়া হল আপনারা চাইলে এই জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। DOWNLOAD

.htaccess কিভাবে কাজ করেঃ

অনেকেই প্রশ্ন করেন .htaccess ফাইলা কোথায় রাখব বা কখন রুটে রাখব; কখন সাব ডাইরেক্টরিতে রাখব। এ প্রশ্নের সঠিক সমাধান জানতে .htaccess কিভাবে কাজ করে সেটা জানা দরকার। সহজ ভাবে বলতে .htaccess ফাইলের কাজ করার ধরন টা আমরা CSS এর সাথে তুলনা করি। যেমনঃ যদি Body ট্যাগ এর ফন্ট সাইজ ১৪ পিক্সেল করা হয় তাহলে এই Body ট্যাগের ভিতরে যত প্যারাগ্রাফ, হেডিং বা আরও যত সাব এলিমেন্ট থাকবে সকলের ফন্ট সাইজ ১৪ হবে। আবার যদি ৳ ট্যাগের ভিতরে কোন Dic এর ফন্ট সাইজ ১৬ ব্যবহার করা হয় তাহলে ওই ডিভের ভিতরের সকল এলিমেন্ট এর ফন্ট সাইজ ১৬ হবে। .htaccess ফাইল্টাও ঠিক একই ভাবে কাজ করে মানেঃ আপনি যদি ফাইল টা রুটে রাখেন তাহলে ওই .htaccess ফাইলের কোড রুটের মধ্যে যদি সাব ডাইরেক্টরি আছে তার উপরও প্রভাব ফেলবে। কিন্তু যদি .htaccess ফাইট টি কোন সাব ডাইরেক্টরি/ফোন্ডারে রাখেন তাহলে ওই ফোন্ডারের ফাইল বা সাব ডাইরেক্টরি তে প্রভাব ফেলবে।

 

.htaccess এর চেইন পোস্ট সমূহঃ

.htaccess পাঠ ১ :: বেসিক

.htaccess পাঠ ২ :: htaccess ক্যরেক্টার বিস্তারিত

.htaccess পাঠ ৩ :: htaccess এর প্রয়োজনীয় টেকনিক/কোড (Coming Soon)

 

এক পলকে ওয়ার্ডপ্রেসের প্রথম দিকের কিছু অজানা কথা।

ওয়ার্ডপ্রেস হল PHP এবং MySQL ভিত্তিক একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ব্লগিং টুল ও সিএমএস (content management system)। বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি সিএমএস এটি। ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রতিষ্ঠাতা Matt Mullenweg ও Mike Little এক সাথে যাত্রা শুরু করে b2/cafelog ব্লগিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে।  ২০০৩ এর ২৭ মে ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রথম ভার্শন – 0.70  রিলিজ হয়। তখন থেকেই শুরু হয় ওয়ার্ডপ্রেস এর পথ চলা।

যে ভাবে শুরু হল ওয়ার্ডপ্রেস !!!

২০০৩ এর ২৪ জানুয়ারি Matt একটি পোস্ট লিখেছিল b2 ব্লগিং সফটওয়্যারটি আপডেট করা নিয়ে এবং সেই পোস্টে সর্ব প্রথম মন্তব্য করেন Mike Little. মাইকের মন্তব্যটি দেখুন –

mike

তারপরেই এই দুইজন নিলে শুরু হল ওয়ার্ডপ্রেস এর যাত্রা।

ওয়ার্ডপ্রেস এর শুভ যাত্রা

ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রথম ভার্শন রিলিজ হয় 0.70 দিয়ে বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস এর সর্বশেষ ভার্শন হচ্ছে 3.5.1 এর মধ্যে মোট ৭৮ টি ভার্শন রিলিজ হয়। ওয়ার্ডপ্রেস এর সব গুলো ভার্শন দেখুন – All WordPress Version

আসুন ওয়ার্ডপ্রেস এর ১০ বছরের কিছু ভিজুয়াল ইতিহাস দেখে নেই।

১৮ জুন ২০০৩

এটি ওয়ার্ডপ্রেস এর অফিসিয়াল সাইটের প্রথম ডিজাইন।

2003-June-18

হাস্যকর লাগলেও এটি ছিল ওয়ার্ডপ্রেসের About পেজ। একটু পেজটি পড়ুন অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

2003-about

প্রথম দিকে ওয়ার্ডপ্রেস এর Editor প্যানেল দেখতে এমন ছিল –

2003-editor-screenshot

মে ২০০৪

পরবর্তী বছর অফিসিয়াল সাইটে সাইটবার যোগ করা হয়। যেখানে ওয়ার্ডপ্রেস এর ফিচার গুলো দেখানো হয় এবং Donate করার অপশন যোগ করা হয়।

2004-May-6

প্রথম যেই Editor প্যানেল ছিল সেটা তে আরও বেশ কিছু অপশন যোগ করা হয় পরবর্তী বছরে।

2004-editor

মে ২০০৫

পরবর্তী বছর ডিজাইনে তেমন কোন পরিবর্তন আনা হয় নি তবে। নতুন কিছু ফিচার যোগ করা হয়। যেমনঃ রিকোমেন্ড ওয়েব হোস্টিং, থিম শোকেস, এডিটর প্যানেল ইত্যাদি।

2005-screenshots-themes

২০০৫ এর দিকে ওয়ার্ডপ্রেসের এডিটর প্যানেল

2005-editor

ওয়ার্ডপ্রেস এর ১০ জন্মদিন উপলক্ষে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অজানা কিছু তথ্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।

ভাল লাগলে ওয়ার্ডপ্রেসপ্রেমীদের সাথে শেয়ার করুন।

HTTP স্ট্যাটাস কোড সমূহ

আমরা প্রায় সময় বিভিন্ন সাইটে 403, 404, 500 Error দেখি। দেখতে দেখতে অনেকেই এইগুলোর দুই একটার মানে জানি। যেমনঃ ৪০৪ দেখালে বুঝায় যে পেজটি খুজে পাওয়া যায় নি, ৫০০ দেখালে বুঝি যে ইন্টারনাল সার্ভার সমস্যা ইত্যাদি। কিন্তু এমন স্ট্যাটাস কোড আরও অনেক রয়েছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এগুলোকে মূলত বলে HTTP স্ট্যাটাস কোড। এগুলো ওয়েব ডেভলপারদের জেনে রাখা খুবই জরুরি এতে তাদের অনেক কাজে সুবিধা হয়। তো আসুন জেনে নেই সকল HTTP স্ট্যাটাস কোড সমূহ।

[c5ab_box type=”alert-success” ]

1XX:Information

100 Continue

The server has received the request headers, and the client should proceed to send the request body

101 Switching Protocols

The requester has asked the server to switch protocols

103 Checkpoint

Used in the resumable requests proposal to resume aborted PUT or POST requests

[/c5ab_box]

[c5ab_box type=”alert-info” ]

2XX:Successful

200 OK

The request is OK (this is the standard response for successful HTTP requests)

201 Created

The request has been fulfilled, and a new resource is created

202 Accepted

The request has been accepted for processing, but the processing has not been completed

203 Non-Authoritative Information

The request has been successfully processed, but is returning information that may be from another source

204 No Content

The request has been successfully processed, but is not returning any content

205 Reset Content

The request has been successfully processed, but is not returning any content, and requires that the requester reset the document view

206 Partial Content

The server is delivering only part of the resource due to a range header sent by the client

[/c5ab_box]

[c5ab_box type=”alert-success” ]

3XX:Redirection

300 Multiple Choices
A link list. The user can select a link and go to that location. Maximum five addresses
301 Moved Permanently
The requested page has moved to a new URL
302 Found
The requested page has moved temporarily to a new URL
303 See Other
The requested page can be found under a different URL
304 Not Modified
Indicates the requested page has not been modified since last requested

306 Switch Proxy

No longer used

307 Temporary Redirect

The requested page has moved temporarily to a new URL

308 Resume Incomplete

Used in the resumable requests proposal to resume aborted PUT or POST requests

[/c5ab_box]

[c5ab_box type=”alert-info” ]

