একসময় কয়েদি ও ক্রীতদাসদের শরীরে এঁকে দেওয়া হতো বিচিত্র চিহ্ন। সহজে আড়াল করা যেত না সেই দাগ। শত চেষ্টাতেও সম্ভব হতো না মুছে ফেলা। এভাবে সারা জীবন চিহ্নিত হয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হতো অপরাধীকে। ‘দাগি’ আসামি কথাটি এসেছে সেখান থেকেই। আর তাই ভদ্রসমাজ আজও ভালো চোখে দেখে না উল্কিকে। উল্কি দুনিয়ার যত সবঃ

১৭৬৯ সাল। জেমস কুকের জাহাজ এনডেভার নোঙর ফেলেছে সামোয়ার তাহিতি দ্বীপে। ক্যাপ্টেনসহ নামলেন বেশ ক’জন আরোহী। দ্বীপের বাসিন্দাদের গায়ে তখনো সভ্যতার হাওয়া লাগেনি। শরীরে নামমাত্র কাপড় আর বিচিত্র আঁকিবুকি। দ্বীপে পা রাখার স্মৃতিস্বরূপ কয়েক জন নাবিক তাঁদের দেখাদেখি গায়ে চিহ্ন এঁকে নিলেন। নিতান্ত শখের বশে করা এ কাজে লাভই হলো। দেশে ফিরে যাওয়ার পর গায়ে আঁকার এই ফ্যাশন মনে ধরল অনেকের।

এনডেভার সওয়ারি বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিদ জোসেফ ব্যাংকসের উঠাবসা ছিল সমাজের উঁচু শ্রেণীতে। তাঁর হাতেও ছিল একটি নকশা। আর তিনি রাজাকে উপহার দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন কুক ওমাই নামের এক আদিবাসী। দুজনের আঁকিবুকি দেখে আগ্রহী হলো সবাই। রাজা পঞ্চম জর্জ পর্যন্ত হাতে এঁকে নিলেন জেরুজালেম ক্রস। এরপর থেকেই শরীরে আঁকাআঁকি করাটা সমুদ্রগামী নাবিকদের সংস্কারে পরিণত হলো। জাহাজের লগ বইতে এর উল্লেখ পাওয়া গিয়েছিল ‘ট্যাটাও’ নামে।

পলিনেশিয়ার আদিবাসী ভাষার শব্দ ট্যাটাও থেকেই ইংরেজি ট্যাটু শব্দটি ধার করা। চামড়ার নিচের স্তরে অমোচনীয় কালি দিয়ে চিরস্থায়ী নকশা করাই ট্যাটু বা উল্কি। মানবদেহে সৌন্দর্য বৃদ্ধির মূল উদ্দেশ্য হলেও নম্বর দিয়ে আলাদা করতে প্রাণিদেহে উল্কি করা হয়। উল্কির বিশেষত্ব হলো, একবার লাগানো হলে এর কালি কখনো মুছে যায় না। ফসিল বা মমির গায়ে হাজার হাজার বছর পর অবিকৃত উল্কির খোঁজ পাওয়া গেছে। জাপানি ঐতিহ্যবাহী হাতে আঁকা উল্কি পরিচিত ইরেজুমি বা হোরিমোনো নামে। ওদের জন্য ট্যাটু হচ্ছে পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি।

দেশে দেশে উল্কি


প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে মানুষের মধ্যে গায়ে রং মাখার ঝোঁক ছিল। গোত্রের সদস্য বা প্রধানকে আলাদা করা, ধর্মীয় সংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, সৌন্দর্যচর্চা ও অলংকরণের খাতিরে তারা বেছে নিয়েছিল চামড়ার রং বদলের এই উপায়। অস্ট্রিয়া ও ইতালির সীমান্তে খোঁড়াখুঁড়ি চালাতে গিয়ে একটি মানবদেহের ফসিল আবিষ্কৃত হয় ১৯৯১ সালে। প্রায় ৩৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ সময়কার ওই ফসিলের গায়ে গুনে গুনে ৫৭টি উল্কি আবিষ্কার করেন গবেষক দল। তবে এগুলোর দেহের যেসব স্থানে ছিল, সেসব স্থানেই হয় আকুপাংচার। তাই ধারণা করা হয়, প্রাচীনকালে চিকিৎসার উদ্দেশে গায়ে উল্কি আঁকা হতো। পশ্চিম চীনে পাওয়া গেছে ২০০০ খিস্টপূর্বাব্দের উল্কি আঁকা মমি। রাশিয়ায় পাওয়া গেছে জন্তু, মাছ ও দৈত্যের ছাঁচে উল্কি করা মমির সন্ধান। যেটা কমপক্ষে ২৫০০ বছরের পুরনো। তবে উল্কির পুরো কালপঞ্জি বুঝতে চোখ রাখতে হবে কয়েকটি সভ্যতার ইতিহাসের পাতায়।

সামোয়া দ্বীপপুঞ্জ


দুই হাজার বছরেরও আগে পলিনেশিয়ার দ্বীপ এলাকায় উল্কির চল হয়। মাঝে ধর্মপ্রচারক খ্রিস্টান মিশনারির সঙ্গে বিরোধে জড়ালেও স্থানীয়দের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। উল্কি আঁকায় আজও তারা আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিহার করে চলে। তুফুগা নামধারী আঁকিয়েরা বংশানুক্রমিকভাবে শিখে নেয়। শিক্ষানবিশ হিসেবে তারা বহু দিন পার করে কেবল কাপড়ের গায়ে নকশা এঁকে। শূকরের দাঁত, কাছিমের খোলস ও কাঠের হাতল দিয়ে যত্ন করে তৈরি করে ঐতিহ্যবাহী যন্ত্র। হাতুড়ি দিয়ে কালি মাখা তীক্ষ্ন ফলা বসানো হয় চামড়ায়। তিন মাস ধরে আঁকা হয় এ উল্কি। নকশা পোক্ত হতে লেগে যায় এক বছরের মতো।

তাদের সমাজের প্রধানের গায়ে উল্কি থাকা বাধ্যতামূলক। ভবিষ্যতের নেতা নির্বাচন করে তারা কিশোর বয়সেই দলনেতার শরীরে এঁকে দেয় বিশেষ চিহ্ন। উৎসব চলে কয়েক দিন ধরে। আর পুরো প্রক্রিয়ার ভয়াবহ ব্যথা সহ্য করতে না পেরে অনেক সময় হবু নেতার মৃত্যুও হয়। আবার অনেকে ভয়ে মাঝপথে পালিয়ে যায়। আর যারা হাসিমুখে সব সহ্য করে তাদের জন্য পুরস্কার থাকে গোত্রপ্রধানের পদ।

হাওয়াই


প্রশিক্ষিত কাহুনা বা শিল্পীর কাছে হাওয়াই দ্বীপবাসী এঁকে নিত কাকাও বা উল্কি। পছন্দের নকশা ছিল টিকটিকি, যেটাকে তারা ভয় ও শ্রদ্ধা করত এবং অর্ধচন্দ্রাকৃতি পাখা। প্রক্রিয়াটি পালিত হতো গোপনে ও আঁকা শেষ হওয়ার পরে সব যন্ত্রপাতি ধ্বংস করে ফেলা হতো। সঠিক পদ্ধতি জানত খুব কম লোকে। এ জন্য একসময় প্রাচীন রীতিটি চিরতরে হারিয়ে যায়।

ফিলিপাইন


দেহে উল্কি আঁকার আগে এখানকার আদিবাসী নারী-পুরুষদের কিছু করে দেখাতে হতো। যেমন_অন্য সম্প্রদায়ের কারো মাথা কেটে আনার বিনিময়ে জুটত বিশেষ সম্মাননা উল্কি। কখনো পেরিয়ে আসতে হতো ধর্মীয় রীতির ধাপ। নারীরা দেহ রাঙাত সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য। বিশ্বাস করত উল্কির ঐশ্বরিক ক্ষমতা আছে। এভাবে সারা জীবনে শত উল্কিতে শরীর ভরে যেত। স্প্যানিশ দস্যুদল জলপথে এসে এদের দেখে অঞ্চলটির নাম দিয়েছিল রঙিন মানুষের দেশ। পাহাড়ে বা সমতলে থাকা গোষ্ঠীর মধ্যে উল্কি আঁকায় দেখা যেত ভিন্নতা।

চীন


উল্কির পক্ষে-বিপক্ষে মত পাওয়া যায় আদিকালের চীনসমাজে। কারো ধারণা, দেহ পিতৃপ্রদত্ত সম্পদ। এর কোনো রকম পরিবর্তন ঘটানো পাপ। আবার বিপরীতে সারা গায়ে উল্কি করার বর্ণনা শোনা যায় কিংবদন্তি ও গল্পগাথায়। সন্তান যুদ্ধে যাওয়ার আগে সুঁইয়ের ফোঁড়ে গায়ে উল্কি তুলে দিতেন মা। লড়াইয়ের ময়দানে তা দেখে বারবার নিজের দেশের প্রতি কর্তব্যের কথা মনে পড়ে যেত ছেলের। মার্কো পোলোর চীন ভ্রমণের ডায়রিতেও রয়েছে ট্যাটুর উল্লেখ।

কেন এই আঁকাআঁকি


উল্কির বিষয়বস্তু যতটা না অদ্ভুত, তার চেয়েও বিচিত্র এর উদ্দেশ্য। এখন তো ট্যাটু একটি ফ্যাশন। থলিভর্তি পয়সা ঢেলে নিজেদের সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে লোকে শরীরজুড়ে নকশা আঁকিয়ে নেন। চামড়ার অবাঞ্ছিত খুঁত বা রঙের তারতম্য ঢাকতেও কেউ বেছে নেন ছোট্ট উল্কি। কখনো প্রেরণা হিসেবে কাজ করে বিশ্বাস বা কোনো নীতির প্রতি শ্রদ্ধা। প্রিয়জনের নামের আদ্যক্ষর ফুটিয়ে তুলে কেউ স্মৃতিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে নেন। ডুবে গেলে যেন মৃতদেহ আলাদা করে চেনা যায়, সে জন্য সমুদ্রযাত্রী নাবিকরা বহুকাল ধরে করে আসছেন উল্কির চর্চা। পোষা প্রাণীর দেহেও উল্কি করার চল আছে। নম্বর বা চিহ্ন দিয়ে আলাদা করার জন্য কানের লতি বা উরুতে উল্কি করিয়ে নেন মালিক।

তবে এর উল্টো ব্যবহারও আছে। গুপ্ত অপরাধজগৎ ও গ্যাংস্টারের সদস্যরা নিজেদের চিনে নিতে শরীরে উল্কি এঁকে নেয়। জাপানের ইয়াকুজা দলের অন্তপ্রাণ সদস্য সারা দেহ উল্কিতে ভরিয়ে ফেলত। এ জন্য আইন করে সত্তর বছরের জন্য সেখানে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ট্যাটুর চর্চা। পেশাদার খুনিরা চোখের নিচে অশ্রুর ফোঁটার মতো বিন্দু বিন্দু উল্কি এঁকে নেয়। প্রতিটি ফোঁটা তার হাতে খুন হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা নির্দেশ করে। একে ইংরেজিতে বলে টিয়ারড্রপ ট্যাটু। এর চল শুরু হয়েছিল হারিয়ে যাওয়া বা মৃত স্বজনের স্মৃতি ধরে রাখতে। রাশিয়ান মাফিয়া ও পাশ্চাত্যের কারাবন্দিদের মাঝে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। নাৎসি কারাগারে বন্দির গায়ে জোর করে বসিয়ে দেওয়া হতো ক্রমিক নম্বর।

উল্কি আঁকার কৌশল


নিজের শরীরে উল্কি দেখার আগে মনে মনে যথেষ্ট শক্ত হতে হওয়া দরকার। কেননা উল্কি আঁকার পুরো প্রক্রিয়াটি খুবই কষ্টদায়ক এবং খানিকটা জটিলও বটে। যাঁরা মনে করেন শুধু শরীরে খানিকটা রং করালেই তা উল্কি হয়ে যায়, তাঁরা এত দিন ভুল জেনে এসেছেন। আমাদের ত্বকের বাইরের আবরণটিকে বলে এপিডার্মিস, আর তার নিচের স্তরটি হলো ডার্মিস। উল্কি আঁকার কৌশলটি হলো এই ডার্মিস স্তরটিকে রং করা।

কিছু উপজাতীয় রীতি অনুযায়ী শরীরে উল্কি আঁকা হয় নকশা খোদাই করে। এরপর কালি, ছাই কিংবা অন্য কিছু দিয়ে ক্ষতটি ভরাট করা হয়। কিছু সংস্কৃতিতে আবার ধারাল লাঠি বা পশুর হাড় দিয়ে হাতে তৈরি রং শরীরে আঁকা হয়। প্রথাগত জাপানি উল্কি ‘তেবোরি’ আঁকা হয় শুধু হাতে তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করেই।

আধুনিক যুগে শরীরে উল্কি আঁকানোর সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি হলো, বিদ্যুৎচালিত উল্কি যন্ত্র তথা ইলেকট্রিক ট্যাটু মেশিন। এ যন্ত্রের মাধ্যমে চামড়ার মধ্যে অনেক স্বয়ংক্রিয় সূঁচ দিয়ে কালি দেওয়া হয়। ভয়াবহ ব্যথা সহ্য করার মানসিকতা নিয়েই যারা আসে নিজের শরীরে উল্কি আঁকাতে, তাদের কিন্তু নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকেও যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হয়। কেননা উল্কি আঁকানোর পরও কম ঝামেলা পোহাতে হয় না। ব্যথা তো আছেই, সেই সঙ্গে চামড়ার সংক্রমণও ঘটতে পারে। তাই যিনি উল্কি আঁকার কাজটি করবেন, তাঁকে নিজের হাত পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি শরীরের যেখানে উল্কি আঁকা হবে, সেখানটাও পরিষ্কার করে নিতে হয়। উল্কি আঁকিয়েকে সব সময় হাতে দস্তানা পরতে হয়। ক্ষতস্থানটি একটু পর পরই ভালো কোনো অ্যান্টিসেপটিক মাখানো তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলতে হয়। উল্কির রঙেও এখন রয়েছে কত বাহার।

