আমরা আমাদের বিশ্বের অনেক কথাই জানি তারপরও আবার এমন কিছু আছে যা আমরা অনেকেই জানি না। এই না জানা কিছু কথা জেনে নিন –

  • বিজ্ঞানীরা কৃত্তিমভাবে সর্বচ্চ যে তাপমাত্রা উৎপাদন করতে পেরেছে তা হলো ৯২,০০,০০,০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৫১,১০,০০,০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর এই তাপমাত্রা উৎপাদন করা হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্টের নিউ জাসি অঙ্গরাজ্যের প্রিন্সটনের টোকামাক ফিউশন টেস্ট রিঅ্যাক্টয়ে (Tokamak fusion Test Reactor)
  • বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন কম্পিউটার হলো CRAY Y-MP C90 Super Computer . যাতে দুই গিগাবাইট কেন্দ্রীয় স্মৃতি এবং ১৬ টি প্যারালাল কেন্দ্রীয় প্রসেসর রয়েছে।
  • সুপার গ্লু (Super Glue) নামে পরিচিত আঠা আবিষ্কৃত হয় দুর্ঘটনাক্রমে। গবেষকরা আসলে এক ধরনের অপটিক্যাল আবরক তৈরী করার চেষ্টা করেছিলেন। সায়ানো – এক্রিলেট (Cyano – Acrylate) নামের একধরনের রাসায়নিক পদার্থ এই কাজে ব্যবহার করে তারা দুটি প্রিজমকে একসাথে যুক্ত করে দিলেন। কিন্তু পরে আটকানো প্রিজমকে আলাদা করতে পারে নি। আভাবেই তৈরী হয় সুপার গ্লু নামের আঠা।
  • কার্বন-ডাই-অস্কাইড সাধারনত গ্যাস অবস্থায় থাকে। এই গ্যাসটিকে চাপ প্রয়োগ করে কঠিন করা হলে তা শুষ্ক বরফে রূপান্তরিত হয়।

  • হোমিওপ্যাথি (Homoeopathy) একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি। একে সদৃশবিধান চিকিৎসা পদ্ধতিও বলা হয়। এতে ধরনা করা হয়, কোন পদার্থ যদি মানুষের দেহে রগ সৃষ্টি করে, তবে সেই পদার্থ দিয়েই সেই রোগ নিরাময় করা সম্ভব। জার্মান চিকিৎসক মহাত্মা স্যামুয়েল হ্যানিমন এই চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
  • ঘর্ষণ বল বাড়ানোর জন্য মোটর গাড়ির টায়ারের উপরিতল মসৃণ না রেখে খাঁজকাটা রাখা হয়। যে টায়ারে বেশি খাঁজকাটা থাকে সেই টায়ারের ঘর্ষণ বল বেশি থাকে।
  • অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের অগ্নি নির্বাপণের সময় ব্যবহার করার জন্য যে পোশাক তৈরী করা হয় সেটি অ্যাজবেস্টস দিয়ে তৈরী করা হয়। অ্যাজবেস্টস একধরনের পদার্থ যা তাপ অপরিবাহী।
  • মহাআকাশে প্রতিনিয়ত অসংখ্য নক্ষত্রের মৃত্যু হচ্ছে। একটি নক্ষত্র জ্বলতে জ্বলতে এক সময় তার অভ্যন্তরের সব হাইড্রোজেন জ্বালানি যখন নিঃশেষ হয়ে যায়। তখনই নক্ষত্রটি মৃত্যুর কলে ঢলে পড়ে।
  • সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড প্রতি ঘণ্টায় সকল দিকে ১,০০,০০,০০,০০০ মাইল বেগে প্রসারিত হচ্ছে।
  • বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে প্রায় ১০,০০০ কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে বলে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারনা করেন।
  • রাস্তা দিয়ে ৮০ কিঃমিঃ গতিতে ছুটে চলা কোন মোটর গাড়ি যে পরিমাণে জ্বালানি ব্যয় করে তার মধ্যে ৫০ শতাংশই ব্যয় হয় বাতাসের বাধা প্রতিহত করার জন্য।
  • একটি হারিকেন গড়ে ৮০০ মেগাটন বোমার সমান শক্তি জড়ো করতে পারে।

Recommended Posts

1 Comment

  1. অসাধারন তথ্য। সত্যিই অবাক করার মত। খুবই ভাল লাগল।


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *