অপারেটিং সিস্টেম বলতে আমারা Windows, Linux, Mac কেই বুঝি। কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও কিছু অপারেটিং সিস্টেম আছে যেগুলোর কথা আমরা অনেকেই শুনি নি। বহু মানুষ আছে প্রচুর আগ্রহ নিয়ে এগুলো ব্যবহার করে। এগুলো কোনটাই Windows, Linux বা Mac এর মত বিশ্বময় ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তৈরি করা হয়নি, প্রতিটি Develop করা হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর বা নির্দিষ্ট কোন কাজের কথা মাথায় রেখে। আসুন জেনে নেই এমন কিছু অপারেটিং সিস্টেম এর কথা। 

১. রিয়েক্ট ওএস (React OS)


Address: www.reactos.org

প্রথমে এই অপারেটিং সিস্টেম এর নাম রাখা হয়েছিল Free Win95, কারণ ডেভলপারদের উদ্দেশ্য ছিল Windows 95 অপারেটিং সিস্টেমের মত হুবহু একটি ক্লোন ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা। ২০০৪ সালে এর ০.২.০ ভারসন রিলিজ হয়, যাতে মোটামুটি Windows এর সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে। আকারে প্রকারে ও ব্যাবহারে মোটামুটি এটা Windows এর মতই।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


২. হাইকু (Haiku)


Address: www.haiku-os.org

১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে BeOS নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। পড়ে অবশ্য তারা মাইক্রোসফট এর কাছে হার মেনে কোথায় যেন হারিয়ে যায়। অনেক দিন পর BeOS এর মতই অনেকটা তৈরি হয় যার নাম হাইকু। অপারেটিং সিস্টেমটি ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে তাই এর ইন্টারফেসটি খুব সহজ ও সরল।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


৩. অ্যারোস (Aros)


Address: www.aros.sourceforge.net

আজ থেকে প্রায় ২২ বছর আগে অ্যামিগা নামের অপারেটিং সিস্টেম মোটামুটি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কিন্তু নির্মাতা কোম্পানি কমোডোরকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়। ফলে অ্যামিগা অপারেটিং সিস্টেম হারিয়ে যায়। পড়ে এই অ্যামিগা মত করে তৈরি করা হয় অ্যারোস। অ্যামিগা অপারেটিং সিস্টেম এর অনেক গুলো ভারসন আছে।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


৪. আরানিম (Aranym)


Address: www.aranym.sourceforge.net

আরানিম একটি ভার্চুয়াল মেশিন যেটি 68040 CPU এবং আটারি হার্ডওয়্যারকে অনুকরণ করে। আরানিম এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা আপনি খুব সহজে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে একত্রে কাজ করবে। এর ইউজার ইন্টারফেস মটেও সুন্দর না তবে পারফরমেন্সের বিচার করলে এটি অবশ্যই বেশি নম্বর পাবে।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


৫. সিলেবল (Syllable)


Address: www.syllable.org

সিলেবল একটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম, সম্পূর্ণ স্বাধীন অপারেটিং সিস্টেম। এটি অন্য সবগুলো থেকে ভিন্ন। ডেস্কটপ টি বৈচিত্র্য ও রঙবেরঙের ডিজাইনে বেশ সুন্দর। এর  পারফরমেন্স ও বেশ ভালো।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


৬. কোলিব্রিও ওএস (KolibriOS)


Address: www.kolibrios.org

এটা খুব উচ্চাকাঙ্খী অপারেটিং সিস্টেম। এটা সম্পূর্ণ অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা। এতে মাল্টিটাস্কিং, গ্রাফিক্যাল ডেস্কটপ, আইপি নেটওয়াকিং, ইউএসবি সাপোর্ট, মিডিয়া প্লে-ব্যাক সহ সমস্ত সুবিধা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে আকারে প্রকারে ও কাজে এটি খুব সুন্দর একটি অপারেটিং সিস্টেম।

ছবি বড় করে দেখতে ছবিটির উপর ক্লিক করুন।


এমন হয়তো আরও বহু অজানা অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে যা আমরা জানি না। 

Recommended Posts

3 Comments

  1. ভালই লাগ্ল,কিন্তু আমরা মূলত উইন্ডোজ,লিনাক্স ইত্যাদি বেশি ব্যবহার করে থাকি,এবং এইগুলা সম্পর্কে জানিও ভাল।এই অপারেটিং সিস্টেম তা নতুন তাই ভাল লাগল… ব্যবহার করলে বোঝা যাবে আসলে ক্যামন।ধন্যবাদ সময় দিয়ে লেখার জন্য

  2. ধন্যবাদ

  3. ধন্যবাদ, নতুন জিনিস জানলাম


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *