উল্কি দুনিয়ার ইতিবিত্ত ।

একসময় কয়েদি ও ক্রীতদাসদের শরীরে এঁকে দেওয়া হতো বিচিত্র চিহ্ন। সহজে আড়াল করা যেত না সেই দাগ। শত চেষ্টাতেও সম্ভব হতো না মুছে ফেলা। এভাবে সারা জীবন চিহ্নিত হয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হতো অপরাধীকে। ‘দাগি’ আসামি কথাটি এসেছে সেখান থেকেই। আর তাই ভদ্রসমাজ আজও ভালো চোখে দেখে না উল্কিকে। উল্কি দুনিয়ার যত সবঃ

১৭৬৯ সাল। জেমস কুকের জাহাজ এনডেভার নোঙর ফেলেছে সামোয়ার তাহিতি দ্বীপে। ক্যাপ্টেনসহ নামলেন বেশ ক’জন আরোহী। দ্বীপের বাসিন্দাদের গায়ে তখনো সভ্যতার হাওয়া লাগেনি। শরীরে নামমাত্র কাপড় আর বিচিত্র আঁকিবুকি। দ্বীপে পা রাখার স্মৃতিস্বরূপ কয়েক জন নাবিক তাঁদের দেখাদেখি গায়ে চিহ্ন এঁকে নিলেন। নিতান্ত শখের বশে করা এ কাজে লাভই হলো। দেশে ফিরে যাওয়ার পর গায়ে আঁকার এই ফ্যাশন মনে ধরল অনেকের।

Continue reading