উল্কি আঁকার পরও রয়েছে কত না বিধিনিষেধ। সেই সঙ্গে নানা মতভেদ। কেউ বলে উল্কি আঁকা জায়গাটি প্রথম ২৪ ঘণ্টা ঢেকে রাখা উচিত। আবার কারো মতে, তা দুই ঘণ্টারও কম সময় ঢেকে রাখলেই চলে। অনেকে বলে উল্কি আঁকানোর পর প্রথম দুই সপ্তাহ গরম পানি কিংবা পুলের পানিতে গোসল করাই উচিত না। আবার কারো ভাষায় উল্কি আঁকানোর পর পরই খুবই গরম পানিতে গোসল করা না কি সবচেয়ে ভালো! এখন যিনি উল্কি আঁকাবেন তিনিই জানেন, কোনটা মানবেন আর কোনটা নয়।

রাজকীয় উল্কি


ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হ্যারল্ডের বেশ কয়েকটি উল্কি ছিল। ১০৬৬ সালে হাসটিংসের যুদ্ধে তার মৃত্যুর পর এ উল্কিগুলোই তার দেহ শনাক্তকরণে কাজে লাগে।

ইতিহাসের পাতা ঘাটলে আরো অনেক রাজাদের উল্কির ব্যাপারে জানা যায়। ১৮৬২ সালে ওয়েলসের রাজপুত্র তথা রাজা সপ্তম অ্যাডওয়ার্ড নিজের বাহুতে একটি ক্রস উল্কি আঁকান জেরুজালেমে বেড়াতে এসে। পরে যখন তার দুই ছেলে ক্লারেন্স ও ইয়র্কের ডিউক (পরবর্র্তী সময় রাজা পঞ্চম জর্জ) ১৮৮২ সালে জাপানে যান, তখন তারাও নিজেদের বাহুতে ড্রাগনের উল্কি আঁকান। রাশিয়ার রাজপরিবারের মধ্যে পিটার দ্য গ্রেট, ক্যাথেরিন দ্য গ্রেট এবং দ্বিতীয় নিকোলাস সবারই উল্কি ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যার মৃত্যুদণ্ড ঝড় তুলে, সেই আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দও ছিলেন উল্কির হকদার। তবে এখনকার রাজপরিবারে উল্কির দেখা খুব কমই মেলে।

জীবন বাঁচানো উল্কি


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওয়াফেন এসএস গ্রুপের সেনারা বাঁ হাতের তালুর কাছে এক ধরনের উল্কির প্রচলন করেন। সাত মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের ক্ষুদ্রাকৃতি এই উল্কিতে খোদাই করা হতো বাহকের রক্তের গ্রুপ। লড়াইয়ে অচেতন পড়ে থাকা আহত সেনাকে রক্ত দিয়ে নতুন জীবন দেওয়ার মহৎ উদ্দেশে এর চল শুরু করেন তাঁরা। তবে এতে কজন সেনার প্রাণরক্ষা হয়েছিল তা জানা না গেলেও শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা হিতে বিপরীত হয়। যুদ্ধের পর মিত্রপক্ষ যুদ্ধাপরাধীদের খুঁজে বের করার ভালো উপায় পেয়েছিল। হাতে উল্কি দেখে শনাক্ত করে ধরে নিয়ে ফাঁসিতে ঝোলাতে লাগল। বাঁচার জন্য কেউ কেউ হাতের তালু পুড়িয়ে ফেলল। তবে এতেও চিহ্নিত করতে তেমন বেগ পেতে হলো না। আরো চালাক কয়েক জন পোড়াল হাতের দুই পিঠই। ধরা পড়লে বলত এফোড়-ওফোড় করে বুলেট চলে যাওয়ায় এমনটা হয়েছে। তবে মিত্রবাহিনী সহজে ভুলার পাত্র নয়। এঙ্রে করে নিশ্চিত হতো হাড়ে কোনো ফুটো হয়েছে কি না!

Recommended Posts

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *