অনলাইনে ইনকাম সত্যিই সম্ভব !!!

“অনলাইনে ইনকাম” শব্দটা শুনলেই বেশীর ভাগ মানুষ এটাকে হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেয়। কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না যে আসলেই সম্ভব। বন্ধুদের মাঝে যদি কেউ বলে আমি অনলাইনে কাজ করে সত্যি টাকা পেয়েছি তাবে অন্যরা মনে করে সে বানিয়ে বানিয়ে বলতেছে ভাব মারার জন্য। আবার অনেকে হাসাহাসি করে বলে “হাঁ হাঁ হাঁ দোস্ত জানিস ওনা ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়াল ভাবে টাকার ইনকাম করেছে আচ্ছা তোকে টাকা গুলো কোন ফরমেটে দিলরে – .jgp ফরমেট নাকি .png ফরমেট হাঁ হাঁ হাঁ”

Taka

মানুষ যে কেন বেকার থাকে বুঝি না। কাজ জানলে “বেকার” শব্দটাই হাস্যকর মনে হয়। অনলাইন কাজ করতে কোন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইংরেজি পড়তে পারলে, বুঝতে পারলে আর কাজ জানলে যে কেউ ইনকাম করতে পারে। এখানে বয়সের কোন ভেদ নেই। কিশোর থেকে আঙ্কেল আন্টি বয়সেরও যে কেউ কাজ জানলেই করতে পারবে।

অনলাইনে কাজের মধ্যে রয়েছে – ওয়েব ডেভলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ব্লগিং, এফিলিয়েশন, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। এগুলো ছারাও আরও অনেক কাজ আছে যেগুলোর মাধ্যমে মানুষ সফলভাবে ইনকাম করতেছে।

বর্তমানে আমাদের দেশের বহু মানুষ আছে যারা এই অনলাইনের কাজ করে সফল ভাবে টাকা ইনকাম করতেছে। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজের অধিকাংশ ছেলেরা মেয়েরা বেশ সফলতা পেয়েছে এই কর্মে।

আসুন এমনই কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হই যারা সফল ভাবে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করতেছে।

Mahabub Raihan

মাহাবুব রায়হান

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও (Search Engine Optimization)

আমি মূলত ২০০৯ এর শেষের দিকে অনলাইনে কাজের প্রতি আগ্রহি হই। ২০১০ এর মার্চ মাসে oDesk এ একাউন্ট করি। কিছু দিন ঘাটাঘাটি করার পর আমার প্রথম কাজ পাই ২০১০ সালের মে মাসের ৬-৭ তারিখে। তখন থেকে শুরু করে এখনও কাজ করছি। প্রায় দের বছরের বেশি সময় ধরে অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছি।

সবসময় Independent থাকতে পছন্দ করতাম। তাই পছন্দটাকে ধরে রাখতে অনলাইনের কাজকে পেশা হিসাবে নিয়েছি। আমি কুষ্টিয়া এর মোট মফস্বল শহরে বড় হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এই পেশাতে এই পর্যন্ত এসেছি। কুষ্টিয়াতে GP Internet দিয়ে কাজ করা লাগত এবং সেখানে যারা অনলাইনে কাজ করত তারা সাধারনত এই সব শেয়ার করতে চাইত না। তাই নিজেকেই কষ্ট করে শিখতে হয়েছে। Buyer রা কাজ দিত সেই কাজ করতে গিয়ে অনেক ঘাটা ঘাটি করতে করতে শিখেছি কাজ গুলো। তাই যারা অনলাইনে কাজ করতে চান তাদের অনুরোধ করবো আপনি যেই বিভাগে কাজ করতে চান সেই বিভাগে ভাল ভাবে কাজ শিখে কাজ করতে আসুন তাহলে আর কাজ পেতে বেশি সময় ও কষ্ট হবে না।

Happy Freelancing

Nahida Jahan

নাহিদা জাহান

কাজের বিভাগঃএস.ই.ও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

আমি আমাদের লোকাল মার্কেটের কাজ গুলো বেশি করি। প্রথমে SEO র কাজ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে সম্পূর্ণ Web Development এর কাজ করি।