4XX:Client Error

400 Bad Request
The request cannot be fulfilled due to bad syntax
401 Unauthorized
The request was a legal request, but the server is refusing to respond to it. For use when authentication is possible but has failed or not yet been provided
402 Payment Required
Reserved for future use
403 Forbidden
The request was a legal request, but the server is refusing to respond to it
404 Not Found
The requested page could not be found but may be available again in the future
405 Method Not Allowed
A request was made of a page using a request method not supported by that page
406 Not Acceptable
The server can only generate a response that is not accepted by the client
407 Proxy Authentication Required
The client must first authenticate itself with the proxy
408 Request Timeout
The server timed out waiting for the request
409 Conflict
The request could not be completed because of a conflict in the request
410 Gone
The requested page is no longer available
411 Length Required
The “Content-Length” is not defined. The server will not accept the request without it
412 Precondition Failed
The precondition given in the request evaluated to false by the server
413 Request Entity Too Large
The server will not accept the request, because the request entity is too large
414 Request-URI Too Long
The server will not accept the request, because the URL is too long. Occurs when you convert a POST request to a GET request with a long query information
415 Unsupported Media Type
The server will not accept the request, because the media type is not supported
416 Requested Range Not Satisfiable
The client has asked for a portion of the file, but the server cannot supply that portion
417 Expectation Failed
The server cannot meet the requirements of the Expect request-header field

[/c5ab_box]

[c5ab_box type=”alert-success” ]

5XX:Server Error

500 Internal Server Error
A generic error message, given when no more specific message is suitable
501 Not Implemented
The server either does not recognize the request method, or it lacks the ability to fulfill the request
502 Bad Gateway
The server was acting as a gateway or proxy and received an invalid response from the upstream server
503 Service Unavailable
The server is currently unavailable (overloaded or down)
504 Gateway Timeout
The server was acting as a gateway or proxy and did not receive a timely response from the upstream server
505 HTTP Version Not Supported
The server does not support the HTTP protocol version used in the request
511 Network Authentication Required
The client needs to authenticate to gain network access

[/c5ab_box]

একটি ওয়েব সাইট তৈরির গাইড লাইন (নতুনদের জন্য)

অনেকেরই প্রায় সময় বলতে শুনি “আমার একটা ওয়েব সাইট বানানোর খুব ইচ্ছা।” তো তারা কি করে বিভিন্ন সাইট থেকে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল ও আর কিছু লাগিন এর কাজ জেনে একটা ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল দিয়ে সুন্দর দেখে একটা ফ্রিতে পাওয়া প্রিমিয়াম থিম একটিভ করে বানিয়ে ফেলে একটা ওয়েব সাইট।

এত সোজা একটা ওয়েব সাইট বানানো ?? !! না এত সোজা কাজ না। ওয়েব সাইট তৈরির সাথে অনেক কিছু জরিত আছে। সেটাই নিচে গাইড লাইন আকারে আলোচনা করা হল।

ডোমেইন নেইম নির্বাচনঃ

ওয়েব সাইট বানালে অবশ্যই একটা ডোমেইন নাম লাগবে। মানে যেই নাম অ্যাড্রেস বারে দিয়ে ক্লিক করলেই ওই নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটটি চলে আসবে। ডোমেইন নাম যে কোন একটা হলেই হয় এটা ভুল আবার সত্য। মানে যদি আপনি প্রফেশনাল ভাবে সাইট তৈরি করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে ইউনিক নাম নির্বাচন করতে হবে। শুধু ওই নামটা খালি থাকলেই হবে না তার সাথে আরও কিছু জিনিস যুক্ত করতে হবে। যেমনঃ

১.যেই নামে ডোমেইন নিবেন গুগলে ওই নামটি সার্চ দিয়ে দেখবেন ওই নামে কোন ফেসবুক পেজ, গুগল প্লাস পেজ, টুইটার একাউন্ট, ইউটিউব একাউন্ট ইত্যাদি আছে কিনা। যদি থাকে তবে সেই নাম না নেওয়া ভাল।

২.ডোমেইন নামের মদ্ধে “-/_” হাইফেন বা হ্যস চিহ্ন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

৩.ডোমেইন নামটা ৭/৮ অক্ষরের মদ্ধে যদি নিতে পারেন তবে ভাল। বেশি বড় নিবেন না।

৪.ইংরেজিতে জটিল বানান এমন ডোমেইন নাম নিবেন না। এতে ভিজিটর সহজে নাম মনে রাখতে পারবেনা। আপনার সাইটের নাম লিখতে গিয়ে ভুল লিখে অন্য সাইটে চলে যাবে।

৫.একটি নামে ডোমেইন আছে তার আশে পাশের বানানের ডোমেইন নাম নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। যেমনঃ www.facebook.com আছে আপনি নিয়ে নিলেন www.facebooks.com বা www.face-book.com

৬.ডোমেইন নামটা উচ্চারনে সুন্দর ও সহজ শব্দ বা যে সব শব্দ আমরা সব সময় ব্যবহার করি এমন শব্দ দিয়ে ডোমেইন নাম নেবার চেষ্টা করুন।

৭.আপনি যে ধরনের সাইট বানাতে চান সেটার সাথে মিল রেখে ডোমেইন নাম কিনুন।

হোস্টিং কেনাঃ

ডোমেইনের পরেই যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেটা হল হোস্টিং। হোস্টিং হল আপনি যে সাইটটা তৈরি করবেন সেটা যাবতীয় স্ক্রিপ্ট, ফাইল ও এত দরকারি জিনিসপত্র রাখার জন্য জায়গা এর আপনি বা আপনার ভিজিটর যে ওয়েব সাইটটা ভিজিট করতেছে সেটা জন্য কিছু কে.বি খরচ হয়। সেটাকে বলা হয় ব্যান্ডউইথ। এগুলো সহ আরও অনেক কিছু সম্বলিত থাকে হোস্টিং এর মদ্ধে। হোস্টিং কি এটা আর কিছু বললাম না কারন বেশির ভাগ মানুষই জানেন এটা কি। আর কেউ যদি না জানেন মন্তব্যতে জানাবেন। বিস্তারিত বুঝানোর চেষ্টা করবো।

হোস্টিং কোনটা নিবেন, কতটুকু নিবেন !!!

আমরা সাধারন ভাবে যে সাইট বানাব তার জন্য শেয়ার হোস্টিং নিলেই হবে। আর দাম খুব কম। কেউ যদি একটু ভাল স্পীড বা ভাল সার্ভিস পেতে চান তারা ভি.পি.এস নিতে পারেন। সাধারন ভাবে আমাদের ১ জিবি জায়গা(Space) হলেই যথেষ্ট এটাই সহজে খরচ হবেনা। তবে ব্যান্ডউইথ টা একটু বেশি নেওয়া ভাল কারন। জত ভিজিটর বাড়বে তত ব্যান্ডউইথ খরচ হবে। আর কিছু জিনিস দেখবেন। যেমনঃ কয়টা সাবডোমেইন বানানোর সুযোগ দিবে, কয়টা ডাটাবেস তৈরি করতে দিবে। ইত্যাদি।

তথ্য সংগ্রহঃ

আপনি কি কাজের জন্য সাইট বানাতে চান। ব্লগ সাইট, পার্সোনাল ইনফরমেশন সাইট, বিজনেস সাইট, পোর্টফলিও সাইট ইত্যাদি। কোনটা বানাতে চান। যেটা বানাবেন সেইটার আনুশাঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করুন। যেমনঃ বিজনেস সাইট হলে বিজনেস সম্পর্কিত তথ্য, স্কুল ওয়েব সাইট হলে স্কুল সম্পর্কিত তথ্য ইত্যাদি।

প্লাটফর্ম নির্বাচনঃ

আপনি যেই ওয়েব সাইটটা বানাবেন সেটা কিসে বানাবেন HTML এ নাকি PHP তে নাকি কোন CMS(WordPress, Joomla, Drupal) ব্যবহার করবেন। যদি ব্লগ সাইট হয় তবে CMS হিসাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন। যদি বিজনেস সাইট হয় তবে HTML আর মাদ্ধমে করতে পারেন বা চাইলে PHP তেও করতে পারেন। অবশ্য আরও অনেক প্লাটফর্ম এ করা যায় যেমনঃ ASP.NET, Python, Ruby, ColdFusion ইত্যাদি।

সাইট ডেভলপঃ

এবার শুরু ওয়েব সাইট ডেভলপের কাজ। সাইট ডেভলপের ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রাখবেন। যেমনঃ

১.ওয়েবসাইটের সুন্দর একটি লোগো বানাবেন। সেটা সাইতে ব্যবহার করবেন।

২. সাইটের ব্যাকগ্রউন্ডে আকর্ষণী একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করবেন যাতে সাইটটি সুন্দর ভাবে ফুতে উঠে। তবে ব্যাকগ্রউন্ড এ এমন কোন কালার ব্যবহার করবেন না যেটা চোখে বেশি লাগে মানে বেশি উজ্জ্বল কালার।

৩.সাইটের ফন্ট বেশি ছোট রাখবেন না। ভিজিটরের যাতে পরতে কোন সমশা না হয় এমন সাইজ ব্যবহার করবেন। ফন্ট কালার কালোই ভাল দেখা যায়।

৪.সাইটের আউটলুক সুন্দর করার চেষ্টা করবেন। যাতে ভিজিটর ভিজিত করে শান্তি পায়।

৫.ভিজিটরকে যাতে ধরে রাখা যায় বেশি ক্ষণ বা যাতে এবার ফিরে আসে সেই বাবস্থা করুন। যেমনঃ RSS ফিড যোগ করুন। সাইড বারে ও পেজের/ পোষ্টের শেষে একই রকম পোস্ট বা বেশি পঠিত পোস্ট লিঙ্ক রাখুন। এছাড়াও প্রয়োজনীয় লিঙ্ক সাইড বারে দিন।

৬. সাইটে যদি বিজ্ঞাপন থাকে মানে এডসেন্স বা অন্য কিছু। তবে অতিরিক্ত আঁকারে বিজ্ঞাপন দিবেন না। বিজ্ঞাপন গুলো সাজিয়ে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করবেন।

ওয়েব সিকিউরিটি দিনঃ

বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলতেছে তাতে ওয়েব সাইটের সিকিউরিটি দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। না হলে যেকোনো সময় হ্যাক হয়ে জেতে পারে।

Web Security

একটি ছোট্ট মজার ঘটনা বলি – “বেশ কিছু দিন আগে আমি এক ক্লাইন্ট এর একটি বিজনেস সাইট ডেভলপ করে দেই। তো একদিন সন্ধ্যার দিকে ক্লাইন্টকে ফোন করে বলি তার সাইটের কাজ শেষ সে এখন সাইট অন্যকে দেখাতে পারবে। (তখন আলসেমি করে পরে করব বলে সাইটে কোন সিকিউরিটির দেই নি) যাইহোক সেতো সাইট দেখে বেশ খুশি। পরদিন সকালে ৯.৩০ এর দিকে আমাকে সেই ক্লাইন্ট ফোন করে বলে রাহাত আমাদের সাইটটা না কেমন যেন কালো কালো লাগতেছে আর কেমন যেন একটা ছবি। আমি বললাম আপনার সাইটের রঙ তো সবুজ আর নীল তাহলে কালো হবে কেন !!! আপনি মনে হয় ভুল অ্যাড্রেস দিছেন। পরে আমি খুলে দেখি আসলেই কালো কালো দেখায় মানে সাইটটাতে একটি হ্যাকারের ডিফেজ পেজ ঝুলছে”

ঘটনাটা বলার কারন সাইট বানানোর সাথে সাথেই সিকিউরিটি দেওয়াটা যে কতটা জরুরি সেটা বুঝালাম।

এস.ই.ও করুনঃ

এসইও(SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলতে বুঝায় বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে তুলে ধরা সাইটে কি আছে তা সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝানো। আমরা যেকোনো কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলে দেখা যাবে অনেক পরিমানে ফলাফল পাওয়া যায় এর মধ্যে প্রথম ২/৩ পেজে যে সাইট গুলো আমরা পাই সেগুলোই আমরা দেখে থাকি। এটাই হল এসইও মানে সাইটে এসইও করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটকে আগে নিয়ে আসবে আগে থেকলে ভিজিটররা বেশি দেখবে। এটাই মূলত এসইও র কাজ।

SEO

এছাড়াও আরও কিছু কাজ করুন। যেমনঃ সাইটের যেই নাম ঠিক সেই নামেই ফেসবুকে একটি পেজ, গুগল প্লাসে একটি পেজ, টুইটার একাউন্ট এছাড়াও আরও সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুলোতে একই নামে একাউণ্ট খুলুন ইত্যাদি।

এতক্ষণ ধরে গাইড লাইনটি পরার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি এটা নতুনদের উপকারে আসবে।

যারা ঘরে বসে নিজে নিজে ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে চান তারা আমার লেখা এই পোস্টটি পরতে পারেন – গাইড লাইনঃ ঘরে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখুন।

 

গাইড লাইনঃ ঘরে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখুন।

বাতাসের সাথে সাথে মনে হচ্ছে হাজার হাজার ডাটা (তথ্য) চারপাশে ভাসছে। Google কে চিনিনা এমন মানুষ কম আছে। যে একে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে যে জানে এটা কি জিনিস। তো যারা Google কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন নাই তাদের জন্য সহজ করে গাইড লাইন দিলাম। যা থেকে যেকেউ খুব সহজে ঘরে বসে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে পারবে।

তবে গাইড লাইনের আগে বলে নেই। অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য সহকারে সব টিউটোরিয়াল পড়তে হবে। শুধু পরলে হবে না পড়ার সাথে সাথে যেগুলো প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রথমেই NotePad++ সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে নিন। এটা আপনার প্র্যাকটিস করাতে সুবিধা হবে। যেকোন ধরনের কোড এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে লিখতে পারবেন সাথে আরও অনেক সুবিধা পাবেন। এটার বিস্তারিত তে নাইবা গেলাম কারন এটা সম্পর্কে মোটামুটি সবাই জানে। তো ডাউনলোড করুন – NotePad++

এবার যারা আমার লেখা ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর গাইড লাইনটি পড়েন নি তারা একবার পরে আসুন কি কি শিখা প্রয়োজন ওয়েব ডেভলপারের জন্য। কি দেখেছে ??? এবার শিখা শুরুঃ

HTML

নিচের সাইটগুলোতে বেশ ভাল মানের টিউটোরিয়াল আছে। এগুলো থেকে ধারাবাহিক ভাবে শিখা শুরু করতে পারেন। শিখবেন কিভাবে শুধু রিডিং পড়ে পড়ে ? অবশ্যই না। যেই কোডটি পরবেন সেটা সাথে সাথে নোটপ্যাড++ এর মাধ্যমে প্র্যাকটিস করবেন।

HTML Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/html/default.asp

http://www.tizag.com/htmlT/

http://www.quackit.com/html/

http://www.learn-html-tutorial.com

CSS

CSS দুই ধরনের হয়ে থাকে ১.Internal CSS ২.External CSS এই দুই ধরনের মধ্যে অবশ্যই প্র্যাকটিস করবেন এবং শিখবেন External CSS টা আর Internal টা সম্পর্কে একটু ধারনা নিলেই হবে।

CSS Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/css/default.asp

http://www.tizag.com/cssT/

http://www.quackit.com/css/

http://www.learn-css-tutorial.com/

JavaScript

জাভাস্ক্রিপ্ট !!! কি খুব কঠিন একটা জিনিস কেমন কেমন জানি লাগে তাই না ? নিচের সাইট গুলো থেকে শুধু বুঝে নিন কোনটার কাজ কি। এতে আপনি আপনার মত করে এডিট করতে পারবেন কোডগুলো। আর পর জাভাস্ক্রিপ্ট এর ফ্রেমওয়ার্ক jquery.com থেকে jQuery এর টিউটোরিয়াল গুলো দেখেন কিভাবে কোন কোড ব্যবহার করতে হয়।  

JavaScript Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/js/default.asp

http://www.tizag.com/javascriptT/

http://www.learn-javascript-tutorial.com/

http://www.quackit.com/javascript/

PHP

PHP এর পিছনে অনেক সময় দিন। ভাল ভাবে রপ্ত করুন PHP কে। অনেক কাজে দিবে। নিচের সাইট গুলো থেকে PHP শিখুন।

PHP Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/php/default.asp

http://www.tizag.com/phpT/

http://www.learnphp-tutorial.com/

http://www.quackit.com/php/tutorial/

SQL

ডাটাবেজ কে কন্ট্রোল করার জন্য ও ডায়নামিক সাইট বানানোর জন্য SQL কে ভাল ভাবে শিখুন। এগুলো কিন্তু জাভাস্ক্রিপ্ট এর মত শুধু বুঝলে হবে না। এগুলোকে ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।

SQL Tutorial Web Sites

http://www.w3schools.com/sql/default.asp

http://www.tizag.com/mysqlTutorial/

http://www.quackit.com/sql/tutorial/

http://www.learn-sql-tutorial.com/

WordPress

ওয়ার্ডপ্রেস কি তা নতুন করে কিছুই বলা লাগবে না। খুবই মজার একটি জিনিস। কম সময়ে কম কষ্টে সাইট বানানো যায় এটা দিয়ে। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে টেকটিউনস এ অনেক টিউটোরিয়াল আছে এগুলো থেকে শিখতে পারেন। আমার করা ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারেন – ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়াল

Web Server/ Hosting

Hosting সম্পর্কে ধারনা নেওয়া কোন ব্যাপারই না। যেটা জানতে চান YouTube এ গিয়ে শুধু সার্চ দেন। যেমন আপনি যদি কিভাবে সাব ডোমেইন বানাতে হয় জানতে চান। YouTube এ গিয়ে সার্চ দিন “How to create sub domain” অথবা Cpanel Tutorial লিখে সার্চ দিলেও সিপ্যানেল বা হোস্টিং সম্পর্কিত টিউটরিয়াল পাবেন।

এই তো মোটামুটি শেষ হয়ে গেল গাইড লাইন। তো দেরি কিসে ? এখনই শিখা শুরু করে দিন।

আর কেউ যদি কম সময়ে, সহজে ব্যাক্তিগত ভাবে শিখতে চান বা যে কোন পরামর্শ চান যোগাযোগ করতে পারেন। – ফেসবুক

গাইড লাইনঃ ওয়েব ডেভলপার হতে চাই

অনেকেই প্রায় সময় ফেসবুকে ইনবক্স করে জানতে চায় কি ভাবে ভাল ওয়েব ডেভলপার হতে পারবে বা কি ভাবে ওয়েব ডেভলপমেন্টের কাজ শিখবে। ভাল গাইড লাইন চায়। তাই সবাইকে বার বার উত্তর দেবার চেয়ে পোস্ট আকারে লিখার চিন্তা করলাম।

ওয়েব ডেভলপমেন্টের আসলে অনেক বড় একটা ব্যাপার। কথাটা যত সোজা কাজটা আসলে এত সোজা না। ইদানিং অনেকে ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা ইন্সটল ও কিছু প্লাগিন ও থিম সম্পর্কে ধারনা নিয়েই নিজেকে ওয়েব ডেভলপার হিসাবে দাবি করে। ব্যাপারটা মজাই লাগে। এই হিসাব করলে আমাদের দেশে কাক পাখির মত ওয়েব ডেভলপার এর সংখ্যা অগণিত হয়ে যাবে।

কাজের কথায় আসি। আমি এক্সপার্ট না তবুও ওয়েব ডেভলপমেন্টের প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে এক্সপার্ট লেভেল পর্যন্ত একটি গাইড লাইন দেবার চেষ্টা করছি। এক্সপার্টরা যদি কোন ভুল পান তবে জানাবেন।

HTML শিখুন


html

প্রথমেই আপনাকে HTML সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে HTML বলতে সাধারন ভাবে ট্যাগ সমূহ বা কিভাবে টেক্সট লিঙ্কআপ করতে হয় বা কিভাবে লেয়ার বানাতে হয় শুধু মাত্র এই সাধারন জিনিস গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না HTML এর হাই লেভেল পর্যন্ত জানতে হবে।

CSS শিখুন


csslogoএর পর CSS টা বেশ ভাল ভাবে জানতে হবে। এটা জানা ছাড়া ভাল ভাবে সাইটের ডিসপ্লে বা ডিজাইনকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না। সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারবেন না। তাই HTML এর পরেই CSS কে ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।

Server-Side Technologies কে রপ্ত করুন


php Python rubyবেশ অনেক server side Technologies রয়েছে এর মধ্যে PHP, ColdFusion, Python, Ruby, ASP.NET, Java EE ইত্যাদি রয়েছে। আমার কাছে কেউ সাজেশন চাইলে আমি বলব এগুলোর মধ্যে PHP টা শিখতে। কারন PHP টা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় ও এর মাধ্যমে অনেক সুন্দর সুন্দর ডায়নামিক ওয়েব সাইট বানানো যায়। তবে যারা নতুন তাদের ASP.NET, Java EE এই দুটো কাছেই যেতে না করব কারন এই দুটো অনেক কঠিন ও জটিল জিনিস। যেমন আপনি যদি ASP.NET শিখতে চান তবে আপনাকে সি ল্যাঙ্গুয়েজ ও ভিজুয়াল ব্যাসিক সম্পর্কে বেশ ভাল ধারনা থাকতে হবে।

JavaScript জানুন


JavaScriptLogoওয়েব সাইটকে ডায়নামিক করে গড়ে তুলতে JavaScript এর বেশ প্রয়োজন পরবে। এটি একটি স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ। বেশ কঠিন একটি জিনিস। এটা ভাল ভাবে শিখতে পারলে বেশ অনেক কাজে দিবে। কঠিন ও সময় সাপেক্ষ বলে যারা শিখতে ইচ্ছুক না তাদের জন্য বলব শিখার কোন দরকার নেই। শুধু স্ক্রিপ্টগুলো বা কোডগুলো কি ভাবে ব্যবহার করতে হয় এটা শিখুন তাহলেই হবে। কাজের সুবিধা মত গুগলে সার্চ দিলে অনেক অনেক রেডি স্ক্রিপ্ট পাবেন। জাভাস্ক্রিপ্ট এর কিছু ফ্রেমওয়ার্ক আছে এগুলো সমন্ধে জানুন। আমার কাছে MooTools, jQuery ফ্রেমওয়ার্ক ভাল লাগে। এছাড়া সম্ভবত আরও অনেক ফ্রেমওয়ার্ক আছে।

SQL শিখুন


SQL iconডায়নামিক ওয়েব সাইট বানাতে হলে অবশ্যই ডাটাবেজ সম্পর্কে জানতে হবে। অনেক ধরনের ডাটাবেজ ইঞ্জিন রয়েছে কিন্তু SQL টা বেশীর ভাগ মানুষ ব্যবহার করে ও বুঝে। তাই এটাই শিখাটা ভাল।

ওয়েব সার্ভার সম্পর্কে ধারনা নিন


website_hosting_server

ওয়েব সার্ভার সম্পর্কে তেমন বেশি জানা লাগবে না। হালকা পাতলা জানলেই হবে। যেমন ফাইল আপলোড করা, সাব ডোমেইন তৈরি করা, ইমেইল কনফিগার করা ইত্যাদি… ইত্যাদি…

ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা শিখুন


frameworkআপনি সব কিছু শিখলেন HTML, CSS, JavaScript, PHP ইত্যাদি। কিন্তু এগুলোকে Raw Materials হিসাবে নিয়ে কাজ করতে অনেক অনেক সময় লাগবে। অনেক ঝেমেলা পোহাতে হবে। তাই সময় বাঁচানোর জন্য ও কাজের সুবিধার্থে ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে হবে। যেমন আপনি যদি PHP ভাল পারেন তবে আপনি CakePHP, CodeIgniter, Zend ইত্যাদি ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন বা আপনি যদি Python ভাল জানেন তবে Django, webpy ও Ruby এর জন্য RoR ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন।

বিভিন্ন CMS ব্যবহার করা শিখুন


WordPress-Joomla-and-Drupal

অনেক ধরনের শক্তিশালী CMS রয়েছে যেগুলো ফ্রি তে পাওয়া যায়। যেমন WordPress, Joomla, Drupal ইত্যাদি। এগুলোর যেকোনো একটিতে এক্সপার্ট হন। এগুলো আপনাকে খুব দ্রুত ও সহজে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব সাইট করতে সাহায্য করবে। আমার কাছে সাজেশন চাইলে আমি বল WordPress টা শিখুন। এটা বেশ শক্তিশালী একটি CMS। খুব সহজে ওয়েব সাইট ডেভলপ করা যায় এটা দিয়ে।

ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জানুন


Internet-Security-logo

বর্তমানে যে হারে হ্যাকিং বারতেছে। একটি ওয়েব সাইট ডেভলপ করার সাথে সাথে সিকিউরিটির ব্যবস্থা করতে হয়। প্লাটফর্ম যেটাই হোক সিকিউরিটি সবার আগে দিতে হবে। না হলে ডাটাবেজ চুরি থেকে শুরু করে অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই একজন এক্সপার্ট ওয়েব ডেভলপারকে অবশ্যই ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জানতে হবে।

উপরুক্ত জিনিস গুলো ছারাও একজন এক্সপার্ট ওয়েব ডেভলপারকে আরও কিছু অতিরিক্ত জিনিস জানতে হয়। তার মধ্যে রয়েছেঃ বিভিন্ন ডেভলপমেন্ট সহায়ক টুলস, বাগ ট্র্যাকিং সিস্টেম, লিনেক্স কমান্ড, সাবভার্সন, অ্যাজাক্স ইত্যাদি।

কিভাবে বা কোথায় থেকে শিখব ???


যাক মোটামুটি অনেক কথা জানা হল ওয়েব ডেভলপমেন্ট সম্পর্কে। এখন কথা হল কোথায় থেকে শিখব ??? কেমনে শিখব ??? সবাইকে গাইড লাইন দেবার পর এই একই প্রশ্ন করে। তো আসুন এই ব্যাপারে কিছু জানি। এটা সম্পূর্ণ আমার বাক্তিগত মতামত তাই কারো মতের সাথে দ্বিমত হলে আমার করার কিছু নেই।

প্রথমেই বলি ট্রেনিং সেন্টার নামক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকুন। গলা কেটে নিবে ঠিকই কিন্তু কাজের জিনিস সব শিখাবে না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আছে ভাল তবে খুজে পাওয়া মুশকিল। সর্ব প্রধান কাজ হল নিজের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করা। এরপর এই লাইনে এক্সপার্ট একজন মানুষের পরামর্শ মত প্রতি ধাপে ধাপে আগানো। কোন  ট্রেনিং সেন্টার শিখলে সেটার পাশাপাশি নিজে নিজে প্রচুর প্র্যাকটিস করেন আর গুগলকে কাজে লাগান। যেই বিষয় যখনই কোন সমস্যা মনে হবে তখনই ট্রেনিং সেন্টারের আশার ফেলে না রেখে গুগলে সার্চ দিয়ে বিষয়টা জেনে নিবেন। ওই ট্রেনিং সেন্টার আপনাকে যা শিখাবে তার চেয়ে ভাল শিখতে পারবেন যদি আপনি গুগলকে কাজে লাগাতে পারেন।

তবে নিজে নিজে শিখাটা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই কোন ট্রেনিং সেন্টার বা এক্সপার্ট কারো সান্নিধ্যে যেতে হয়। সেই ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকবেন। অর্থাৎ…

  • এক্সপার্ট হলেই যে ভাল শিখাতে পারবে এমন কোন কথা নেই। অনেকে আছে যারা নিজেরা নিজে অনেক ভাল পারে কিন্তু অন্যকে শিখাতে পারেনা।
  • অনেকে আছে ভাল শিখায় কিন্তু ব্যবহারগত ভাবে সেটা কাজে লাগানো শিখাতে পারে না।
  • কিছু ট্রেনিং সেন্টার কাজের জিনিসের চেয়ে অকাজের জিনিসের দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
  • কিছু ট্রেনিং সেন্টার আছে যারা শিখায় ১০ টাকার জিনিস কিন্তু বিনিময়ে নেয় ২০ টাকা।

এমন কিছু জিনিস আছে যা দেখে বুঝে ট্রেনিং সেন্টার বা এক্সপার্টদের সান্নিধ্যে যাবেন।

কিছু এক্সট্রা উপদেশ বাক্যঃ


  • শিখার ক্ষেত্রে অবশ্যই ধৈর্য সহকারে শিখতে হবে। আস্তে আস্তে সামনে আগাতে হবে।
  • মাঝ পথে বা অর্ধেক শিখে বাকি টুকু বাদ রাখবেন না। একটার পর একটা ধীরে ধীরে আয়ত্বে আনার চেষ্টা করবেন।
  • কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে গুগল সার্চ আর সাহায্য নিবেন। আর প্রথম দিকে শিখার সময় প্রচুর সময় দিবেন।
  • এক সাথে সব শিখার চেষ্টা করবেন না। একটি একটি করে ধীরে ধীরে শিখবেন।
  • শিখার পাশাপাশি নিয়মিত প্র্যাকটিস করবেন। প্র্যাকটিসের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন বোধে অন্যকে ফ্রিতে সাইট ডেভলপ করে দিবেন। এতে প্র্যাকটিসের পাশাপাশি সুনামও বাড়বে।
  • শিখা শেষ হয়ে গেলেও নিয়মিত প্রাসঙ্গিক বিষয় গুলোর আপডেট খবর রাখবেন।

শেষ কথা


নিজে যতই পারেন না কেন সেটা নিয়ে অহংকার করবেন না। “অহংকার পতনের মূল” যথা সম্ভব চেষ্টা করবেন অন্যকে সাহায্য করতে। অন্যকে টুকটাক সাহায্য নিয়মিত করার চেষ্টা করবেন এতে অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজেও অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

উপরুক্ত গাইড লাইনের কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে মন্তব্যতে জানান বা ফেসবুকে .ইনবক্স করুন।

অনলাইনে ইনকাম সত্যিই সম্ভব !!!

“অনলাইনে ইনকাম” শব্দটা শুনলেই বেশীর ভাগ মানুষ এটাকে হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেয়। কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না যে আসলেই সম্ভব। বন্ধুদের মাঝে যদি কেউ বলে আমি অনলাইনে কাজ করে সত্যি টাকা পেয়েছি তাবে অন্যরা মনে করে সে বানিয়ে বানিয়ে বলতেছে ভাব মারার জন্য। আবার অনেকে হাসাহাসি করে বলে “হাঁ হাঁ হাঁ দোস্ত জানিস ওনা ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়াল ভাবে টাকার ইনকাম করেছে আচ্ছা তোকে টাকা গুলো কোন ফরমেটে দিলরে – .jgp ফরমেট নাকি .png ফরমেট হাঁ হাঁ হাঁ”

Taka

মানুষ যে কেন বেকার থাকে বুঝি না। কাজ জানলে “বেকার” শব্দটাই হাস্যকর মনে হয়। অনলাইন কাজ করতে কোন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইংরেজি পড়তে পারলে, বুঝতে পারলে আর কাজ জানলে যে কেউ ইনকাম করতে পারে। এখানে বয়সের কোন ভেদ নেই। কিশোর থেকে আঙ্কেল আন্টি বয়সেরও যে কেউ কাজ জানলেই করতে পারবে।

অনলাইনে কাজের মধ্যে রয়েছে – ওয়েব ডেভলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ব্লগিং, এফিলিয়েশন, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। এগুলো ছারাও আরও অনেক কাজ আছে যেগুলোর মাধ্যমে মানুষ সফলভাবে ইনকাম করতেছে।

বর্তমানে আমাদের দেশের বহু মানুষ আছে যারা এই অনলাইনের কাজ করে সফল ভাবে টাকা ইনকাম করতেছে। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজের অধিকাংশ ছেলেরা মেয়েরা বেশ সফলতা পেয়েছে এই কর্মে।

আসুন এমনই কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হই যারা সফল ভাবে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করতেছে।

Mahabub Raihan

মাহাবুব রায়হান

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও (Search Engine Optimization)

আমি মূলত ২০০৯ এর শেষের দিকে অনলাইনে কাজের প্রতি আগ্রহি হই। ২০১০ এর মার্চ মাসে oDesk এ একাউন্ট করি। কিছু দিন ঘাটাঘাটি করার পর আমার প্রথম কাজ পাই ২০১০ সালের মে মাসের ৬-৭ তারিখে। তখন থেকে শুরু করে এখনও কাজ করছি। প্রায় দের বছরের বেশি সময় ধরে অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছি।

সবসময় Independent থাকতে পছন্দ করতাম। তাই পছন্দটাকে ধরে রাখতে অনলাইনের কাজকে পেশা হিসাবে নিয়েছি। আমি কুষ্টিয়া এর মোট মফস্বল শহরে বড় হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এই পেশাতে এই পর্যন্ত এসেছি। কুষ্টিয়াতে GP Internet দিয়ে কাজ করা লাগত এবং সেখানে যারা অনলাইনে কাজ করত তারা সাধারনত এই সব শেয়ার করতে চাইত না। তাই নিজেকেই কষ্ট করে শিখতে হয়েছে। Buyer রা কাজ দিত সেই কাজ করতে গিয়ে অনেক ঘাটা ঘাটি করতে করতে শিখেছি কাজ গুলো। তাই যারা অনলাইনে কাজ করতে চান তাদের অনুরোধ করবো আপনি যেই বিভাগে কাজ করতে চান সেই বিভাগে ভাল ভাবে কাজ শিখে কাজ করতে আসুন তাহলে আর কাজ পেতে বেশি সময় ও কষ্ট হবে না।

Happy Freelancing

Nahida Jahan

নাহিদা জাহান

কাজের বিভাগঃএস.ই.ও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

আমি আমাদের লোকাল মার্কেটের কাজ গুলো বেশি করি। প্রথমে SEO র কাজ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে সম্পূর্ণ Web Development এর কাজ করি।

আমি আগে থেকেই IT Sector এ জরিত তাই আমার কাজ পেতে তেমন একটা সমস্যা হয় নি। ২০০৯ সাল থেকে আমি Online Market Place গুলোতে কাজ করে আসছি।

প্রায় ৩ বছর ধরে কাজ করছি। এখন লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট মিলে কাজ করি। অনেক সময় দেখা যায় আমার কাজ খুঁজতে হয় না Buyer রা আমাকে খুঁজে।

আমি বরাবরই অনেক একজন মানুষ এবং চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। যেহেতু এর কাজের ক্ষেত্রটি আমাদের দেশে একবারেই নতুন তাই এই ক্ষেত্রে আমি আগের থেকেই এই এ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছি যা অন্য সকল চাকরির বাজার থেকে একটু আলাদা এবং বৈচিত্র্যময়। আমি এই সেক্টরে সফলতার সাথে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার মত আরও অনেক মেয়েরা এগিয়ে আসবে এই সেক্টরে।

Masudur Rashid

 মাসুদুর রসিদ

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৮ সাল থেকে অনলাইনে ঘুরাঘুরি করতেছি। আমার প্রথম আয়ের মুখ দেখতে প্রায় ৮ মাস লেগে যায়। ২০০৮ এর আগস্ট থেকে আয় করা শুরু করি।

আমি অনেক কষ্টকরে কাজ শিখেছি। আমি কোন টিচার পাই নাই। আমি আর আমার ভাই জহিরুল ইসলাম মামুন ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে অনেক আস্তে আস্তে কাজ শিখেছি। আমাদের প্রতিটা কাজ শেখার পেছনে অনেক শ্রম, কষ্ট ও সাধনা লুকিয়ে আছে। ঘরে একটা মাত্র কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন ভাইয়ের ৩ বন্ধু মিলে শেয়ার করে চালাতাম। মাসে ১০ দিন নেট কাছে পেতাম আমরা দু’ভাই। সেই ১০দিন আজেবাজে কাজে সময় ব্যায় না করে আমরা কিছু জানার পিছনে ব্যায় করেছি। আগে অনেক কষ্ট করেছি বিধায় আজ আমরা দু’ভাই ই সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

এখনো প্রতিদিন ই কোন না কোন বিষয় শেখার প্রতি সময় ব্যায় করি। নিজের স্কিল বারানোর জন্য আমি অনেক শ্রম দিয়েছি, দিচ্ছি এবং দেব।

Taher Chowdhury Sumon

তাহের চৌধুরী সুমন

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৯ সালের শুরুর দিকে মিগে চ্যাট করার মাধ্যমেই ইন্টারনেট এর সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে আমার। তার বেশ কিছু দিনের মাথায় ই শুরু করেছিলাম ইন্টারনেট জগতের বিশাল প্লাটফর্ম, যা সরাসরিই আমি শুরু করি ব্লগিং দিয়ে।

শুরু দিকে আমার অনলাইনে আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো ব্লগে গুগলের এডসেন্স বসিয়ে আয় যা আস্তে আস্তে প্রফেশনাল ব্লগিং এর রুপ নেয়। এডসেন্স থেকে আয় করতে চাইলে ব্লগে হিউজ ভিজিটর আবশ্যক আর অরগানিক ওয়েতে ভিজিটর আনতে এস.ই.ও জনতেই হবে। তাই ব্লগিং এর জন্য এস.ই.ও শিখা শুরু করি। আস্তে আস্তে নিজেকেকে এস.ই.ও ‘র এডভান্স ফিল্ডে সুইচ করতে থাকি। পরে আমার ইনকাম সোর্সকে ডাইভারসিফাই করতে শুরু করি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আসলে সত্যি কথা বলতে কি একেবারে খুবই কম সময়ে আমি অনলাইনে সফল হয়েছিলাম।। প্রথম কারন হিসাবে আমি বলবো সঠিক সময়ে সঠিক গাইড লাইন যা পেয়েছিলাম খুব কাছের বন্ধু প্রতিষ্ঠিত ব্লগার মাসুদুর রশিদ এর কাছ থেকে। বন্ধু মাসুদের সাফল্য দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম, ওর কাছ থেকেই ব্লগিংয়ের অ-আ-ক-খ শেখা। ওর সাফল্য দেখে মনে হত, আমিও চেষ্টা করলে একদিন সফল হবোই। আর সবচেয়ে বড় যে ব্যাপারটা বিশেষ করে আমার ক্ষেত্রে কাজ করেছে তা হচ্ছে পড়াশুনার পাশাপাশি নিজেকে আত্বনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলা এবং নিজে নিজে ই কিছু করে দেখনো। আর এজন্য আমি প্রথম দিকে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনকে কাজে লাগিয়ে নিজে নিজেই অনেক অনেক স্ট্যাডি করেছি। তাই সফলতা আসতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। 

 

Sojib Rahaman

সজিব রহমান

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও এস.ই.ও

আমি ২০০৭ এর শেষের দিকে অনলাইন জগতে বিচরন শুরু। ২০১০ পর্যন্ত দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি কোন আয় ছাড়াই শুধু কাজ শিখার পিছনে সময় দিয়েছি।

আমি এখন মূলত ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে কাজ করছি। তবে আমার প্রথম আয় এর উৎস ছিল ব্লগিং ও এসইও । এখন ও এসইও থেকেও আয় করছি। আমি গত দেড় বছর ধরে গুগল আডসেন্সে ও ফ্রীল্যান্সিং থেকে আয় করছি। 

ছোটবেলা থেকেই ইন্টারনেট এর উপর অনেক ঝোঁক ছিলো,কিন্তু নিজের কম্পিউটার না থাকার কারনে বেশ কষ্ট করে সাইবার ক্যাফে বা বন্ধুদের কম্পিউটার এ বসে বসে অনলাইন ঘাঁটা ঘাটি শুরু করি। আসলে তখন কিন্তু আমার কোন আয়ের চিন্তা ছিল না।চিন্তা ছিল যে কিভাবে আমি কাজ শিখব।সেই চিন্তা নিয়েই বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ ইংরেজি ওয়েব সাইট ভিজিট করে করে কাজ শিখেছি, টানা ২ বছর কাজ শিখেছে প্রতিদিন ১২-১৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতাম এর পিছনে। তাই সবার উদ্দেশে একটি কথা সেটা হল টাকার পিছনে ছুটার জন্য কাজ শিখবেন না। কাজ শিখুন কাজ শেখার জন্য, তখন দেখবেন টাকাই আপনার পিছনে ছুটছে। ধন্যবাদ।

Ariful Islam Shaon

 আরিফুল ইসলাম শাওন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং

২০০৬ থেকে কাজ শিখা শুরু করছি। দুটি কম্পিউটার কোর্স করছিলাম এগুলো দিয়ে অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে নাই। ফ্রিলেন্সিং মার্কেট প্লেসে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গেলে প্রতিনিয়তই কাজ শিখাতে হয়। তাই আমি এখনও শিখার উপরেই আছি।

বর্তমানে আমি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং থেকে আয় করছি। ২০০৮ এর শেষের দিক থেকে এখন পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে আয় করছি। ফ্রীলান্সারদের আয়ের বেপারটা সম্পূর্ণ সময় এবং কাজের পরিসীমার উপরের নির্ভর করে। যত বেশি দক্ষ এবং দীর্ঘ সময়ের কাজ তত বেশি আয়।

ফ্রিলান্সিং এ আমার শুরুটা হয়েছিল অনেকটা নাটকীয়তার মাঝে। এসএসসি পাশ(২০০৬ সালে) করার পরের ১টি বছর ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমাকে বাধ্য হয়েই পড়াশুনা থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। কিন্তু আমার লক্ষ ছিল পড়াশুনা থেকে দূরে থাকলেও আমি যেন অন্য কিছুতে সময়গুলোকে কাজে লাগাতে পারি। তাই সময়গুলোকে কাজে লাগাতে ২০০৬ এর মাঝামাঝি সময় থেকে টানা ২০০৭ এর শেষ পর্যন্ত টানা দুটি কম্পিউটার কোর্স করি। এবং সাথে ইন্টারনেটে আয় কিভাবে করে সেই খোঁজ করতে থাকি। সেই সময় হয়তো আমার আশেপাশে হাতে গুনা কয়েকজন ছাড়া তেমন কেউ ইন্টারনেটে আয় করতেন না বা ব্যাপারটি জানতেনও না। কোন ভাবে তাদের ব্যাপারে জানতে পারি এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করে কাজের ধরন জেনে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। সাথে চলছিল আমার কম্পিউটার শেখা। দুটো জিনিস একই প্লাটফর্মে অনেকটা আনন্দ নিয়েই করতাম।

Billah Mamun

বিল্লাহ মামুন

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও, ব্লগিং

ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ২০০৭ এর মাঝামাঝি সময়ে। টেকটিউনস সহ বাংলা ব্লগগুলোতে নিয়মিত ব্রাউজিং আর ইন্টারনেট ঘুরাঘুরি করে ইন্টারনেট জগতটা সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হয়েছিলো।

প্রথম দিকে সার্চ ইন্জিন অপটিমেজশন নিয়ে ঘাটাঘাটি করি শুধু শিখার উদ্দেশ্যে। ২০১০ এর প্রথম দিকে এসে এডসেন্স এবং SEO এই দুইটা টার্মের ব্যাপারে বেশ আগ্রহী হয়ে এই দুইটা টার্ম ভাল ভাবে রপ্ত করি।

এখন আমার কাজ বা ইনকাম বলতে এডসেন্স এবং SEO এই দুটি যাকিনা ব্লজ্ঞিং এর মাধ্যমে করে থাকি। ইনকামের শুরুটা হয় ২০১০ এর শেষের দিক থেকে।

আমার অনলাইনে সফল হবার পিছনে বাংলা ব্লগগুলোর অবদান অসামান্য। একসময় ঘন্টার পর ঘন্টার ব্লগগুলোতে দিয়েছি বিশেষ করে টেকটিউনস এ । এই ব্লগগুলো না থাকলে হয়তো এইসব ব্যাপার এত সহজে খুঁজে পাওয়া যেতো না । মাঝে মাঝে ভাবতাম যে অকারণে নেটে এত সময় কেন দিচ্ছি কিন্তু পরে কোন উত্তরটা বুঝতে পারলাম। কিছুই অকারনে নয় সেদিনের সেই সময়গুলো আজকে নতুন পথ দেখাচ্ছে আমাকে। সম্পূর্ণ ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে ধারণা আর গুগল সার্চিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এতে সহজে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার অবস্থানটা ঠিক কোথায় আছে। ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি অনলাইনে সফল হবার জন্য ধৈর্য্য অনেক জরুরি। অনেকেই হাল ছেড়ে দেয় কিন্তু একটা নির্দিষ্ট টার্গেটে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে তবেই আগ্রহ এবং উন্নতি দুইটাই বাড়তে থাকবে।

Bithy Akhter

 বিথী আক্তার

কাজের বিভাগঃ গ্রফিক্স ডিজাইন

জীবনে প্রথম  কম্পিউটারের মালিক হয়েছি ২০০৪ সালে। তখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত শিখছি। শিখার কোন শেষ নেই।

বেশিরভাগ গ্রাফিক্স ডিজাইন  নিয়েই কাজ করছি …এটা কেবল আমার সখের বসে করা । বলা যায় সখ থেকে আয়। এছাড়াও ওয়েব ডেভলোপমেন্ট এর কাজেও আছি।

freelancing এর  ব্যাপারটা মাথায় ছিল ৫/৬ বছর আগে । নানান বাঁধায় সেটা আর সম্ভব হয় নাই। এখন ১ বছর ধরে সফল ভাবে কাজ করে অর্থ আয় করতে পারছি। ফুল টাইম জব এর পাশাপাশি কম্পিউটার সায়েন্স এ অনার্স এ পড়ছি আর গৃহিণী বলে রান্না-বান্নার পাশাপাশি কেবল গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপর কাজ করে পার্টটাইম ইনকামটা করছি।

আসলে আমাদের দেশের অনেক মেয়েরা এখনও অনেক কিছু ফ্রী ভাবে করতে পারে না। আমাকেও প্রথম প্রথম শত বাঁধার ভেতর থেকে কাজ শিখতে হয়েছে। আমার কাজ শেখার প্রধান উপকরণ ছিল দেশি বিদেশি বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল । আসল কথা হল মনের ইচ্ছা থাকলে হাজার বাঁধা অতিক্রম করা সম্ভব ।

Eunus Hosen

 ইউনুস হোসেন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করি ২০০৮ সাল থেকে। সেই থেকেই অনলাইনে পথ চলা।

বর্তমানে আমি মূলত oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসাবে কাজ করে ইনকাম করছি।

২০০৮ থেকেই ব্লগিং করি। তখন থেকে শখের বশত ব্লগ ডিজাইন করতাম। কিছুদিনের মধ্যেই এই কাজটাকে খুব উপভোগ করা শুরু করি। এরপর গুগল এর সাহায্য নিয়ে আরও এডভান্স লেভেলে কাজ শিখার চেষ্টা করলাম। ২০১০ এর মাঝামাঝি এক বন্ধুর কাছ থেকে oDesk এর খোঁজ পাই এবং পরে সেই বন্ধুর কথায় oDesk এ একাউন্ট খুলি ও কিছু পরীক্ষা দেই। কাজের জন্য বিড করা হয়নি তবুও হঠাৎ করেই একদিন oDesk থেকে একটা কাজের ইন্টারভিউর জন্য ইমেইল পাই। সেটাই ছিল ফ্রিলান্সার হিসেবে আমার প্রথম কাজ। এর পর থেকেই oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছি।

Jakir Hossain

 জাকির হোসাইন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

ইন্টারনেট নেওয়া হয়েছে ২০১০ সালে আমার পড়ালেখার সহায়ক হিসেবে। আর ইন্টারনেট এর কল্যানে বিভিন্ন বাংলা ব্লগ গুলো ঘোরা হতো অনেক। সাথে ইংরেজী রেফারেন্স সাইট গুলো।

প্রথম প্রথম আমি আয়ের জন্য চিন্তা করি নি। বা আয়ের জন্য যে শিখব তাও চেষ্টা করি নি। ২০১১ সালের দিকে এসে আয়ের জন্য চেষ্টা করছি এবং যা যা দরকার তা শিখে নিয়েছি। আর এ ক্ষেত্রে আমার আগের শেখা গুলোও কাজে লেগেছে। আমি ওয়েব ডেভলপমেন্টের কাজ করি এবং এ ক্যাটাগরিতে কাজ করেই টাকা ইনকাম করছি।

আমি ৬ মাসের মত অনলাইনে ফ্রীল্যান্সিং করছি। এখনও করতেছি। অনলাইনে আসার কথা প্রথমেই বলছি আমার লেখা পড়ার সহায়ক হিসেবে অনলাইনে আসা। আর ফ্রীল্যান্সিং এ আসা হচ্ছে টাকা রুজি কারার জন্য। বলতে গেলে দুটোতেই আমি খুশি।

Mahbub Alam

 মাহবুব আলম

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও

ক্লাশ সেভেন থেকে সাইবার সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু হয়। ২০০৮ সালের শেষ দিকে টেকটিউনস সাইটের ঠিকানা পাই। শখের বশত টেকটিউনসে এস.ই.ও নিয়ে চেইন টিউন করার সময় এটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে আগ্রহ জন্মে এবং তা নিয়ে কাজ করা শুরু করি। প্রথমে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট বানিয়ে তার এস.ই.ও করি এবং ভালো ফলাফল পাত্তয়ার পর থেকে এটি নিয়ে বর্তমানে সময় কাটাচ্ছি।

এস.ই.ও কাজ করে আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু অর্থ উপার্জন করেছি। তবে এজন্য আমাকে প্রথম তিন মাস সময় ব্যয় করতে হয়েছে কোন প্রকারের অর্থের আশা ছাড়াই। গত ছয় মাস ধরে প্রতিমাসে শুধুমাত্র এডের মাধ্যমে বেশকিছু টাকা আয় করেছি নিয়মিত ভাবে।

ইন্টারনেটে কাজ করার জন্য হাতে কলমে কারো কাছ থেকেই শিক্ষা পাইনি। সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই এ পর্যন্ত আসা। লেখালেখি করতে গিয়ে মূলত আগ্রহ জন্মে কাজের প্রতি। চাকুরির প্রতি তেমন ঝোক নেই। কেননা সেখানে কোন স্বাধীনতা নেই। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে গেলে নিজের ইচ্ছে মতই করা যায়। ইচ্ছে আছে অনলাইনেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। আর একটি কাজ করতে গেলে অবশ্যই ভালো মত জেনে বুঝে করা উচিত। এতে করে পরবর্তীতে আরো কাজ পাত্তয়া সহজ হয়।


কষ্ট করলে সফলতা আসবেই। একদিন আগে বা একদিন পরে সফলতা আসতে বাধ্য। তবে অনলাইনে কাজ করতে হলে ৩টি গুণাবলী একজন মানুষের মধ্যে থাকাটা জরুরীঃ-

  • অনেক ধৈর্যশক্তি।
  • প্রচণ্ড শিখার ইচ্ছা।
  • কাজ করার মনমানসিকতা।

নতুনদের জন্য কিছু কথা

  • যারা নতুন ভাবে নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তুলতে চান। তারা এই ক্ষেত্রে আসার আগে ভাল মত নিজেকে জানুন। আপনার মন কোন বিভাগের কাজ গুলোকে বেশি পছন্দ করে। যেই কাজে মন বসবে না সেটাতে ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করবেন না। এতে ফলাফল বিপরীত হতে পারে।
  • ফ্রিল্যান্সার হিসাবে যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান সেই বিষয়ে খুব ভাল ভাবে শিখে তারপর কর্মক্ষেত্রে যোগদান করবেন।
  • শিখার কোন শেষ নেই তাই কাজ শিখার পরও ওই বিষয়ে নিয়মিত গুগল সার্চ করতে থাকুন। ওই বিষয়ে নিয়মিত আপডেট নিতে থাকুন।
  • যখন কাজ শিখবেন তখন “ইনকাম করব, ইনকাম করব” এমন টার্গেট না রেখে “ভাল ভাবে শিখব, ভাল ভাবে শিখব” এমন টার্গেট রাখুন।
Happy Freelancing…

Robots.txt ফাইল তৈরির সঠিক উপায়।

অনেক ওয়েব ডেভলোপারা বা নতুন যারা ওয়েব সাইট তৈরি করতেছে তারা না বুঝেই Robots.txt ফাইল তৈরি করে ব্যবহার করতেছে অথবা অন্যের সাইটের Robots.txt ফাইল কপি করে ব্যবহার করতেছে। আবার অনেকে তো এটা ব্যবহার করা তো দূরের কথা Robots.txt কি সেটাই জানে না। আসুন জেনে নেই Robots.txt এর বিস্তারিত।

Robots.txt কি ???


ওয়েব রোবট (Robots.txt) ফাইল বলতে বুঝায় এমন একটি ফাইল যা গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে বা বিভিন্ন ধরনের রোবটদের বলে দেয় কোন কোন ডাইরেক্টরি সে crawl করতে পারবে আর কোনটা সে crawl করতে পারবে না।

যেমন মনে করেন Robots.txt ফাইলে যদি নীচের মত করে লিখি তবে কোন রোবট এই ডাইরেক্টরিকে crawl করতে পারবে না।

Disallow: /wp-admin/

Robots.txt ফাইল কেন প্রয়োজন ???


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য Robots.txt ফাইল অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এর মাধ্যমেই গুগল সার্চবট বুঝে নেয় কোন কোন পেজ ইনডেক্স করতে হবে আর কোনটি করতে হবে না। এছাড়াও এটা করলে সাইটের সিকিউরিটিও বৃদ্ধি পায়। যারা। সেই সব হ্যাকার বটের মাধ্যমে সাইটকে হ্যাক করার চেষ্টা করে তাদের থেকে সুরক্ষা দিবে।

Robots.txt ফাইলের সংকেত বা শব্দ


Robots.txt ফাইলে কিছু কমন সংকেত বা শব্দ থাকে তা নিচে আলোচনা করা হলঃ

সংকেত বা শব্দ বর্ণনা
User-agent: রোবট সমূহকে নির্দেশ করে।
* User-agent: * এর মানে সকল প্রকার রোবট।
Allow: লাইনে শুরুতে Allow: বলতে বুঝায় এর পরে যেই Path বা Directory থাকবে তা রোবট crawl করবে।বিঃদ্রঃ একটি পারফেক্ট Robots.txt ফাইলে Allow: না ব্যবহার করাই ভাল।
Disallow: লাইনে শুরুতে Disallow: বলতে বুঝায় এর পরে যেই Path বা Directory থাকবে তা কোন রোবট crawl করবে না।বিঃদ্রঃ যদি Disallow: এর পর কোন Path বা Directory না দেওয়া হয় তবে Disallow: কাজ করবে Allow এর।
# কমেন্ট লেখার জন্য ব্যবহার করা হয় এই চিহ্নটি। মানে কোড গুলো কোন বিষয়ক তা বুঝা যায়।বিঃদ্রঃ Robots.txt ফাইলে কমেন্ট না ব্যবহার করা উত্তম।

User-agent: ও Robots নিয়ে বিস্তারিত


Robots.txt ফাইল তৈরিতে প্রথমেই এসে User-agent: কথা। User-agent: বলতে ব্যবহারকারীকে বুঝি মানে যারা যারা এই সাইটটি পরিদর্শন করবে যেমনঃ সাধারন মানুষ, গুগল বট, গুগল বট ইমেজ, ইয়াহু এমন আরও অনেকে।

Robots.txt ফাইলের প্রথমেই বলে দিতে হয় কোন ব্যবহারকারীদের জন্য নীচের Disallow: গুলো প্রযোজ্য হবে। ব্যবহারকারী বলতে নির্দিষ্ট কিছু সার্চ Robots ও বিভিন্ন বটের বিশেষ কিছু অংশকে বুঝায় যেমনঃ User-agent: Googlebot-Image এখানে Googlebot-Image কিন্তু কোন Robots না। এটা গুগল বটের একটি নির্দিষ্ট অংশ। আসেন কিছু জনপ্রিয় সার্চ Robots ও বিভিন্ন বটের নির্দিষ্ট অংশের সাথে পরিচিত হই।

সার্চ Robots দের নাম Robots.txt ফাইলে ব্যবহিত শব্দ
Google  googlebot
MSN Search  msnbot
Yahoo  yahoo-slurp
Alexa/Wayback  ia_archiver
Ask/Teoma  teoma
Cuil  twiceler
GigaBlast  gigabot
Scrub The Web  scrubby
DMOZ Checker  robozilla
Nutch  nutch
Baidu  baiduspider

এবার আসুন বিভিন্ন বটের বিশেষ কিছু অংশের সাথে পরিচিত হইঃ

বটের বিশেষ অংশের নাম Robots.txt ফাইলে ব্যবহিত শব্দ
Google Image  googlebot-image
Google Mobile  googlebot-mobile
Yahoo MM  yahoo-mmcrawler
Yahoo Blogs  yahoo-blogs/v3.9
MSN PicSearch  psbot
SingingFish  asterias

Disallow বা Allow অংশ


Robots.txt ফাইল দ্বারা যা Disallow করা হবে / এর পর সম্পূর্ণ URL বা ডাইরেক্টরি নাম দিতে হবে। যেমনঃ

[php]
Disallow: /wp-admin/

Disallow: /index.php

Disallow: /moumachi.net/contact[/php]

যদি ওয়েব সাইটের কোন নির্দিষ্ট URL কে Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /moumachi.net/contact[/php]

যদি ওয়েব সাইটের পেজ, ট্যাগ, আর্কাইভ, ফিড, ক্যাটাগরি ইত্যাদি Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /page/

Disallow: /tag/

Disallow: /feed/

Disallow: /archives/[/php]

যদি ওয়েব সাইটের কোন নির্দিষ্ট এক্সটেনশন এর সকল ফাইল Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /*.php$

Disallow: /*.xhtml$

Disallow: /*.css$[/php]

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীদের জন্য একটি কমন Robots.txt ফাইল নিচে দিলাম এটা ব্যবহার করতে পারেন। নীচের লেখা গুলো কপি করে নোট প্যাডে পেস্ট করুন এবং robot.txt নামে সেভ করুন। এরপর ফাইলটি আপনার সার্ভারের রুট ডাইরেক্টরিতে আপলোড করুন।

[php]
Sitemap: http://www.Domain.com/sitemap.xml.gz

User-agent: Googlebot-Image
Disallow:

User-agent: Mediapartners-Google*
Disallow:

User-agent: *
Disallow: /cgi-bin/
Disallow: /wp-admin/
Disallow: /wp-includes/
Disallow: /wp-content/
Disallow: /trackback/
Disallow: /feed/
Disallow: /index.php
[/php]

উপরের Sitemap এ আপনার সাইটের সাইটম্যাপ দিন। এছাড়া যারা এসইও র জন্য পেজ, ট্যাগ বা আর্কাইভ, ক্যাটাগরি Disallow দিতে করতে চান তারা উপরের লেখা টুকুর সাথে নীচের অংশ টুকু অ্যাড করে দিন।

[php]
Disallow: /page/

Disallow: /tag/

Disallow: /archives/[/php]

আপনার সাইটের Robots.txt ফাইলটি আপনি খুব সহজেই দেখতে পারেন বা অন্য কেউ দেখতে পারবে। এজন্য www.yourdomain.com/robotx.txt (YourDomain এর জায়গায় আপনার সাইটের নাম দিবেন)  দিলেই হবে।

আপনার ওয়েব সাইটের Robots.txt ফাইলটি সঠিক হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য http://tool.motoricerca.info/robots-checker.phtml এই সাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সাইটের Robots.txt ফাইলটি যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে নীচের লোগোর মত একটি ভ্যালিড লোগো দিবে আপনাকে। চাইলে এটা আপনার সাইটে ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি কোন ভুল থাকে তবে তা দেখাবে।

Valid Robots.txt

আপনার সাইটের Robots.txt তৈরিতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ।