অনলাইনে ইনকাম সত্যিই সম্ভব !!!

“অনলাইনে ইনকাম” শব্দটা শুনলেই বেশীর ভাগ মানুষ এটাকে হাস্যকর বলে উড়িয়ে দেয়। কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না যে আসলেই সম্ভব। বন্ধুদের মাঝে যদি কেউ বলে আমি অনলাইনে কাজ করে সত্যি টাকা পেয়েছি তাবে অন্যরা মনে করে সে বানিয়ে বানিয়ে বলতেছে ভাব মারার জন্য। আবার অনেকে হাসাহাসি করে বলে “হাঁ হাঁ হাঁ দোস্ত জানিস ওনা ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়াল ভাবে টাকার ইনকাম করেছে আচ্ছা তোকে টাকা গুলো কোন ফরমেটে দিলরে – .jgp ফরমেট নাকি .png ফরমেট হাঁ হাঁ হাঁ”

Taka

মানুষ যে কেন বেকার থাকে বুঝি না। কাজ জানলে “বেকার” শব্দটাই হাস্যকর মনে হয়। অনলাইন কাজ করতে কোন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। শুধু মাত্র ইংরেজি পড়তে পারলে, বুঝতে পারলে আর কাজ জানলে যে কেউ ইনকাম করতে পারে। এখানে বয়সের কোন ভেদ নেই। কিশোর থেকে আঙ্কেল আন্টি বয়সেরও যে কেউ কাজ জানলেই করতে পারবে।

অনলাইনে কাজের মধ্যে রয়েছে – ওয়েব ডেভলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ব্লগিং, এফিলিয়েশন, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। এগুলো ছারাও আরও অনেক কাজ আছে যেগুলোর মাধ্যমে মানুষ সফলভাবে ইনকাম করতেছে।

বর্তমানে আমাদের দেশের বহু মানুষ আছে যারা এই অনলাইনের কাজ করে সফল ভাবে টাকা ইনকাম করতেছে। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজের অধিকাংশ ছেলেরা মেয়েরা বেশ সফলতা পেয়েছে এই কর্মে।

আসুন এমনই কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হই যারা সফল ভাবে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করতেছে।

Mahabub Raihan

মাহাবুব রায়হান

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও (Search Engine Optimization)

আমি মূলত ২০০৯ এর শেষের দিকে অনলাইনে কাজের প্রতি আগ্রহি হই। ২০১০ এর মার্চ মাসে oDesk এ একাউন্ট করি। কিছু দিন ঘাটাঘাটি করার পর আমার প্রথম কাজ পাই ২০১০ সালের মে মাসের ৬-৭ তারিখে। তখন থেকে শুরু করে এখনও কাজ করছি। প্রায় দের বছরের বেশি সময় ধরে অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছি।

সবসময় Independent থাকতে পছন্দ করতাম। তাই পছন্দটাকে ধরে রাখতে অনলাইনের কাজকে পেশা হিসাবে নিয়েছি। আমি কুষ্টিয়া এর মোট মফস্বল শহরে বড় হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এই পেশাতে এই পর্যন্ত এসেছি। কুষ্টিয়াতে GP Internet দিয়ে কাজ করা লাগত এবং সেখানে যারা অনলাইনে কাজ করত তারা সাধারনত এই সব শেয়ার করতে চাইত না। তাই নিজেকেই কষ্ট করে শিখতে হয়েছে। Buyer রা কাজ দিত সেই কাজ করতে গিয়ে অনেক ঘাটা ঘাটি করতে করতে শিখেছি কাজ গুলো। তাই যারা অনলাইনে কাজ করতে চান তাদের অনুরোধ করবো আপনি যেই বিভাগে কাজ করতে চান সেই বিভাগে ভাল ভাবে কাজ শিখে কাজ করতে আসুন তাহলে আর কাজ পেতে বেশি সময় ও কষ্ট হবে না।

Happy Freelancing

Nahida Jahan

নাহিদা জাহান

কাজের বিভাগঃএস.ই.ও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

আমি আমাদের লোকাল মার্কেটের কাজ গুলো বেশি করি। প্রথমে SEO র কাজ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে সম্পূর্ণ Web Development এর কাজ করি।

আমি আগে থেকেই IT Sector এ জরিত তাই আমার কাজ পেতে তেমন একটা সমস্যা হয় নি। ২০০৯ সাল থেকে আমি Online Market Place গুলোতে কাজ করে আসছি।

প্রায় ৩ বছর ধরে কাজ করছি। এখন লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট মিলে কাজ করি। অনেক সময় দেখা যায় আমার কাজ খুঁজতে হয় না Buyer রা আমাকে খুঁজে।

আমি বরাবরই অনেক একজন মানুষ এবং চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। যেহেতু এর কাজের ক্ষেত্রটি আমাদের দেশে একবারেই নতুন তাই এই ক্ষেত্রে আমি আগের থেকেই এই এ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছি যা অন্য সকল চাকরির বাজার থেকে একটু আলাদা এবং বৈচিত্র্যময়। আমি এই সেক্টরে সফলতার সাথে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার মত আরও অনেক মেয়েরা এগিয়ে আসবে এই সেক্টরে।

Masudur Rashid

 মাসুদুর রসিদ

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৮ সাল থেকে অনলাইনে ঘুরাঘুরি করতেছি। আমার প্রথম আয়ের মুখ দেখতে প্রায় ৮ মাস লেগে যায়। ২০০৮ এর আগস্ট থেকে আয় করা শুরু করি।

আমি অনেক কষ্টকরে কাজ শিখেছি। আমি কোন টিচার পাই নাই। আমি আর আমার ভাই জহিরুল ইসলাম মামুন ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে অনেক আস্তে আস্তে কাজ শিখেছি। আমাদের প্রতিটা কাজ শেখার পেছনে অনেক শ্রম, কষ্ট ও সাধনা লুকিয়ে আছে। ঘরে একটা মাত্র কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন ভাইয়ের ৩ বন্ধু মিলে শেয়ার করে চালাতাম। মাসে ১০ দিন নেট কাছে পেতাম আমরা দু’ভাই। সেই ১০দিন আজেবাজে কাজে সময় ব্যায় না করে আমরা কিছু জানার পিছনে ব্যায় করেছি। আগে অনেক কষ্ট করেছি বিধায় আজ আমরা দু’ভাই ই সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

এখনো প্রতিদিন ই কোন না কোন বিষয় শেখার প্রতি সময় ব্যায় করি। নিজের স্কিল বারানোর জন্য আমি অনেক শ্রম দিয়েছি, দিচ্ছি এবং দেব।

Taher Chowdhury Sumon

তাহের চৌধুরী সুমন

কাজের বিভাগঃ ব্লগিং, এস.ই.ও, এফিলিয়েশন

২০০৯ সালের শুরুর দিকে মিগে চ্যাট করার মাধ্যমেই ইন্টারনেট এর সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে আমার। তার বেশ কিছু দিনের মাথায় ই শুরু করেছিলাম ইন্টারনেট জগতের বিশাল প্লাটফর্ম, যা সরাসরিই আমি শুরু করি ব্লগিং দিয়ে।

শুরু দিকে আমার অনলাইনে আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো ব্লগে গুগলের এডসেন্স বসিয়ে আয় যা আস্তে আস্তে প্রফেশনাল ব্লগিং এর রুপ নেয়। এডসেন্স থেকে আয় করতে চাইলে ব্লগে হিউজ ভিজিটর আবশ্যক আর অরগানিক ওয়েতে ভিজিটর আনতে এস.ই.ও জনতেই হবে। তাই ব্লগিং এর জন্য এস.ই.ও শিখা শুরু করি। আস্তে আস্তে নিজেকেকে এস.ই.ও ‘র এডভান্স ফিল্ডে সুইচ করতে থাকি। পরে আমার ইনকাম সোর্সকে ডাইভারসিফাই করতে শুরু করি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আসলে সত্যি কথা বলতে কি একেবারে খুবই কম সময়ে আমি অনলাইনে সফল হয়েছিলাম।। প্রথম কারন হিসাবে আমি বলবো সঠিক সময়ে সঠিক গাইড লাইন যা পেয়েছিলাম খুব কাছের বন্ধু প্রতিষ্ঠিত ব্লগার মাসুদুর রশিদ এর কাছ থেকে। বন্ধু মাসুদের সাফল্য দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম, ওর কাছ থেকেই ব্লগিংয়ের অ-আ-ক-খ শেখা। ওর সাফল্য দেখে মনে হত, আমিও চেষ্টা করলে একদিন সফল হবোই। আর সবচেয়ে বড় যে ব্যাপারটা বিশেষ করে আমার ক্ষেত্রে কাজ করেছে তা হচ্ছে পড়াশুনার পাশাপাশি নিজেকে আত্বনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলা এবং নিজে নিজে ই কিছু করে দেখনো। আর এজন্য আমি প্রথম দিকে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনকে কাজে লাগিয়ে নিজে নিজেই অনেক অনেক স্ট্যাডি করেছি। তাই সফলতা আসতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। 

 

Sojib Rahaman

সজিব রহমান

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও এস.ই.ও

আমি ২০০৭ এর শেষের দিকে অনলাইন জগতে বিচরন শুরু। ২০১০ পর্যন্ত দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি কোন আয় ছাড়াই শুধু কাজ শিখার পিছনে সময় দিয়েছি।

আমি এখন মূলত ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে কাজ করছি। তবে আমার প্রথম আয় এর উৎস ছিল ব্লগিং ও এসইও । এখন ও এসইও থেকেও আয় করছি। আমি গত দেড় বছর ধরে গুগল আডসেন্সে ও ফ্রীল্যান্সিং থেকে আয় করছি। 

ছোটবেলা থেকেই ইন্টারনেট এর উপর অনেক ঝোঁক ছিলো,কিন্তু নিজের কম্পিউটার না থাকার কারনে বেশ কষ্ট করে সাইবার ক্যাফে বা বন্ধুদের কম্পিউটার এ বসে বসে অনলাইন ঘাঁটা ঘাটি শুরু করি। আসলে তখন কিন্তু আমার কোন আয়ের চিন্তা ছিল না।চিন্তা ছিল যে কিভাবে আমি কাজ শিখব।সেই চিন্তা নিয়েই বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ ইংরেজি ওয়েব সাইট ভিজিট করে করে কাজ শিখেছি, টানা ২ বছর কাজ শিখেছে প্রতিদিন ১২-১৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতাম এর পিছনে। তাই সবার উদ্দেশে একটি কথা সেটা হল টাকার পিছনে ছুটার জন্য কাজ শিখবেন না। কাজ শিখুন কাজ শেখার জন্য, তখন দেখবেন টাকাই আপনার পিছনে ছুটছে। ধন্যবাদ।

Ariful Islam Shaon

 আরিফুল ইসলাম শাওন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং

২০০৬ থেকে কাজ শিখা শুরু করছি। দুটি কম্পিউটার কোর্স করছিলাম এগুলো দিয়ে অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে নাই। ফ্রিলেন্সিং মার্কেট প্লেসে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গেলে প্রতিনিয়তই কাজ শিখাতে হয়। তাই আমি এখনও শিখার উপরেই আছি।

বর্তমানে আমি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ব্লগিং থেকে আয় করছি। ২০০৮ এর শেষের দিক থেকে এখন পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে আয় করছি। ফ্রীলান্সারদের আয়ের বেপারটা সম্পূর্ণ সময় এবং কাজের পরিসীমার উপরের নির্ভর করে। যত বেশি দক্ষ এবং দীর্ঘ সময়ের কাজ তত বেশি আয়।

ফ্রিলান্সিং এ আমার শুরুটা হয়েছিল অনেকটা নাটকীয়তার মাঝে। এসএসসি পাশ(২০০৬ সালে) করার পরের ১টি বছর ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমাকে বাধ্য হয়েই পড়াশুনা থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। কিন্তু আমার লক্ষ ছিল পড়াশুনা থেকে দূরে থাকলেও আমি যেন অন্য কিছুতে সময়গুলোকে কাজে লাগাতে পারি। তাই সময়গুলোকে কাজে লাগাতে ২০০৬ এর মাঝামাঝি সময় থেকে টানা ২০০৭ এর শেষ পর্যন্ত টানা দুটি কম্পিউটার কোর্স করি। এবং সাথে ইন্টারনেটে আয় কিভাবে করে সেই খোঁজ করতে থাকি। সেই সময় হয়তো আমার আশেপাশে হাতে গুনা কয়েকজন ছাড়া তেমন কেউ ইন্টারনেটে আয় করতেন না বা ব্যাপারটি জানতেনও না। কোন ভাবে তাদের ব্যাপারে জানতে পারি এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করে কাজের ধরন জেনে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। সাথে চলছিল আমার কম্পিউটার শেখা। দুটো জিনিস একই প্লাটফর্মে অনেকটা আনন্দ নিয়েই করতাম।

Billah Mamun

বিল্লাহ মামুন

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও, ব্লগিং

ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ২০০৭ এর মাঝামাঝি সময়ে। টেকটিউনস সহ বাংলা ব্লগগুলোতে নিয়মিত ব্রাউজিং আর ইন্টারনেট ঘুরাঘুরি করে ইন্টারনেট জগতটা সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হয়েছিলো।

প্রথম দিকে সার্চ ইন্জিন অপটিমেজশন নিয়ে ঘাটাঘাটি করি শুধু শিখার উদ্দেশ্যে। ২০১০ এর প্রথম দিকে এসে এডসেন্স এবং SEO এই দুইটা টার্মের ব্যাপারে বেশ আগ্রহী হয়ে এই দুইটা টার্ম ভাল ভাবে রপ্ত করি।

এখন আমার কাজ বা ইনকাম বলতে এডসেন্স এবং SEO এই দুটি যাকিনা ব্লজ্ঞিং এর মাধ্যমে করে থাকি। ইনকামের শুরুটা হয় ২০১০ এর শেষের দিক থেকে।

আমার অনলাইনে সফল হবার পিছনে বাংলা ব্লগগুলোর অবদান অসামান্য। একসময় ঘন্টার পর ঘন্টার ব্লগগুলোতে দিয়েছি বিশেষ করে টেকটিউনস এ । এই ব্লগগুলো না থাকলে হয়তো এইসব ব্যাপার এত সহজে খুঁজে পাওয়া যেতো না । মাঝে মাঝে ভাবতাম যে অকারণে নেটে এত সময় কেন দিচ্ছি কিন্তু পরে কোন উত্তরটা বুঝতে পারলাম। কিছুই অকারনে নয় সেদিনের সেই সময়গুলো আজকে নতুন পথ দেখাচ্ছে আমাকে। সম্পূর্ণ ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে ধারণা আর গুগল সার্চিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এতে সহজে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার অবস্থানটা ঠিক কোথায় আছে। ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি অনলাইনে সফল হবার জন্য ধৈর্য্য অনেক জরুরি। অনেকেই হাল ছেড়ে দেয় কিন্তু একটা নির্দিষ্ট টার্গেটে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে তবেই আগ্রহ এবং উন্নতি দুইটাই বাড়তে থাকবে।

Bithy Akhter

 বিথী আক্তার

কাজের বিভাগঃ গ্রফিক্স ডিজাইন

জীবনে প্রথম  কম্পিউটারের মালিক হয়েছি ২০০৪ সালে। তখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত শিখছি। শিখার কোন শেষ নেই।

বেশিরভাগ গ্রাফিক্স ডিজাইন  নিয়েই কাজ করছি …এটা কেবল আমার সখের বসে করা । বলা যায় সখ থেকে আয়। এছাড়াও ওয়েব ডেভলোপমেন্ট এর কাজেও আছি।

freelancing এর  ব্যাপারটা মাথায় ছিল ৫/৬ বছর আগে । নানান বাঁধায় সেটা আর সম্ভব হয় নাই। এখন ১ বছর ধরে সফল ভাবে কাজ করে অর্থ আয় করতে পারছি। ফুল টাইম জব এর পাশাপাশি কম্পিউটার সায়েন্স এ অনার্স এ পড়ছি আর গৃহিণী বলে রান্না-বান্নার পাশাপাশি কেবল গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপর কাজ করে পার্টটাইম ইনকামটা করছি।

আসলে আমাদের দেশের অনেক মেয়েরা এখনও অনেক কিছু ফ্রী ভাবে করতে পারে না। আমাকেও প্রথম প্রথম শত বাঁধার ভেতর থেকে কাজ শিখতে হয়েছে। আমার কাজ শেখার প্রধান উপকরণ ছিল দেশি বিদেশি বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল । আসল কথা হল মনের ইচ্ছা থাকলে হাজার বাঁধা অতিক্রম করা সম্ভব ।

Eunus Hosen

 ইউনুস হোসেন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করি ২০০৮ সাল থেকে। সেই থেকেই অনলাইনে পথ চলা।

বর্তমানে আমি মূলত oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসাবে কাজ করে ইনকাম করছি।

২০০৮ থেকেই ব্লগিং করি। তখন থেকে শখের বশত ব্লগ ডিজাইন করতাম। কিছুদিনের মধ্যেই এই কাজটাকে খুব উপভোগ করা শুরু করি। এরপর গুগল এর সাহায্য নিয়ে আরও এডভান্স লেভেলে কাজ শিখার চেষ্টা করলাম। ২০১০ এর মাঝামাঝি এক বন্ধুর কাছ থেকে oDesk এর খোঁজ পাই এবং পরে সেই বন্ধুর কথায় oDesk এ একাউন্ট খুলি ও কিছু পরীক্ষা দেই। কাজের জন্য বিড করা হয়নি তবুও হঠাৎ করেই একদিন oDesk থেকে একটা কাজের ইন্টারভিউর জন্য ইমেইল পাই। সেটাই ছিল ফ্রিলান্সার হিসেবে আমার প্রথম কাজ। এর পর থেকেই oDesk এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছি।

Jakir Hossain

 জাকির হোসাইন

কাজের বিভাগঃ ওয়েব ডেভলপমেন্ট

ইন্টারনেট নেওয়া হয়েছে ২০১০ সালে আমার পড়ালেখার সহায়ক হিসেবে। আর ইন্টারনেট এর কল্যানে বিভিন্ন বাংলা ব্লগ গুলো ঘোরা হতো অনেক। সাথে ইংরেজী রেফারেন্স সাইট গুলো।

প্রথম প্রথম আমি আয়ের জন্য চিন্তা করি নি। বা আয়ের জন্য যে শিখব তাও চেষ্টা করি নি। ২০১১ সালের দিকে এসে আয়ের জন্য চেষ্টা করছি এবং যা যা দরকার তা শিখে নিয়েছি। আর এ ক্ষেত্রে আমার আগের শেখা গুলোও কাজে লেগেছে। আমি ওয়েব ডেভলপমেন্টের কাজ করি এবং এ ক্যাটাগরিতে কাজ করেই টাকা ইনকাম করছি।

আমি ৬ মাসের মত অনলাইনে ফ্রীল্যান্সিং করছি। এখনও করতেছি। অনলাইনে আসার কথা প্রথমেই বলছি আমার লেখা পড়ার সহায়ক হিসেবে অনলাইনে আসা। আর ফ্রীল্যান্সিং এ আসা হচ্ছে টাকা রুজি কারার জন্য। বলতে গেলে দুটোতেই আমি খুশি।

Mahbub Alam

 মাহবুব আলম

কাজের বিভাগঃ এস.ই.ও

ক্লাশ সেভেন থেকে সাইবার সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু হয়। ২০০৮ সালের শেষ দিকে টেকটিউনস সাইটের ঠিকানা পাই। শখের বশত টেকটিউনসে এস.ই.ও নিয়ে চেইন টিউন করার সময় এটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে আগ্রহ জন্মে এবং তা নিয়ে কাজ করা শুরু করি। প্রথমে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট বানিয়ে তার এস.ই.ও করি এবং ভালো ফলাফল পাত্তয়ার পর থেকে এটি নিয়ে বর্তমানে সময় কাটাচ্ছি।

এস.ই.ও কাজ করে আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু অর্থ উপার্জন করেছি। তবে এজন্য আমাকে প্রথম তিন মাস সময় ব্যয় করতে হয়েছে কোন প্রকারের অর্থের আশা ছাড়াই। গত ছয় মাস ধরে প্রতিমাসে শুধুমাত্র এডের মাধ্যমে বেশকিছু টাকা আয় করেছি নিয়মিত ভাবে।

ইন্টারনেটে কাজ করার জন্য হাতে কলমে কারো কাছ থেকেই শিক্ষা পাইনি। সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই এ পর্যন্ত আসা। লেখালেখি করতে গিয়ে মূলত আগ্রহ জন্মে কাজের প্রতি। চাকুরির প্রতি তেমন ঝোক নেই। কেননা সেখানে কোন স্বাধীনতা নেই। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে গেলে নিজের ইচ্ছে মতই করা যায়। ইচ্ছে আছে অনলাইনেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। আর একটি কাজ করতে গেলে অবশ্যই ভালো মত জেনে বুঝে করা উচিত। এতে করে পরবর্তীতে আরো কাজ পাত্তয়া সহজ হয়।


কষ্ট করলে সফলতা আসবেই। একদিন আগে বা একদিন পরে সফলতা আসতে বাধ্য। তবে অনলাইনে কাজ করতে হলে ৩টি গুণাবলী একজন মানুষের মধ্যে থাকাটা জরুরীঃ-

  • অনেক ধৈর্যশক্তি।
  • প্রচণ্ড শিখার ইচ্ছা।
  • কাজ করার মনমানসিকতা।

নতুনদের জন্য কিছু কথা

  • যারা নতুন ভাবে নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তুলতে চান। তারা এই ক্ষেত্রে আসার আগে ভাল মত নিজেকে জানুন। আপনার মন কোন বিভাগের কাজ গুলোকে বেশি পছন্দ করে। যেই কাজে মন বসবে না সেটাতে ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করবেন না। এতে ফলাফল বিপরীত হতে পারে।
  • ফ্রিল্যান্সার হিসাবে যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান সেই বিষয়ে খুব ভাল ভাবে শিখে তারপর কর্মক্ষেত্রে যোগদান করবেন।
  • শিখার কোন শেষ নেই তাই কাজ শিখার পরও ওই বিষয়ে নিয়মিত গুগল সার্চ করতে থাকুন। ওই বিষয়ে নিয়মিত আপডেট নিতে থাকুন।
  • যখন কাজ শিখবেন তখন “ইনকাম করব, ইনকাম করব” এমন টার্গেট না রেখে “ভাল ভাবে শিখব, ভাল ভাবে শিখব” এমন টার্গেট রাখুন।
Happy Freelancing…

নিরাপদ রাখুন আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট

ইদানিং ওয়ার্ডপ্রেস সাইট গুলো খুব হ্যাক হচ্ছে। কিছু কাজ করলেই কিন্তু আমরা এই ধরনের বিপদ থেকে মুক্তি পেতে পারি। নিচে কিছু টিপস দেওয়া আছে যা করলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট হ্যাক হওয়া থেকে খুব সহজেই বাচাতে পারেন। এত কষ্ট করে সাইট তৈরি করবেন অথচ তা হ্যাকাররা নষ্ট করে দিবে ??!! তা হতে পারে না… এখনি এই পোষ্টটি পড়ার সাথে সাথে আপনার সাইটকে সিকিউরিটি দিন। 

সিকিউরিটির ব্যাপারে কথা বলার আগে কিছু উপদেশ বাক্য বলে নেই। অনেক ওয়েব সাইট আছে যেখানে ফ্রি তে প্রিমিয়াম থিম পাওয়া যায়। এই ধরনের ক্র্যাক করা থিম ব্যবহার করবেন না। কারন ক্র্যাক করা থিমের ওয়েব সাইট সহজে হ্যাক করা যায়।

বিস্তারিত জানতে এই পোষ্টটি পড়ুন – ফ্রি তে প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার… সাবধান !!!

প্লাগিন ব্যাবহারের আগে প্লাগিনের রিভিউ পড়ে নিন তাহলে বুঝতে পারবেন এই প্লাগিনে কোন সমস্যা আছে কিনা।

উপদেশ বানী শেষ এবার আসি কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটকে সিকিউর করবেন।

wordpress security

*ইউজারনেম পরিবর্তন


ওয়ার্ডপ্রেস এর এডমিন প্যানেলের ইউজারনেম admin থাকলে টা পরিবর্তন করুন।

*শক্তিশালী পাসওয়ার্ড


ওয়ার্ডপ্রেস এর এডমিন প্যানেলের পাসওয়ার্ড জটিল কোন কিছু ব্যবহার করুন। !,@,#,$,%,&,*,(,),{,{,[,],] ইত্যাদি চিহ্ন ব্যবহার করতে পারেন।

*আপডেট


ওয়ার্ডপ্রেস, থিম, প্লাগিন নিয়মিত আপডেট রাখুন।

*robot.txt ফাইল ব্যবহার


robot.txt ফাইল ব্যবহার করুন। কিভাবে করবেন বিস্তারিত জানতে এই পোষ্টটি পড়ুন –Robots.txt ফাইল তৈরির সঠিক উপায়।

*ইউজার রোল কন্ট্রোল


সাইটের ইউজার যদি একাধিক হয়ে থাকে তবে ইউজারদের রোল নির্ধারণ করে কাকে কি ধরনের পারমিশন তা নির্বাচন করুন। ইউজারদের রোল ও কাজ কন্ট্রোল করতে Adminimize প্লাগিনটি ব্যবহার করতে পারেন।

*ফোল্ডার লুকানো


প্লাগিন ফোল্ডার লুকিয়ে রাখুন। মানে ব্রাউজারে http://yourwebsite.com/wp-content/plugins

 এখানে yourwebsite.com এর জায়গায় আপনার সাইটের নাম লিখুন এবং এন্টার চাপুন দেখুন যদি প্লাগিন ফোল্ডার লুকিয়ে না রাখা হয় তবে আপনি যে যে প্লাগিন ব্যবহার করেছেন তা দেখা যাবে।

plugins visible in wp

সমাধানঃ wp-content/plugins ফোল্ডারে একটি খালি index.html ফাইল আপলোড করুন। অবশ্য এই কাজ robot.txt ফাইলের মাধ্যমেও করা যায়। ঠিক একই ভাবে Theme ফোল্ডার ও Upload ফোল্ডারেও একটি খালি index.html ফাইল আপলোড করুন।

*ডাটাবেস প্রিফিক্স পরিবর্তন


ওয়ার্ডপ্রেস ডাটাবেস এর প্রিফিক্স (database prefix) পরিবর্তন করুন। ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিফল্ট প্রিফিক্স wp_ হয়ে থাকে এটা পরিবর্তন করুন।

প্রিফিক্স পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত পোষ্ট খুব শিগ্রই দেওয়া হবে।

*wp-config.php ফাইল প্রটেক্ট


wp-config.php ফাইলে সাইটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। তাই এটাকে প্রটেক্ট করা খুব জরুরি।

সমাধানঃ আপনার সার্ভারে .htaccess ফাইলে নিচের কোডটি পেস্ট করে সেভ করুন ব্যাস আর কিছু লাগবে না।

[php]<Files wp-config.php>

order allow,deny

deny from all

</Files>[/php]

# wp-config.php ফাইলে ফাফাইলের পারমিশন (Permissions) পরিবর্তন করে দিন। সাধারনত 644 থাকে সেটাকে 755 করে দিন।

change permission

* .htaccess ফাইল প্রটেক্ট


wp-config.php ফাইলকে প্রটেক্ট করবেন .htaccess ফাইল দিয়ে তাহলে তো .htaccess ফাইলকেও প্রটেক্ট করা জরুরি হয়ে পড়ে।

সমাধানঃ .htaccess ফাইলে নীচের কোডটি পেস্ট করুন ও সেভ করুন।

[php]<Files .htaccess>

order allow,deny

deny from all

</Files>[/php]

*timthumb.php ফাইল আপডেট


প্রতিটি থিমেই timthumb.php ফাইল থাকে। ইদানিং এই ফাইল টি না আপডেট রাখার কারনে অনেক সাইট হ্যাক হয়েছে। তাই timthumb vulnerability scanner প্লাগিনটির মাধ্যমে timthumb.php ফাইলটি আপডেট করে নিন।

*সিকিউরিটি প্লাগিন


সিকিউরিটি প্লাগিন হিসাবে Better wp security টা বেশ ভাল। অনেক সুবিধা সম্পন্ন।

ভাল ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ধারনা নাই যার তারা এই প্লাগিনের সকল অপশন ব্যবহার করবেন না। যেমনঃ প্রিফিক্স পরিবর্তন, ডাইরেক্টরি ফোল্ডার পরিবর্তন ইত্যাদি।

কিছু কিছু থিমে এই প্লাগিনটি ব্যবহার করলে কিছু অপশন অফ হয়ে যেতে পারে যেমন থিমের প্যানেল, ইডিটর ইত্যাদি। তাই অপশন না বুঝে কেউ এটা ব্যবহার করবেন না।

বা কোন সমস্যা হলে আমাকে দায়ী করবেন না।

*ফায়ারওয়াল ব্যবহার


ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন। ফায়ারওয়াল হিসাবে অনেক প্লাগিন পাওয়া যায় রেটিং দেখে ব্যবহার করতে পারেন তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি কাস্টমাইজ ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে কোন অভিজ্ঞ কারো সাহায্য ছাড়া কাস্টমাইজ ফায়ারওয়াল সাইটে ব্যবহার করবেন না। 

চেষ্টা করবো খুব শিগ্রই কিভাবে কাস্টমাইজ ফায়ারওয়াল মানে কিভাবে নিজে নিজে সাইটের জন্য ফায়ারওয়াল বানাতে হবে তা বিস্তারিত শেয়ার করার।

বিঃদ্রঃ হয়তো কোন টিপস বাদ পরে যেতে পারে। পরে মনে পরলে অ্যাড করা হবে।

উপরে যে কাজ গুলো করতে বলা হয়েছে তা করলে একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটকে নিরাপদ হিসাবে ধরা যাবে। তবে এডভান্স হ্যাকারদের হাত থেকে বাচার জন্য আরও অনেক পদক্ষেপ নিতে হয়। চেষ্টা করবো পরবর্তীতে শেয়ার করার জন্য।

ভাল লাগলে নিচে ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিতে ও অন্যের সাথে শেয়ার করতে ভুইলেন না। 

Robots.txt ফাইল তৈরির সঠিক উপায়।

অনেক ওয়েব ডেভলোপারা বা নতুন যারা ওয়েব সাইট তৈরি করতেছে তারা না বুঝেই Robots.txt ফাইল তৈরি করে ব্যবহার করতেছে অথবা অন্যের সাইটের Robots.txt ফাইল কপি করে ব্যবহার করতেছে। আবার অনেকে তো এটা ব্যবহার করা তো দূরের কথা Robots.txt কি সেটাই জানে না। আসুন জেনে নেই Robots.txt এর বিস্তারিত।

Robots.txt কি ???


ওয়েব রোবট (Robots.txt) ফাইল বলতে বুঝায় এমন একটি ফাইল যা গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে বা বিভিন্ন ধরনের রোবটদের বলে দেয় কোন কোন ডাইরেক্টরি সে crawl করতে পারবে আর কোনটা সে crawl করতে পারবে না।

যেমন মনে করেন Robots.txt ফাইলে যদি নীচের মত করে লিখি তবে কোন রোবট এই ডাইরেক্টরিকে crawl করতে পারবে না।

Disallow: /wp-admin/

Robots.txt ফাইল কেন প্রয়োজন ???


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য Robots.txt ফাইল অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এর মাধ্যমেই গুগল সার্চবট বুঝে নেয় কোন কোন পেজ ইনডেক্স করতে হবে আর কোনটি করতে হবে না। এছাড়াও এটা করলে সাইটের সিকিউরিটিও বৃদ্ধি পায়। যারা। সেই সব হ্যাকার বটের মাধ্যমে সাইটকে হ্যাক করার চেষ্টা করে তাদের থেকে সুরক্ষা দিবে।

Robots.txt ফাইলের সংকেত বা শব্দ


Robots.txt ফাইলে কিছু কমন সংকেত বা শব্দ থাকে তা নিচে আলোচনা করা হলঃ

সংকেত বা শব্দ বর্ণনা
User-agent: রোবট সমূহকে নির্দেশ করে।
* User-agent: * এর মানে সকল প্রকার রোবট।
Allow: লাইনে শুরুতে Allow: বলতে বুঝায় এর পরে যেই Path বা Directory থাকবে তা রোবট crawl করবে।বিঃদ্রঃ একটি পারফেক্ট Robots.txt ফাইলে Allow: না ব্যবহার করাই ভাল।
Disallow: লাইনে শুরুতে Disallow: বলতে বুঝায় এর পরে যেই Path বা Directory থাকবে তা কোন রোবট crawl করবে না।বিঃদ্রঃ যদি Disallow: এর পর কোন Path বা Directory না দেওয়া হয় তবে Disallow: কাজ করবে Allow এর।
# কমেন্ট লেখার জন্য ব্যবহার করা হয় এই চিহ্নটি। মানে কোড গুলো কোন বিষয়ক তা বুঝা যায়।বিঃদ্রঃ Robots.txt ফাইলে কমেন্ট না ব্যবহার করা উত্তম।

User-agent: ও Robots নিয়ে বিস্তারিত


Robots.txt ফাইল তৈরিতে প্রথমেই এসে User-agent: কথা। User-agent: বলতে ব্যবহারকারীকে বুঝি মানে যারা যারা এই সাইটটি পরিদর্শন করবে যেমনঃ সাধারন মানুষ, গুগল বট, গুগল বট ইমেজ, ইয়াহু এমন আরও অনেকে।

Robots.txt ফাইলের প্রথমেই বলে দিতে হয় কোন ব্যবহারকারীদের জন্য নীচের Disallow: গুলো প্রযোজ্য হবে। ব্যবহারকারী বলতে নির্দিষ্ট কিছু সার্চ Robots ও বিভিন্ন বটের বিশেষ কিছু অংশকে বুঝায় যেমনঃ User-agent: Googlebot-Image এখানে Googlebot-Image কিন্তু কোন Robots না। এটা গুগল বটের একটি নির্দিষ্ট অংশ। আসেন কিছু জনপ্রিয় সার্চ Robots ও বিভিন্ন বটের নির্দিষ্ট অংশের সাথে পরিচিত হই।

সার্চ Robots দের নাম Robots.txt ফাইলে ব্যবহিত শব্দ
Google  googlebot
MSN Search  msnbot
Yahoo  yahoo-slurp
Alexa/Wayback  ia_archiver
Ask/Teoma  teoma
Cuil  twiceler
GigaBlast  gigabot
Scrub The Web  scrubby
DMOZ Checker  robozilla
Nutch  nutch
Baidu  baiduspider

এবার আসুন বিভিন্ন বটের বিশেষ কিছু অংশের সাথে পরিচিত হইঃ

বটের বিশেষ অংশের নাম Robots.txt ফাইলে ব্যবহিত শব্দ
Google Image  googlebot-image
Google Mobile  googlebot-mobile
Yahoo MM  yahoo-mmcrawler
Yahoo Blogs  yahoo-blogs/v3.9
MSN PicSearch  psbot
SingingFish  asterias

Disallow বা Allow অংশ


Robots.txt ফাইল দ্বারা যা Disallow করা হবে / এর পর সম্পূর্ণ URL বা ডাইরেক্টরি নাম দিতে হবে। যেমনঃ

[php]
Disallow: /wp-admin/

Disallow: /index.php

Disallow: /moumachi.net/contact[/php]

যদি ওয়েব সাইটের কোন নির্দিষ্ট URL কে Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /moumachi.net/contact[/php]

যদি ওয়েব সাইটের পেজ, ট্যাগ, আর্কাইভ, ফিড, ক্যাটাগরি ইত্যাদি Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /page/

Disallow: /tag/

Disallow: /feed/

Disallow: /archives/[/php]

যদি ওয়েব সাইটের কোন নির্দিষ্ট এক্সটেনশন এর সকল ফাইল Disallow করতে হয় তবে নীচের মত লিখতে হবে

[php]Disallow: /*.php$

Disallow: /*.xhtml$

Disallow: /*.css$[/php]

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীদের জন্য একটি কমন Robots.txt ফাইল নিচে দিলাম এটা ব্যবহার করতে পারেন। নীচের লেখা গুলো কপি করে নোট প্যাডে পেস্ট করুন এবং robot.txt নামে সেভ করুন। এরপর ফাইলটি আপনার সার্ভারের রুট ডাইরেক্টরিতে আপলোড করুন।

[php]
Sitemap: http://www.Domain.com/sitemap.xml.gz

User-agent: Googlebot-Image
Disallow:

User-agent: Mediapartners-Google*
Disallow:

User-agent: *
Disallow: /cgi-bin/
Disallow: /wp-admin/
Disallow: /wp-includes/
Disallow: /wp-content/
Disallow: /trackback/
Disallow: /feed/
Disallow: /index.php
[/php]

উপরের Sitemap এ আপনার সাইটের সাইটম্যাপ দিন। এছাড়া যারা এসইও র জন্য পেজ, ট্যাগ বা আর্কাইভ, ক্যাটাগরি Disallow দিতে করতে চান তারা উপরের লেখা টুকুর সাথে নীচের অংশ টুকু অ্যাড করে দিন।

[php]
Disallow: /page/

Disallow: /tag/

Disallow: /archives/[/php]

আপনার সাইটের Robots.txt ফাইলটি আপনি খুব সহজেই দেখতে পারেন বা অন্য কেউ দেখতে পারবে। এজন্য www.yourdomain.com/robotx.txt (YourDomain এর জায়গায় আপনার সাইটের নাম দিবেন)  দিলেই হবে।

আপনার ওয়েব সাইটের Robots.txt ফাইলটি সঠিক হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য http://tool.motoricerca.info/robots-checker.phtml এই সাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সাইটের Robots.txt ফাইলটি যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে নীচের লোগোর মত একটি ভ্যালিড লোগো দিবে আপনাকে। চাইলে এটা আপনার সাইটে ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি কোন ভুল থাকে তবে তা দেখাবে।

Valid Robots.txt

আপনার সাইটের Robots.txt তৈরিতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ।

এসইও (SEO) :: অন-পেজ এসইওঃ ট্যাগ

অন-পেজ এসইওঃ

অন-পেজ এসইও র ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ হল টাইটেল ট্যাগ (<title> </title>)। এটা কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ ??? !!!

  • এক জন মানুষ যখন গুগলে সার্চ দেয় কোন কিছু লিখে তখন ওই অক্ষরের টাইটেল সেসব সাইটে আছে সেগুলো প্রদর্শন করে গুগল।
  • এক জন মানুষ যখন গুগলে সার্চ দেয় কোন কিছু লিখে তখন ওই অক্ষরের টাইটেল সেসব সাইটে আছে সেগুলো প্রদর্শন করে গুগল।
  • সার্চ ইঞ্জিন পেজের কনটেন্ট গুলো শৃঙ্খলাবদ্ধ ভাবে বুঝতে পারে।

দেখতে একই ধরনের পেজের মধ্যে পার্থক্য বের করতে সাহায্য করে সার্চ ইঞ্জনকে।

হেডার ও বোল্ড ট্যাগঃ

আমরা কখন একটা শব্দকে বোল্ড করি ? যখন ওই শব্দটা কে ভিজিটরের কাছে বেশি প্রাধান্য দিতে হয় তখন। আর হেডার ট্যাগ ব্যবহার করি একটি বর্ণনা কি বিষয়ে তা সংক্ষেপে বুঝানোর জন্য যাতে ভিজিটর হেডিং লাইন পরে বুঝতে পারে এর নিচে যেই বর্ণনা রয়েছে তা কি বিষয়ে রয়েছে।

অনেকে টাইটেল ট্যাগ ও হেডার ট্যাগের কে একই মনে করতে পারেন। কিন্তু না দুটো আলাদা জিনিস। যেমনঃ এই সম্পূর্ণ পোষ্টের টাইটেল হল “এসইও (SEO) পর্ব – ৩ :: অন-পেজ এসইওঃ ট্যাগ ” এর এই পোষ্টের হেডার হল “হেডার ও বোল্ড ট্যাগ

<h1> through <h6>  হেডার ট্যাগ

হেডার ট্যাগ ব্যবহার করলে ভিজিটরের কাছে বুঝতে সুবিধা হয় সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিনও নির্দিষ্ট করতে পারে আপনার সাইটের লিখাতা কন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর একটি হেডার ট্যাগের অধীনে ১ বা ২ টি প্যাঁরা লিখা ভাল। অতিরিক্ত না দেওয়াটাই উত্তম।

অন্যান্য ট্যাগ সমুহঃ

আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে অনেক ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করি। কিন্তু বেসিক এইচটিএমএল  (HTML)  এর যেই ট্যাগ গুলো রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন এগুলোকে বুঝে। সার্চ ইঞ্জিন আপনার কোন কনটেন্ট কে বুঝে না বা আপনার কনটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে সার্চ এর ফলাফল প্রদর্শন করেনা। সার্চ ইঞ্জিন বুঝে তো শুধু মাত্র ট্যাগ সমূহকে। যেমনঃ

Bold – <strong>tag</strong>

Italic – <em>tag</em>

Underline – <span style=”text-decoration: underline;”>tag</span>

Deletion – <del>tag</del>

Insertion – <ins>tag</ins>

আর টাইটেল ট্যাগ ও হেডার ট্যাগ তো আছেই। এমন ট্যাগ সমুহকে সার্চ ইঞ্জিন প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

এসইও(SEO) :: কীওয়ার্ড ও পেজ রেঙ্ক

কীওয়ার্ড একটি সাইটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। যা ব্যবহার করে একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম রেঙ্কে নিয়ে আসা যায়।

আসুন জেনে নেই কীওয়ার্ড এর বিস্তারিতঃ

কীওয়ার্ড গবেষণাঃ

আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে অপটিমাইজেশনের পূর্বে আপনার সাইটের টার্গেট কি তা নির্বাচন করুন। মানে আপনার সাইটের মূল বিষয়বস্তু কি তা নির্ধারণ করুন। সর্ব প্রথমে ৩/৪ টা কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিত পরে আস্তে আস্তে বাড়ানো যেতে পারে। প্রথমে সেই কীওয়ার্ড গুলো নিয়ে ভাল ভাবে অপটিমাইজেশন করতে হবে যাতে ওই কীওয়ার্ড গুলোতে সার্চ ইঞ্জিনে রেঙ্ক বাড়ে।Continue reading

এসইও(SEO) কি ???

এসইও(SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলতে বুঝায় বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে তুলে ধরা সাইটে কি আছে তা সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝানো। আমরা যেকোনো কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলে দেখা যাবে অনেক পরিমানে ফলাফল পাওয়া যায় এর মধ্যে প্রথম ২/৩ পেজে যে সাইট গুলো আমরা পাই সেগুলোই আমরা দেখে থাকি। এটাই হল এসইও মানে সাইটে এসইও করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটকে আগে নিয়ে আসবে আগে থেকলে ভিজিটররা বেশি দেখবে। এটাই মূলত এসইও র কাজ।

Continue reading

ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য প্রাথমিক ও মূল এসইও (SEO)

এসইও (SEO) পারে আপনার সাইটের কাঙ্ক্ষিত ভিজিটর আনতে ও সাইটের রাঙ্ক বাড়াতে। ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি সাইটের এসইও (SEO) জন্য বেশ কিছু কাজ করতে হয়। এগুলো পর্ব হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

এই পর্বে এসইও (SEO) জন্য প্রাথমিক ও মূল যে কাজ গুলো করতে হবে তা আলোচনা করা হলঃ

Continue reading

সম্পূর্ণ ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল

ফ্রি CMS এর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস খুব জনপ্রিয় একটি ওপেন সোর্স CMS.

খুব সহজ এর ব্যবহার প্রক্রিয়া। এখানে সম্পূর্ণ ওয়ার্ডপ্রেস এর ভিডিও টিউটোরিয়াল দেওয়া হল। মত ৫ টি ভাগে সম্পূর্ণ ওয়ার্ডপ্রেস এর টিউটোরিয়ালকে ভাগ করে করা হয়েছে। এটি ওয়ার্ডপ্রেস এর সর্বশেষ ভার্সন ৩.৩ এ করা হয়েছে।

Continue reading

টোটাল গ্রাফিক্স ডিজাইন (পর্ব – ৭)

Tutorial গুলো CS-5  দিয়ে করা তাই পড়ার সাথে সাথে CS-5 দিয়ে Practically কাজ করলে আশা করি তাড়াতাড়ি শিখতে পারবেন। এটি একটি ধারাবাহিক Tutorial তাই টোটাল গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে মৌমাছির সাথেই থাকুন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর পূর্বের পর্ব গুলো গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগ থেকে দেখুন।

Continue reading

একটি সফল ওয়েব সাইটের প্রয়োজনীয় রেসিপি

জীবনের সব ক্ষেত্রেই আমরা সফলতা চাই। সফলতার সংজ্ঞা এক এক জনের কাছে এক এক রকম হতে পারে, তবে আপনি যে কাজই করুন না কেন সে কাজটি আপনাকে সহ আপনার চারপাশে যারা আছে তাদেরকেও আনন্দ দেবে, পরিতৃপ্ত করবে, উপকারে আসবে এটা নিঃসন্দেহে একটা বড় সফলতা। তো এবার এই সফলতা ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে নিয়ে আসি। মনে করুন আপনি একটি ওয়েব সাইট পরিচালনা করেন। তা হতে পারে আপনার বাক্তিগত সাইট বা কমিউনিটি সাইট অথবা আপনার প্রতিষ্ঠানের সাইট। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন এই সাইটটি সবার কাছে আদরণীয় হোক, পরিনিত হোক সবার পছন্দের সাইট হিসাবে। এটা কিন্তু কোন ছোট খাট কাজ না, বেশ কঠিন একটা কাজ। তবে অসম্ভব কিছুই নয়। তো আসুন জেনে নেই কি কি রেসিপিতে তৈরি হবে আপনার একটি সফল ওয়েব সাইট। যা সকলের কাছে হবে জনপ্রিয়, আদরণীয় ও গ্রহণীয়।

  • আপনার কাজের জন্য নিখাদ আবেগ


একটা ওয়েব প্রোজেক্ট দাঁড় সময় ও নিষ্ঠা লাগে। বহু নির্ঘুম রাত ও দিনের পরিশ্রমে তিল তিল করে দাড়িয়ে উঠে একটি ওয়েব সাইট। এতে সম্পৃক্ত আছে অসংখ্য ছোট বড় কাজ যেগুলো মনের আবেগ ও সবটুকু আন্তরিকতা ঢেলে দিয়ে করতে হয়। এ কারনেই কাজটার পিছনে নিজের আবেগকে পুরোপুরি ঢেলে দিতে হবে। একবারে নিখাদ আবেগ প্রদান করতে হবে।

  • বিষয় সম্বন্ধে স্পষ্ট জ্ঞান


আপনি যাই তৈরি করুন না কেন; হতে পারে টেকনোলজি সম্পর্কিত ব্লগ, হতে পারে তথ্য সম্পর্কিত সাইট, হতে পারে নিউজ সম্পর্কিত সাইট ইত্যাদি। মোট কথা যাই তৈরি করেন না কেন ঐ বিষয় সম্পর্কে আপনার সম্পূর্ণ ও স্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে। ঐ বিষয়ে যথেষ্ট জান থাকাটা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য জরুরী। আর আপনার নিজের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস থাকলে আল্লাহ্‌ ব্যতিত আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে কেউ আটকাতে পারবে না।

  • আপনার সেক্টরের চারপাশে খেয়াল রাখুন


আপনি যে বিষয়ে ওয়েব সাইট তৈরি করতেছেন ওটার মত আরও সাইট রয়েছে সেগুলোর প্রতি নজর রাখুন। তাদের কাছ থেকেও নতুন কোন আইডিয়া পেতে পারেন। এছাড়া আপনার সাইটটি যে বিষয়ে করতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে আপটুডেট তথ্য রাখেন। আপনার পাঠকরা বা ভিজিটররা কি চায়? তাদের কোন কোন বিষয়ে চাহিদা বেশি তা বুঝার চেষ্টা করুন।

  • মন দিয়ে পাঠক বা ভিজিটদের কথা শুনুন


আপনার সাইট ব্যবহারকারী বা ভিজিটরদের অনেক কিছু বলার আছে। আপনার উন্নতির সঙ্গে তাদের উন্নতি একই সূত্রে বাঁধা। তাদের চাহিদা পূরণে আপনি সব সময় সচেষ্ট থাকেন এটাই তারা চান। ইন্টারনেটে কারো সমালোচনা করা সহজ বলে এখানে প্রচুর সমালোচনাকারীর খোঁজ মেলে। তাদের মধ্যে এমন কিছু পরামর্শ বা আইডিয়া পাবেন যা আপনার উপকারে আসবে। তাই সকল ধরনের সমালোচনা মন দিয়ে শুনুন।

  • আপনার সেক্টরের মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়ান


ওয়েব আমাদের সুযোগ করে দেয় দূর দূরান্তের মানুষের কাছে আসার। একটা কথা বুঝতে হবে, সংযোগ মানেই উৎপাদনশীলতা, যোগাযোগ মানেই প্রবৃদ্ধি ও প্রগতি। কাজেই যত সম্ভব মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। বিশেষ করে আপনি যে সেক্টরে কাজ করেন বা করতে চাচ্ছেন সেই সেক্টরের মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। অন্যান্য ওয়েব সাইটের ডিসকাশন ফোরামে অংশ নিন, কারো সঙ্গে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার সুযোগ আছে কিনা খেয়াল রাখুন। যোগাযোগের যেকোনো সামান্যতম সুযোগকেও অবহলা করবেন না।

  • ঝুঁকি নিন


একটা কথা আছে “No Risk No Gain” অনেকেই যে কোন পরিবর্তনকে ভয় পান এবং এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু পরিবর্তনের প্রতি এই ভয় উদ্ভাবনের স্রোতকে আটকিয়ে রাখে। সব সময়, সব ক্ষেত্রে খুকি এড়ানোর মানসিকতা ওয়েব সাইট প্রজেক্টের জন্য ক্ষতিকর। কাজেই ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করবেন না।

  • সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করুন


সময় এবং কাজের সঠিক ব্যবস্থাপনা যে না করে আগে বা পরে তাকে পস্তাতেই হয়। আপনার ওয়েব সাইটের গতিশীলতা বা প্রবৃদ্ধি নির্ভর করছে আপনি কতটা ভালো ভাবে আপনার সময়, শ্রম, সম্পদ, আর কাজের ব্যবস্থাপনা করলেন। আপনার এবং আপনার কাজের বাধাহীন প্রবৃদ্ধির অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে সময়। আপনার বাজেট এবং প্রযুক্তির মত এটাকে বড় একটি সম্পদ হিসাবে বিবেচনা করতে হবে।

  • চোখ কান খোলা রাখুন


অলসতা এবং অবহেলা যে কোন সময় মারাত্মক বিপদ দেকে আনতে পারে। তাই চোখ কান খোলা রাখুন। বিপদের আশঙ্কাকে যেমন অবহেলা করবেন না, তেমনি সুযোগের সম্ভবনাকেও নয়। প্রবৃদ্ধি অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে ছোটখাট সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বড় ধরনের সুযোগ সৃষ্টি করা। বিভিন্ন প্রকাশনায় লেখালেখি করুন, ফোরামে যোগ দিন, ব্লগে লিখুন ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের অংশ নিন। এরই মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার নিজেকে ওঁ আপনার কাজকে প্রমোট করার সুযোগ।

একটি ওয়েব সাইটকে সফল করতে অনেক রেসিপির প্রয়োজন হয়। এগুলো ছিল অভ্যন্তরীণ রেসিপি। বাহ্যিক আরও অনেক রেসিপি রয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রেসিপির সংমিশ্রণেই তৈরি হয় একটি সফল ওয়েব সাইট।

বিঃদ্রঃ অনেকের কাছে এই রেসিপি গুলো ফালতু মনে হতে পারে, তাদের জন্য বলতেসি আমি নিজে এই জিনিস গুলো অনুসরণ করে সফলতা পেয়েছি।