আমি আগে থেকেই IT Sector এ জরিত তাই আমার কাজ পেতে তেমন একটা সমস্যা হয় নি। ২০০৯ সাল থেকে আমি Online Market Place গুলোতে কাজ করে আসছি।

প্রায় ৩ বছর ধরে কাজ করছি। এখন লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট মিলে কাজ করি। অনেক সময় দেখা যায় আমার কাজ খুঁজতে হয় না Buyer রা আমাকে খুঁজে।

আমি বরাবরই অনেক একজন মানুষ এবং চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। যেহেতু এর কাজের ক্ষেত্রটি আমাদের দেশে একবারেই নতুন তাই এই ক্ষেত্রে আমি আগের থেকেই এই এ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছি যা অন্য সকল চাকরির বাজার থেকে একটু আলাদা এবং বৈচিত্র্যময়। আমি এই সেক্টরে সফলতার সাথে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার মত আরও অনেক মেয়েরা এগিয়ে আসবে এই সেক্টরে।

Masudur Rashid

 মাসুদুর রসিদ

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৮ সাল থেকে অনলাইনে ঘুরাঘুরি করতেছি। আমার প্রথম আয়ের মুখ দেখতে প্রায় ৮ মাস লেগে যায়। ২০০৮ এর আগস্ট থেকে আয় করা শুরু করি।

আমি অনেক কষ্টকরে কাজ শিখেছি। আমি কোন টিচার পাই নাই। আমি আর আমার ভাই জহিরুল ইসলাম মামুন ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে অনেক আস্তে আস্তে কাজ শিখেছি। আমাদের প্রতিটা কাজ শেখার পেছনে অনেক শ্রম, কষ্ট ও সাধনা লুকিয়ে আছে। ঘরে একটা মাত্র কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন ভাইয়ের ৩ বন্ধু মিলে শেয়ার করে চালাতাম। মাসে ১০ দিন নেট কাছে পেতাম আমরা দু’ভাই। সেই ১০দিন আজেবাজে কাজে সময় ব্যায় না করে আমরা কিছু জানার পিছনে ব্যায় করেছি। আগে অনেক কষ্ট করেছি বিধায় আজ আমরা দু’ভাই ই সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

এখনো প্রতিদিন ই কোন না কোন বিষয় শেখার প্রতি সময় ব্যায় করি। নিজের স্কিল বারানোর জন্য আমি অনেক শ্রম দিয়েছি, দিচ্ছি এবং দেব।

Taher Chowdhury Sumon

তাহের চৌধুরী সুমন

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৯ সালের শুরুর দিকে মিগে চ্যাট করার মাধ্যমেই ইন্টারনেট এর সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে আমার। তার বেশ কিছু দিনের মাথায় ই শুরু করেছিলাম ইন্টারনেট জগতের বিশাল প্লাটফর্ম, যা সরাসরিই আমি শুরু করি ব্লগিং দিয়ে।

শুরু দিকে আমার অনলাইনে আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো ব্লগে গুগলের এডসেন্স বসিয়ে আয় যা আস্তে আস্তে প্রফেশনাল ব্লগিং এর রুপ নেয়। এডসেন্স থেকে আয় করতে চাইলে ব্লগে হিউজ ভিজিটর আবশ্যক আর অরগানিক ওয়েতে ভিজিটর আনতে এস.ই.ও জনতেই হবে। তাই ব্লগিং এর জন্য এস.ই.ও শিখা শুরু করি। আস্তে আস্তে নিজেকেকে এস.ই.ও ‘র এডভান্স ফিল্ডে সুইচ করতে থাকি। পরে আমার ইনকাম সোর্সকে ডাইভারসিফাই করতে শুরু করি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আসলে সত্যি কথা বলতে কি একেবারে খুবই কম সময়ে আমি অনলাইনে সফল হয়েছিলাম।। প্রথম কারন হিসাবে আমি বলবো সঠিক সময়ে সঠিক গাইড লাইন যা পেয়েছিলাম খুব কাছের বন্ধু প্রতিষ্ঠিত ব্লগার মাসুদুর রশিদ এর কাছ থেকে। বন্ধু মাসুদের সাফল্য দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম, ওর কাছ থেকেই ব্লগিংয়ের অ-আ-ক-খ শেখা। ওর সাফল্য দেখে মনে হত, আমিও চেষ্টা করলে একদিন সফল হবোই। আর সবচেয়ে বড় যে ব্যাপারটা বিশেষ করে আমার ক্ষেত্রে কাজ করেছে তা হচ্ছে পড়াশুনার পাশাপাশি নিজেকে আত্বনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলা এবং নিজে নিজে ই কিছু করে দেখনো। আর এজন্য আমি প্রথম দিকে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনকে কাজে লাগিয়ে নিজে নিজেই অনেক অনেক স্ট্যাডি করেছি। তাই সফলতা আসতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। 

 

Sojib Rahaman

সজিব রহমান

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও এস.ই.ও

আমি ২০০৭ এর শেষের দিকে অনলাইন জগতে বিচরন শুরু। ২০১০ পর্যন্ত দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি কোন আয় ছাড়াই শুধু কাজ শিখার পিছনে সময় দিয়েছি।

আমি এখন মূলত ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে কাজ করছি। তবে আমার প্রথম আয় এর উৎস ছিল ব্লগিং ও এসইও । এখন ও এসইও থেকেও আয় করছি। আমি গত দেড় বছর ধরে গুগল আডসেন্সে ও ফ্রীল্যান্সিং থেকে আয় করছি। 

ছোটবেলা থেকেই ইন্টারনেট এর উপর অনেক ঝোঁক ছিলো,কিন্তু নিজের কম্পিউটার না থাকার কারনে বেশ কষ্ট করে সাইবার ক্যাফে বা বন্ধুদের কম্পিউটার এ বসে বসে অনলাইন ঘাঁটা ঘাটি শুরু করি। আসলে তখন কিন্তু আমার কোন আয়ের চিন্তা ছিল না।চিন্তা ছিল যে কিভাবে আমি কাজ শিখব।সেই চিন্তা নিয়েই বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ ইংরেজি ওয়েব সাইট ভিজিট করে করে কাজ শিখেছি, টানা ২ বছর কাজ শিখেছে প্রতিদিন ১২-১৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতাম এর পিছনে। তাই সবার উদ্দেশে একটি কথা সেটা হল টাকার পিছনে ছুটার জন্য কাজ শিখবেন না। কাজ শিখুন কাজ শেখার জন্য, তখন দেখবেন টাকাই আপনার পিছনে ছুটছে। ধন্যবাদ।

Ariful Islam Shaon

 আরিফুল ইসলাম শাওন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং

২০০৬ থেকে কাজ শিখা শুরু করছি। দুটি কম্পিউটার কোর্স করছিলাম এগুলো দিয়ে অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে নাই। ফ্রিলেন্সিং মার্কেট প্লেসে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গেলে প্রতিনিয়তই কাজ শিখাতে হয়। তাই আমি এখনও শিখার উপরেই আছি।

বর্তমানে আমি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং থেকে আয় করছি। ২০০৮ এর শেষের দিক থেকে এখন পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে আয় করছি। ফ্রীলান্সারদের আয়ের বেপারটা সম্পূর্ণ সময় এবং কাজের পরিসীমার উপরের নির্ভর করে। যত বেশি দক্ষ এবং দীর্ঘ সময়ের কাজ তত বেশি আয়।

ফ্রিলান্সিং এ আমার শুরুটা হয়েছিল অনেকটা নাটকীয়তার মাঝে। এসএসসি পাশ(২০০৬ সালে) করার পরের ১টি বছর ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমাকে বাধ্য হয়েই পড়াশুনা থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। কিন্তু আমার লক্ষ ছিল পড়াশুনা থেকে দূরে থাকলেও আমি যেন অন্য কিছুতে সময়গুলোকে কাজে লাগাতে পারি। তাই সময়গুলোকে কাজে লাগাতে ২০০৬ এর মাঝামাঝি সময় থেকে টানা ২০০৭ এর শেষ পর্যন্ত টানা দুটি কম্পিউটার কোর্স করি। এবং সাথে ইন্টারনেটে আয় কিভাবে করে সেই খোঁজ করতে থাকি। সেই সময় হয়তো আমার আশেপাশে হাতে গুনা কয়েকজন ছাড়া তেমন কেউ ইন্টারনেটে আয় করতেন না বা ব্যাপারটি জানতেনও না। কোন ভাবে তাদের ব্যাপারে জানতে পারি এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করে কাজের ধরন জেনে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। সাথে চলছিল আমার কম্পিউটার শেখা। দুটো জিনিস একই প্লাটফর্মে অনেকটা আনন্দ নিয়েই করতাম।

Billah Mamun

বিল্লাহ মামুন

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও, ব্লগিং

ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ২০০৭ এর মাঝামাঝি সময়ে। টেকটিউনস সহ বাংলা ব্লগগুলোতে নিয়মিত ব্রাউজিং আর ইন্টারনেট ঘুরাঘুরি করে ইন্টারনেট জগতটা সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হয়েছিলো।

প্রথম দিকে সার্চ ইন্জিন অপটিমেজশন নিয়ে ঘাটাঘাটি করি শুধু শিখার উদ্দেশ্যে। ২০১০ এর প্রথম দিকে এসে এডসেন্স এবং SEO এই দুইটা টার্মের ব্যাপারে বেশ আগ্রহী হয়ে এই দুইটা টার্ম ভাল ভাবে রপ্ত করি।

এখন আমার কাজ বা ইনকাম বলতে এডসেন্স এবং SEO এই দুটি যাকিনা ব্লজ্ঞিং এর মাধ্যমে করে থাকি। ইনকামের শুরুটা হয় ২০১০ এর শেষের দিক থেকে।

আমার অনলাইনে সফল হবার পিছনে বাংলা ব্লগগুলোর অবদান অসামান্য। একসময় ঘন্টার পর ঘন্টার ব্লগগুলোতে দিয়েছি বিশেষ করে টেকটিউনস এ । এই ব্লগগুলো না থাকলে হয়তো এইসব ব্যাপার এত সহজে খুঁজে পাওয়া যেতো না । মাঝে মাঝে ভাবতাম যে অকারণে নেটে এত সময় কেন দিচ্ছি কিন্তু পরে কোন উত্তরটা বুঝতে পারলাম। কিছুই অকারনে নয় সেদিনের সেই সময়গুলো আজকে নতুন পথ দেখাচ্ছে আমাকে। সম্পূর্ণ ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে ধারণা আর গুগল সার্চিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এতে সহজে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার অবস্থানটা ঠিক কোথায় আছে। ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি অনলাইনে সফল হবার জন্য ধৈর্য্য অনেক জরুরি। অনেকেই হাল ছেড়ে দেয় কিন্তু একটা নির্দিষ্ট টার্গেটে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে তবেই আগ্রহ এবং উন্নতি দুইটাই বাড়তে থাকবে।

Bithy Akhter

 বিথী আক্তার

কাজের বিভাগঃ গ্রফিক্স ডিজাইন

জীবনে প্রথম  কম্পিউটারের মালিক হয়েছি ২০০৪ সালে। তখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত শিখছি। শিখার কোন শেষ নেই।

বেশিরভাগ গ্রাফিক্স ডিজাইন  নিয়েই কাজ করছি …এটা কেবল আমার সখের বসে করা । বলা যায় সখ থেকে আয়। এছাড়াও ওয়েব ডেভলোপমেন্ট এর কাজেও আছি।

freelancing এর  ব্যাপারটা মাথায় ছিল ৫/৬ বছর আগে । নানান বাঁধায় সেটা আর সম্ভব হয় নাই। এখন ১ বছর ধরে সফল ভাবে কাজ করে অর্থ আয় করতে পারছি। ফুল টাইম জব এর পাশাপাশি কম্পিউটার সায়েন্স এ অনার্স এ পড়ছি আর গৃহিণী বলে রান্না-বান্নার পাশাপাশি কেবল গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপর কাজ করে পার্টটাইম ইনকামটা করছি।

আসলে আমাদের দেশের অনেক মেয়েরা এখনও অনেক কিছু ফ্রী ভাবে করতে পারে না। আমাকেও প্রথম প্রথম শত বাঁধার ভেতর থেকে কাজ শিখতে হয়েছে। আমার কাজ শেখার প্রধান উপকরণ ছিল দেশি বিদেশি বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল । আসল কথা হল মনের ইচ্ছা থাকলে হাজার বাঁধা অতিক্রম করা সম্ভব ।

Eunus Hosen

 ইউনুস হোসেন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করি ২০০৮ সাল থেকে। সেই থেকেই অনলাইনে পথ চলা।

বর্তমানে আমি মূলত oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসাবে কাজ করে ইনকাম করছি।

২০০৮ থেকেই ব্লগিং করি। তখন থেকে শখের বশত ব্লগ ডিজাইন করতাম। কিছুদিনের মধ্যেই এই কাজটাকে খুব উপভোগ করা শুরু করি। এরপর গুগল এর সাহায্য নিয়ে আরও এডভান্স লেভেলে কাজ শিখার চেষ্টা করলাম। ২০১০ এর মাঝামাঝি এক বন্ধুর কাছ থেকে oDesk এর খোঁজ পাই এবং পরে সেই বন্ধুর কথায় oDesk এ একাউন্ট খুলি ও কিছু পরীক্ষা দেই। কাজের জন্য বিড করা হয়নি তবুও হঠাৎ করেই একদিন oDesk থেকে একটা কাজের ইন্টারভিউর জন্য ইমেইল পাই। সেটাই ছিল ফ্রিলান্সার হিসেবে আমার প্রথম কাজ। এর পর থেকেই oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছি।

Jakir Hossain

 জাকির হোসাইন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

ইন্টারনেট নেওয়া হয়েছে ২০১০ সালে আমার পড়ালেখার সহায়ক হিসেবে। আর ইন্টারনেট এর কল্যানে বিভিন্ন বাংলা ব্লগ গুলো ঘোরা হতো অনেক। সাথে ইংরেজী রেফারেন্স সাইট গুলো।

প্রথম প্রথম আমি আয়ের জন্য চিন্তা করি নি। বা আয়ের জন্য যে শিখব তাও চেষ্টা করি নি। ২০১১ সালের দিকে এসে আয়ের জন্য চেষ্টা করছি এবং যা যা দরকার তা শিখে নিয়েছি। আর এ ক্ষেত্রে আমার আগের শেখা গুলোও কাজে লেগেছে। আমি ওয়েব ডেভলপমেন্টের কাজ করি এবং এ ক্যাটাগরিতে কাজ করেই টাকা ইনকাম করছি।

আমি ৬ মাসের মত অনলাইনে ফ্রীল্যান্সিং করছি। এখনও করতেছি। অনলাইনে আসার কথা প্রথমেই বলছি আমার লেখা পড়ার সহায়ক হিসেবে অনলাইনে আসা। আর ফ্রীল্যান্সিং এ আসা হচ্ছে টাকা রুজি কারার জন্য। বলতে গেলে দুটোতেই আমি খুশি।

Mahbub Alam

 মাহবুব আলম

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও

ক্লাশ সেভেন থেকে সাইবার সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু হয়। ২০০৮ সালের শেষ দিকে টেকটিউনস সাইটের ঠিকানা পাই। শখের বশত টেকটিউনসে এস.ই.ও নিয়ে চেইন টিউন করার সময় এটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে আগ্রহ জন্মে এবং তা নিয়ে কাজ করা শুরু করি। প্রথমে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট বানিয়ে তার এস.ই.ও করি এবং ভালো ফলাফল পাত্তয়ার পর থেকে এটি নিয়ে বর্তমানে সময় কাটাচ্ছি।

এস.ই.ও কাজ করে আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু অর্থ উপার্জন করেছি। তবে এজন্য আমাকে প্রথম তিন মাস সময় ব্যয় করতে হয়েছে কোন প্রকারের অর্থের আশা ছাড়াই। গত ছয় মাস ধরে প্রতিমাসে শুধুমাত্র এডের মাধ্যমে বেশকিছু টাকা আয় করেছি নিয়মিত ভাবে।

ইন্টারনেটে কাজ করার জন্য হাতে কলমে কারো কাছ থেকেই শিক্ষা পাইনি। সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই এ পর্যন্ত আসা। লেখালেখি করতে গিয়ে মূলত আগ্রহ জন্মে কাজের প্রতি। চাকুরির প্রতি তেমন ঝোক নেই। কেননা সেখানে কোন স্বাধীনতা নেই। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে গেলে নিজের ইচ্ছে মতই করা যায়। ইচ্ছে আছে অনলাইনেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। আর একটি কাজ করতে গেলে অবশ্যই ভালো মত জেনে বুঝে করা উচিত। এতে করে পরবর্তীতে আরো কাজ পাত্তয়া সহজ হয়।


কষ্ট করলে সফলতা আসবেই। একদিন আগে বা একদিন পরে সফলতা আসতে বাধ্য। তবে অনলাইনে কাজ করতে হলে ৩টি গুণাবলী একজন মানুষের মধ্যে থাকাটা জরুরীঃ-

  • অনেক ধৈর্যশক্তি।
  • প্রচণ্ড শিখার ইচ্ছা।
  • কাজ করার মনমানসিকতা।

নতুনদের জন্য কিছু কথা

  • যারা নতুন ভাবে নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তুলতে চান। তারা এই ক্ষেত্রে আসার আগে ভাল মত নিজেকে জানুন। আপনার মন কোন বিভাগের কাজ গুলোকে বেশি পছন্দ করে। যেই কাজে মন বসবে না সেটাতে ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করবেন না। এতে ফলাফল বিপরীত হতে পারে।
  • ফ্রিল্যান্সার হিসাবে যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান সেই বিষয়ে খুব ভাল ভাবে শিখে তারপর কর্মক্ষেত্রে যোগদান করবেন।
  • শিখার কোন শেষ নেই তাই কাজ শিখার পরও ওই বিষয়ে নিয়মিত গুগল সার্চ করতে থাকুন। ওই বিষয়ে নিয়মিত আপডেট নিতে থাকুন।
  • যখন কাজ শিখবেন তখন “ইনকাম করব, ইনকাম করব” এমন টার্গেট না রেখে “ভাল ভাবে শিখব, ভাল ভাবে শিখব” এমন টার্গেট রাখুন।
Happy Freelancing…

সচেতন হন :: মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

মোবাইল ফোন আমাদের একটি অতি অতি প্রয়োজনীয় ডিভাইস তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। বলতে গেলে আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে এই ডিভাইসটি। মোবাইলের ব্যবহার দিনে দিনে বেরেই চলেছে। মোটামুটি আমরা অনেকেই জানি মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহারে আমাদের ক্ষতি হয়। কিন্তু কি ক্ষতি হয় তা কয়জন জানি? হাতে গোনা কয়েকজন জানি এর ক্ষতিকর প্রভাব গুলো। ঐ হাতে গোনা কয়েকজনও জানা সত্ত্বেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে পারেনা প্রয়োজনের তাগিদে। আসুন জেনে নেই কিভাবে এবং কি কি ক্ষতি করে আমাদের সকলের প্রয়োজনীয় এই ডিভাইসটি।

Continue reading

অজানা ও অবাক – পর্ব ৮ (প্রাণী জগত ২)

আমরা প্রাণী জগতের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 

  • পূর্ণ বয়স্ক একটি রানি উইপোকা প্রতিদিন গড়ে ৬০,০০০ টি ডিম পাড়ে। এসব ডিম থেকে শ্রমিক, সৈন্য ও পুরুষ উইপোকার জন্ম হয়।
  • মস্তিষ্কের তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জেনেছেন যে, শুধু মানুষ নয় যে কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীই স্বপ্ন দেখে।
  • ধূসর তিমি প্রজননের কাজে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১২,৫০০ মেইল পরিযান করে মরু সাগর থেকে মাক্সিকো পর্যন্ত চলে যায়। প্রজননের পর এবার একই পথ ধরে নিজ এলাকায় ফিরে আসে।

Continue reading

অজানা ও অবাক – পর্ব ৭ (মানব দেহ ২)

আমরা আমাদের দেহের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 


  • জন্মানোর সময় মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন দেহের এক চতুর্থাংশ থাকলেও পূর্ণবয়স্ক মানুষের মাথার আয়তন দাড়ায় দেহের মোট আয়তনের আট ভাগের এক ভাগ।
  • চোখের অশ্রুগ্রন্থি থেকে যে তরল পদার্থ ক্ষরিত হয় তারই নাম অশ্রু। এর উৎপত্তি স্থল হলো চোখের কনে অবস্থিত ছোট আকারের বিন্দুর মতো ল্যাক্রাইমাল গ্রন্থি (Lacrymal Gland)
  • দেহে মেলানিন (Melanin) নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির কারণে মানুষের দেহের রং কালো হয়। যার দেহে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি তার দেহের রং ততো বেশি কালো হয়।

Continue reading

অজানা ও অবাক পর্ব – ৬ (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি)

আমরা আমাদের বিশ্বের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন –

  • বিজ্ঞানীরা কৃত্তিমভাবে সর্বচ্চ যে তাপমাত্রা উৎপাদন করতে পেরেছে তা হলো ৯২,০০,০০,০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৫১,১০,০০,০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর এই তাপমাত্রা উৎপাদন করা হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্টের নিউ জাসি অঙ্গরাজ্যের প্রিন্সটনের টোকামাক ফিউশন টেস্ট রিঅ্যাক্টয়ে (Tokamak fusion Test Reactor)
  • বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন কম্পিউটার হলো CRAY Y-MP C90 Super Computer . যাতে দুই গিগাবাইট কেন্দ্রীয় স্মৃতি এবং ১৬ টি প্যারালাল কেন্দ্রীয় প্রসেসর রয়েছে।
  • সুপার গ্লু (Super Glue) নামে পরিচিত আঠা আবিষ্কৃত হয় দুর্ঘটনাক্রমে। গবেষকরা আসলে এক ধরনের অপটিক্যাল আবরক তৈরী করার চেষ্টা করেছিলেন। সায়ানো – এক্রিলেট (Cyano – Acrylate) নামের একধরনের রাসায়নিক পদার্থ এই কাজে ব্যবহার করে তারা দুটি প্রিজমকে একসাথে যুক্ত করে দিলেন। কিন্তু পরে আটকানো প্রিজমকে আলাদা করতে পারে নি। আভাবেই তৈরী হয় সুপার গ্লু নামের আঠা।
  • কার্বন-ডাই-অস্কাইড সাধারনত গ্যাস অবস্থায় থাকে। এই গ্যাসটিকে চাপ প্রয়োগ করে কঠিন করা হলে তা শুষ্ক বরফে রূপান্তরিত হয়।

Continue reading

অজানা ও অবাক পর্ব – ৫ (মিশ্রণ)

আমরা আমাদের বিশ্বের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন –

*ইংল্যান্ডের কাছাকাছি গ্রিনিচ গ্রামের সৌর সময় রেখাকে মূল সময় ধরে নিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে সময় নির্ধারণ করা হয়। একে গ্রিনিচ মিন টাইম বা গ্রিনিচ গড় সময় বলে।

*পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান পদার্থ হলো হীরা(Diamond) এটি প্রকৃতপক্ষে কার্বন বা অঙ্গারের এক বিশেষ রূপান্তরিত অবস্থা। কঠিন চাপ বা অত্যাধিক তাপে কার্বন বা অঙ্গার স্বচ্ছ, বর্ণহীন হীরায় রূপান্তরিত হয়।

*বিশ্বের প্রথম বারের মতো ছাতা ব্যবহার করা হয় ১৭৫৬ সালে। জোনাস হ্যানওয়ে (Jonas Hanway) নামে এক ভদ্রলোক লন্ডন শহরে প্রথমবারের মতো চামড়া দিয়ে তৈরী এক ধরনের ছাতা ব্যবহার করেন।

* পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা ৫৫০০সেলসিয়াস বলে ধারনা করা হয়। এতো উষ্ণ হওয়ার করনে সেখানে সব বস্তুই আগুনের মতো উষ্ণ থাকে।

Continue reading

অজানা ও অবাক পর্ব – ৪ (মিশ্রণ)

আমরা আমাদের বিশ্বের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন –

  • খাঁটি সোনা বলতে আমরা ২২ ক্যারাট সোনাকে বুঝি। কিন্তু এটিও খাঁটি নয়। এতে সামান্য কিছু পরিমানে তামা থাকে। খাঁটি সোনা এতোটাই নরম যে হাতে ধরলে সেটি বাঁকা হয়ে যায়।
  • সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় ২৭০,০০,০০০ ডিগ্রী বা ১,৫০,০০,০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
  • উইলিয়াম শেক্সপিয়ার তার সাহিত্য কর্মের মাধ্যমে ইংরেজি ভাষায় ১৭০০ টি নতুন শব্দ সংযোজন করেছিলেন।
  • একটি অ্যালুমিনিয়াম ক্যান রিসাইকেল করার মাধ্যমে যে শক্তি সঞ্চয় করা যায়, টা দিয়ে একটি টেলিভিশন ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত চালিয়ে রাখা যায়।

Continue reading

অজানা ও অবাক – পর্ব ৩ (প্রাণী জগত)

আমরা প্রাণী জগতের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 

  • কুকুরের নাকে প্রায় ৬০,০০০ সংবেদী স্নায়ু থাকে।
  • বাদুড়ের পায়ের হাড় খুব দুর্বল তাই তারা হাঁটতে পারে না।
  • এমু পাখি ও ক্যাঙ্গারু কখনোই পেছন দিকে হাঁটতে পারে না।
  •  অষ্ট্রিচ বা উটপাখির চোখ তার মস্তিস্কের চেয়ে বড়। পাখিদের মধ্যে এতো বড় আকারের চোখ বিরল।
  • মানুষ ছাড়া শিম্পাঞ্জিই একমাত্র প্রানী যারা আয়নায় নিজের চেহারা দেখে চিনতে পারে।

Continue reading

অজানা ও অবাক – পর্ব ২ (প্রাণী জগত)

আমরা প্রাণী জগতের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 

  • জলহস্তী জলে ডুবে থাকা অবস্থাতেও দেখতে, শুনতে ও নিঃশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করতে পারে।
  • পাখিরা যতই পরিশ্রম করুক তাদের কখনো ঘাম হয় না।
  • প্রাণীজগতে দেহের তুলনায় সবচেয়ে বড় আকারের মস্তিস্কযুক্ত প্রাণী হল পিঁপড়া।
  • পিঁপড়া কখনোই ঘুমায় না, দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই এরা কোন না কোন কাজে নিজেদের যুক্ত রাখে।
  • গরিলা ঘুমানর সময় কোন কিছুর সাথে পা লাগিয়ে রাখতে পছন্দ করে।

Continue reading

অজানা ও অবাক – পর্ব ১ (মানব দেহ)

আমরা আমাদের দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 

  •  সাধারনত পুরুষের তুলনায় নারীর মস্তিষ্ক প্রায় ১৫০ ঘন সেঃ মিঃ কম বা ছোট হয়।
  •  ডান হাতি মানুষেরা বাম হাতি মানুষের চেয়ে কমপক্ষে ৯ বছর বেশী বাঁচে।
  •  দেহের কোন স্থানে ব্যথা লাগলে সেখানে চর্বি জাতীয় কিছু মেখে দিলে ব্যথা কমে যায়।
  •  পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের মানুষ দেখা গেলেও আসলে জাত হিসাবে মানুষকে মাত্র ৪টি ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ ককেশয়ড, নিগোয়ড, মঙ্গলয়ড ও ইউরোপিয়রড।

Continue reading