কীওয়ার্ড একটি সাইটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। যা ব্যবহার করে একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম রেঙ্কে নিয়ে আসা যায়।

আসুন জেনে নেই কীওয়ার্ড এর বিস্তারিতঃ

কীওয়ার্ড গবেষণাঃ

আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে অপটিমাইজেশনের পূর্বে আপনার সাইটের টার্গেট কি তা নির্বাচন করুন। মানে আপনার সাইটের মূল বিষয়বস্তু কি তা নির্ধারণ করুন। সর্ব প্রথমে ৩/৪ টা কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিত পরে আস্তে আস্তে বাড়ানো যেতে পারে। প্রথমে সেই কীওয়ার্ড গুলো নিয়ে ভাল ভাবে অপটিমাইজেশন করতে হবে যাতে ওই কীওয়ার্ড গুলোতে সার্চ ইঞ্জিনে রেঙ্ক বাড়ে।

১.ছোট কীওয়ার্ডঃ

ছোট কীওয়ার্ড বলতে মূলত এক অক্ষরের কীওয়ার্ড কে বুঝায়। যেমনঃ এসইও, ট্র্যাফিকটিউটোরিয়াল ইত্যাদি। এগুলোর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে রেঙ্ক বাড়ানো খুব মুশকিল কারন এমন শব্দ অনেক সাইটে অনেক বার আছে কিন্তু এমন কীওয়ার্ড এর মূল্য সার্চ ইঞ্জিন বেশি দেয় আর এর স্থায়িত্ব বেশি।

২.নির্দিষ্ট কীওয়ার্ডঃ

নির্দিষ্ট কীওয়ার্ডে অনেক গুলো শব্দ থাকে। যেমনঃ “এসইও র প্রাথমিক ধারনা” এই ধরনের কীওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা কম ও ভাল রেঙ্ক পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে প্রথম রেঙ্কেও আনা যায় খুব সহজে কিন্তু এর সমস্যা হল এর মাধ্যমে ভিজিটর কম পাওয়া যায় সার্চ ইঞ্জিন থেকে।

৩.ইউনিক কীওয়ার্ডঃ

যদি ওয়েবসাইটে এমন কিছু দেওয়া যায় যা আর কথাও নেই তাহলে তো কোন কথাই নেই। ওই ইউনিক কীওয়ার্ড তাই সাইটের সম্পদ। যেমন আপনার কোম্পানির কোন নতুন একটা প্রোডাক্ট বের করেছে ইউনিক কোন নামে তবে ওই কোম্পানির সাইটে ওই নামটাকে কীওয়ার্ড হিসাবে ধরে অপটিমাইজ করলে খুব ভাল ফল পাওয়া যাবে।

ভুল ধারনাঃ

অনেকে যারা নতুন নতুন এসইও র কাজ শুরু করে তারা একটি পেজেই অনেক কীওয়ার্ড ব্যবহার করে। মানে একটি পেজে তারা ৫০/৬০ টি কীওয়ার্ড ব্যবহার করে। যা কোন কাজের না। এমন পদ্ধতিতে আজ থেকে ৮/১০ বছর আগে কাজে লাগত কিন্তু বর্তমানের সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম সম্পূর্ণ ভিন্ন তাই এমনটা বেশি কাজ করে না। তাই প্রতিটি পেজে ৩/৪ টি কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা ভাল। এতে ফলাফল ভাল পাওয়া যায়।

পেজ রেঙ্কঃ

পেজ রেঙ্কটা হল গুগল থেকে দেওয়া ওয়েব সাইটের একটি মূল্য বা একটি পজিশন বুঝায়। প্রথমে যখন এটি গুগল চালু করে তখন সব ধরনের ওয়েব সাইট এক ভাবে রেঙ্ক করত এবং তখন রেঙ্কটা করা হতো শুধু মাত্র সাইটের কন্টেন্ট ও মেটা ট্যাগের উপর ভিত্তি করে।

কিন্তু এখন ওই আগের গুলোর সাথে সাথে গুগল সাইটের সত্যতার উপর নির্ভর করে রেঙ্ক দেয়। সত্যতা বলতে বুঝানো হয়েছে যেমনঃ বড় বড় যেসব সাইট যাদের পেজ রেঙ্ক ভাল ও ভাল পজিসনে আছে ওই সাইটের লিঙ্ক যদি আপনার সাইটে থাকে তবে আপনার সাইটের সত্যতা পাবে আবার আপনার সাইটের লিঙ্ক যদি অন্য এক জনের সাইটে থাকে তবে ওই সাইটাও কিছুটা সত্যতা পাবে।

গুগল পেজ রেঙ্ক চেক করাঃ

গুগল পেজ রেঙ্ক দেয় ০ থেকে ১০ পর্যন্ত। আপনার সাইটের পেজ রেঙ্ক চেক করার জন্য গুগল এর টুলবার ব্যবহার করতে পারেন অথবা পেজচেকার থেকে দেখতে পারেন। 

Recommended Posts

2 Comments

  1. কি করব ভেবে পায়না. যদি একটু সাহায্য করেন যে আমি কিভাবে একটা সুন্দর Web Site বানাবো.


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *