আমরা প্রাণী জগতের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন – 

  • পূর্ণ বয়স্ক একটি রানি উইপোকা প্রতিদিন গড়ে ৬০,০০০ টি ডিম পাড়ে। এসব ডিম থেকে শ্রমিক, সৈন্য ও পুরুষ উইপোকার জন্ম হয়।
  • মস্তিষ্কের তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জেনেছেন যে, শুধু মানুষ নয় যে কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীই স্বপ্ন দেখে।
  • ধূসর তিমি প্রজননের কাজে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১২,৫০০ মেইল পরিযান করে মরু সাগর থেকে মাক্সিকো পর্যন্ত চলে যায়। প্রজননের পর এবার একই পথ ধরে নিজ এলাকায় ফিরে আসে।

  • তীরন্দাজ নামের মাছ মুখ ভর্তি জল ছুরে মেরে জলাশয়ের পাশের গাছ থেকে পোকা শিকার করে।
  • জলহস্তি জলে ডুবে থাকা অবস্থাতেও দেখতে, শুনতে ও নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে পারে।
  • ডলফিন ও তিমির দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি পুরু চর্বি স্তর থাকে যাকে ব্লাবার(Blubber) বলে। কোন কোন তিমির ক্ষেত্রে এই ব্লাবার প্রায় ৩ থেকে ৬ ফুট পুরু হতে পারে।
  • পেট্রোল নামক এক জলচর পাখি শত্রুর কবল থেকে রক্ষা পাবার জন্য পেতের ভিতর থেকে পরিতাক্ত খাবার ও তেল মিশানো এক ধরনের দুর্গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ শত্রুর দিকে ছড়িয়ে দেয়।
  • আফ্রিকায় ভেল ভিশিয়া নামে এক উদ্ভিদ রয়েছে যেটি একশত বছরে মাত্র ১ ফুট বৃদ্ধি পায়।
  • সাধারন গোল্ড ফিশ (Common Goldfish) হচ্ছে একমাত্র প্রাণী যে অবলোহিত আলো এবং অতি বেগুনি রশ্নি দেখতে পায়।
  • কীট-পতঙ্গ নিজেদের কণ্ঠে কোন শব্দ করতে পাড়ে না। কারণ উচ্চতর প্রাণীর মতো শব্দ তৈরির জন্য এদের দেহে কোন ধরনের যন্ত্র নেই। কিছু কিছু কীট-পতঙ্গ থেকে আমরা যে শব্দ শুনতে পাই তা তাদের পাখা ঝাপটানোর কারনেই তৈরি হয়।
  • জোঁকের পাকস্থলীতে বেশ কয়েকটি থলে থাকে। এসব থলে খাদ্যনালীর দু পাশে যুক্ত থাকে। রক্ত চোষার সময় জোঁক আক্রান্ত প্রাণীর রক্ত দিয়ে এই পাকস্থলী গুলো ভরে রাখে। তাই এক বার রক্ত চোষার পর জোঁক বেশ কিছু দিন একবারে স্থির হয়ে কোন স্থানে বসে থাকে।
  • হাতির শুঁড় এতোটাই সংবেদী যে এরা এই শুঁড়ের সাহায্যে ছোট একটা সূচও মাতি থেকে তুলে আনতে পাড়ে।
  • উইপোকার ঢিবিতে দুই জাতের সৈনিক উইপোকা রয়েছে। এক জাতের সৈনিক উইপোকা কামানের গোলার মতো আঠালো পদার্থ ছুড়ে শত্রুকে আটকে ফেলে এবং অন্য জাতের সৈনিক উইপোকা মাথায় লাগানো কাচির মতো দাঁড়া দিয়ে শত্রুকে কুচি কুচি করে কেটে ফেলে।
  • স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে সজারু বিশেষ বেশিষ্ট্যসম্পন্ন। এটি খুব সহজে জলে ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে।
  • শিম্পাঞ্জিরা ৩০০ টির মতো শব্দ সংকেত বুঝতে পারে।
  • একটি বৈদ্যুতিক ঈল (Electric eel) মাছ প্রায় ৬৫০ ভোল্টের বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করতে পারে।
  • স্ত্রী টারানটুলা হক ওয়াসপ (Tarantula Hawk Wasp) নিজের হুলের বিষ প্রয়োগ করে বড় আকারের মাকড়সাকে অবশ করে দিতে পারে। এরপর সেই মাকড়সার দেহে ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে লাভার (বাচ্চা টারানটুলা) সেই মাকড়সার দেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে বড় হয়ে উঠে।
  • অনেকের ধারনা হিমালয়ে এক ধরনের দানবগোছের প্রাণী থাকে যাদের ইয়েতি (Yeti) বা তুষার মানব বলে। আসলে বাস্তবে এদের কোন অস্তিত্ব নেই।

Recommended Posts

1 Comment

  1. মামা জটিল হইছে….আমি খুবই লাইক করি এইসব


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *